শ্রেষ্ঠ ডায়ালগ

(এক স্রোতস্বিনীর পাশে আমার সুন্দর

ফুলবাগান। সেখানে আমি মন নিয়ে
খেলা করছি। হঠাৎ এক বিশাল মৌপোকার
ঝাঁক প্রবেশ করল।)
আমি : এখানে কী চাও তোমরা?
মৌপোকা : নম্র সুরে বলল আমরা মধু নেব।
আমি : পরের কানন হতে সম্পদ নিবে কেন?
মৌপোকা : এ সম্পদ আমাদেরই, দেখছি তুমি 
ভারি লোভী ও হিংসুক।
আমি : ভেবেচিন্তে কথা বল।
মৌপোকা : কী জ্ঞান ও শক্তি তোমার, পাপড়ি ও 
ফুল থেকে মধু নাও তো দেখি?
আমি : ও কাজ আমার নয়।
মৌপোকা : তুমি পরজীবী। তুমি ডাকাত। এখন 
আমাদের তাড়াচ্ছ। চাক ভরলে আবার
তাড়িয়ে মধু লুট করবে
আমি : তোমরা পাপড়িতে বসলে ফুলের রূপ হারাবে। 
মৌপোকা : তুমি কি রূপ সঙ্গে নিয়ে জন্ম নিয়েছ? কি এখন
হারাচ্ছ? কি নিয়ে আবার যাবে? তুমি তো স্বার্থপর  
আমি : তুমি তো দেখি ভারি বাচাল।
মৌপোকা : তুমি রাগ করো না। তোমাকে 
একটু জ্ঞান দিলাম, তুমি অনেক জ্ঞানী।
আমি : আচ্ছা বেশ। যাও, যাও।
(এ  কথা শোনা মাত্রই হাজার খানেক মৌপোকা
আমার ওপর ঠান্ডা মাথায় বসল।)
আমি : (স্বগোক্তি):
তাদের উজ্জ্বলতা আমার কৃষ্ণ 
হৃদয়ে প্রবেশ করল। আমি এক
অব্যক্ত মহানন্দ অনুভব করলাম।
এ এক নতুন জ্ঞান, সে এক নতুন অভিজ্ঞতা।
মাটি উজ্জ্বলতা পেয়ে গেল। আমার উজ্জ্বলতা
আর মাটির উজ্জ্বলতা এক হয়ে নিমেষে বাগানকে
আলোকিত করল। এর পর এ শ্রেষ্ঠ ডায়ালগ
অনন্তের ইতিহাসে রচিত হয়ে হারিয়ে গেল।


ভাতঘুম
সুমন রহমান লাজুক ভঙিতে হাসে। তার মাথাটা নুয়ে আসে বুকের
বিস্তারিত
কাঠমান্ডুর দরবারে
নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত হনুমান ধোকা দরবার ১৯৭৯ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব
বিস্তারিত
কবিতা
কাজী জহিরুল ইসলাম গৃহগল্প দাঁড়াবার জন্য কিছুটা সময় নেয় এরপর টুপ
বিস্তারিত
গণসমুদ্রচোখ আমাকে পাহারা দেয়
দাগহীন আত্মসমর্পণ, গোটা থানকুনি বাঁক তা দিচ্ছে। ধুলোর গায়ে-বেদনায়, প্রয়াণে;
বিস্তারিত
পথিক
তোমার বাস কোথায় গো পথিক, দেশে না বিদেশে আমি তোমায়
বিস্তারিত
নদী এবং নদীরা
হ্যাঁ, মেয়েটির নাম ছিলÑ নদী! পারভীন জাহান নদী। হয়তো আরও
বিস্তারিত