কানাডায় বাঙালি ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব ২০১৯

বাঙলির হাজার বছরের ইতিহাসে পিঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। খাদ্য রসিক বাঙালি প্রাচীনকাল থেকে প্রধান খাবারের পাশাপাশি অনেক মুখরোচক খাবার তৈরি করে এসেছে। এর মধ্যে পিঠা অন্যতম।

এ বছর কানাডা কেঁপেছিল প্রচণ্ড শীতে। কয়েকদিন আগে ও তাপমাত্রা প্রায় মাইনাস ৪৫ ডিগ্রি ছুঁয়েছিল। সেই শীতের তীব্রতা এখন কম। অধিকাংশ শহরে তাপমাত্রা এখন প্লাস ৫/৬ ডিগ্রির মাঝে আছে। প্রকৃতিতে এখন বসন্ত। চলছে শীত আর বসন্তের ভালোবাসা।

এই শীত বসন্তের ভালোবাসার মাঝে ৩১ মার্চ (রোববার) কানাডার ম্যানিটোবা প্রভিন্সের রাজধানী উইনিপেগে প্রতিবছরের ন্যায় হয়ে গেলো জম জমাট পিঠা উৎসব ২০১৯। 
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হবার কারণে কয়েকশ বাংলাদেশি এই পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই অনুষ্ঠান দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে।

অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল কানাডা-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) ম্যানিটোবা। পিঠা উৎসবের পাশাপাশি চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলাদেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি শিল্পীরা।

দুপুর ১২টার আগে থেকে কমিউনিটি সেন্টারে ১১ জন সৌখিন পিঠা বিক্রেতা তাদের পিঠার পসরা নিয়ে বসেন। সব মিলিয়ে প্রায় ২৫/৩০ ধরণের পিঠা নিয়ে বসেছিল তারা। এর মাঝে উল্লেখযোগ্য পিঠা ছিল, ভাঁপা, চিতাই, পাটি সাপটা, ছাচ, পুলি, দুধরাজ, মোয়া, কালাই পুরি, রস গজাসহ বেশ কয়েক ধরনের পিঠা। পিঠার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বাহারি মিষ্টি, রসমালাই দই, বিরানি, চিকেন ইত্যাদি বিক্রি হয়। পিঠার দাম ছিল ১ ডলার থেকে শুরু করে ৪ ডলার।    

পিতা-মাতার হাত ধরে অনেক শিশু-কিশোর এই পিঠা উৎসবে আসে। মাহমুদুন নবী সোহলে জানান, তিনি এসেছেন সন্তানদের বাংলাদেশের পিঠাকে পরিচিত করতে। এই দেশে জন্ম হওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সন্তানরা যেন তাদের ঐতিহ্যকে ভুলে না যায় সে কারণে তার আসা।

একজন সৌখিন পিঠা বিক্রেতা জানান, তিনি প্রতিবছর বাংলাদেশর নাটোর থেকে খেজুরের গুড় আনান এই পিঠা উৎসবে পিঠা বিক্রির জন্য। তিনি আরও জানান, কোন লাভের আশায় তিনি পিঠা এখানে বিক্রি করেন না। কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের আসল পিঠার স্বাদ দিতেই তার এ আয়োজন।

উৎসবের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কানাডা-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) ম্যানিটোবার প্রেসিডেন্ট নাসরিন মাসুদ। তিনি কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানটি পরিচলনা করেন সিবিএ'র সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল শিবলী।

অনুষ্ঠান শেষ হয় রাফেল ড্র-এর মাধ্যমে। এটি স্পনসর করেন রেজা কাদির। রাফেল ড্রর সংগৃহীত ডলার উইনিপেগের নির্মাণাধীন প্রক্রিয়াতে থাকা স্থয়ী শহীদ মিনার প্রকল্পে দান করা হয়।


ওদের প্রতিভা বিকাশের দায়িত্ব আমাদেরই
ওরা সবাই আমাকে ভালোবাসে। দূর থেকে আমাকে দেখতে পেলেই ভাইয়া
বিস্তারিত
পায়ে লিখেই জীবন গড়ার স্বপ্ন
মানুষ যেকোনও লেখালেখির কাজ সাধারণত হাত দিয়েই করে থাকে। হতে
বিস্তারিত
বিরিয়ানির হাঁড়িতে লাল কাপড় থাকে
বিরিয়ানি পছন্দ করেন না এমন লোক বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া কষ্ট
বিস্তারিত
ফের প্রকৃতির বুকে বিলুপ্ত হয়ে
প্রায় ১ লক্ষ ৩৬ হাজার বছর আগে সমুদ্রের তলদেশে নিশ্চিহ্ন
বিস্তারিত
সবচেয়ে বেশি হাসে যে দেশের
‘কোন দেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি হাসে?’ এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে
বিস্তারিত
ভালোবেসে পালিয়ে বেড়ানো যুগলেরা
ভারতে বেশিরভাগ পরিবারই নিজেদের ধর্ম ও জাত বা বর্ণের মধ্যেই
বিস্তারিত