আয়না সিরিজ

এক

একদিন প্রেমিকার চশমায় প্রবেশ করি, 
ঢুকে পড়ি অজান্তে আয়নার শহরে
যেখানে মেঘ পৃথিবীর সবকিছুর ভাস্কর্য আঁকে
দিয়ে যায় মাছের আঁইশে মানচিত্রের দাপট...
যাযাবর মেঘেরাও কতটা সৃজনশীল, কতটা সভ্য!
এসব ভাবতেই অজান্তে চলে যাই মানবশহরে
ক্ষমতার তৃষ্ণা যেখানে তৈরি করেছে কুমারী আগুন।

দুই
আঙুলের কারুকাজে চাঁদোয়া সাজে সমুদ্র ঢেউ
কিংবা হয়ে যায় বেদুঈন মেঘ
ঘুড্ডির মতো উড়ে জীবন চলচ্চিত্র
সেই উড়ন্ত প্রাণ স্বপ্ন পুড়ে স্বপ্ন সাজাতে বিভোর...
মূর্খ মানুষ বসবাস করে আয়নার ভেতর
মুখস্থ করতে পারেনি আজও
আয়না কুমারীর যৌবন রহস্য।

তিন
তারপরেও কি অস্বীকার করবে?
আঁধার অধিকার করেছ নিজের কর্মে,
নাকি সূর্যালোক কেড়ে নিয়েছে চোখের জ্যোতি!

পালকছাড়া পাখি উড়তে গেলে
অকালপক্বের স্বীকৃতি পায়...

একবার পাপোশের দিকে তাকাও,
মাটিতে লুটোপুটি খেতে খেতে কবুল বলো
ভালোবাসা উড়াও
বিশ্বাস বীজ আবিষ্কার করো বায়ু স্টেশনে
পরিষ্কার হয়ে যাবে অদৃশ্যনগর।

তারপরও অস্বীকার্য হবে?
তাহলে মনের মিছিল থামাও
না কোনো মোম জালিয়ে স্মৃতিচারণ  
নিজেকে পড়তে পড়তে একদিন মুখস্থ করব, 
ঢুকে যাবে আয়নার গুহায়
সেদিন পুড়ে যাবে কিশোরী আগুনে,
সবুজে সবুজ হবে বিশ্বালোক।

চার
আয়নার কসমÑ
মানুষের ভেতর বসবাস করা আরেকটি মানুষের
নব্বই ভাগ পশুর, দশভাগ ঈশ্বরের
বাকিটার রহস্য উন্মোচনে গড়েছি কাঁচের জগৎ... 


প্রসন্ন সাঁঝের পাখি ও ভয়াল
পাটাতনে বসে আহত পালাসি-গাঙচিল বিস্ফারিত নয়নে আমাদের দেখছে। ধীরে ধীরে
বিস্তারিত
জল : ০১
কাজল কাননে পায়ের আলোতে রবির ঘুম ভাঙে রোজ যাপিত সংসার সুখ-দুখে
বিস্তারিত
মাঝ রাতে মির্জা গালিবের শের
আরেক বার দেখা হলে অশুদ্ধ কিছু হবে না মহাভারত, চাই
বিস্তারিত
১৪ বছর বয়সি
রেখা এখন ক্লাস টেন, ক্লাস সিক্স থেকে শুরু হওয়া অপেক্ষা
বিস্তারিত
তুমি যদি এসে
এইসব শিশির ভেজা ফসলের মাঠ নতুন ভোরের সোনালি রোদ্দুর  কৃষকের হাসিমাখা
বিস্তারিত
দেহের নিমন্ত্রণে
কেউ ডাকে দেহের নিমন্ত্রণে কেউ প্রেমেরÑ সঙ্গোপনে কেউবা নিছক খেয়ালের বশে
বিস্তারিত