চাঁদপুর জেলা পুলিশে ড্রোন সংযোজন

চাঁদপুরে পুলিশ বিভাগের কাজে সহায়তার জন্য ড্রোন সংযোজন করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার যুগে ড্রোন হচ্ছে একটি সর্বাধুনিক সংযোজন। মানুষ ছাড়াই চলতে পারে এমন ছোট-বড় আকাশযানকেই বলা হয় ড্রোন।

ভূমি থেকে উড্ডয়ন করে নির্দিষ্ট এলাকায় বিচরণ এবং প্রয়োজনীয় ভিডিও ও ছবি ধারণের পর আবার ভূমিতে নেমে আসার ক্ষেত্রে ড্রোনকে নিয়ন্ত্রণ করে এক ব্যক্তি। ড্রোন মূলত যুদ্ধকালীন কিংবা সবসময় আকাশসীমা পাহারা দেয়া, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, ছোট-বড় অনুষ্ঠানসহ যেকোনো কার্যক্রমের পূর্বাপর ও তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জঙ্গি তৎপরতাসহ যেকোনো অপতৎপরতা পর্যবেক্ষণে সমকালীন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর উপকরণ।

এই ড্রোনই অতি সম্প্রতি জেলা পুলিশে সংযোজিত হয়েছে বলে গতকাল এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের অবহিত করেছেন পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বিপিএম পিপিএম। এতে চাঁদপুর জেলায় যেকোনো ব্যাপারে সর্বাত্মক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের কাজটি পূর্বের চেয়ে সহজ হবে বলে তিনি মনে করেন।

এদিকে বাস্তবেও ড্রোনটি ব্যবহার করতে দেখা গেছে জেলা পুলিশকে। গত ১৪ এপ্রিল প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ষবরণ উৎসবের মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরুর পূর্বে হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ড্রোনটি ব্যবহার করা হয়। আবার দেখা গেছে, ডাকাতিয়ার তীরে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলাকালীনও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার জানান, সরকারের তরফ থেকে এই ড্রোনটি জেলা পুলিশকে প্রদান করা হয়নি। একজন মহানুভব ব্যক্তি এটি ব্যক্তিগত অনুদান হিসেবে প্রদান করেছেন। এই ড্রোনটিকে যে স্থান থেকেই উড্ডয়ন করা হোক না কেন, এটি চতুর্দিকে চার কিলোমিটার পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ, ভিডিও ও ছবি ধারণের ক্ষমতা রাখে। এটির ক্যামেরা অত্যাধুনিক, শক্তিশালী ও নিখুঁত ছবি ধারণে পারঙ্গম। যখন এই ড্রোনটি ছিল না, তখন সন্দেহভাজন একটি বাড়ির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্যে একবার একটি ড্রোন ভাড়া আনতে জেলা পুলিশের ১৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছিল। এখন সন্দেহভাজন যেকোনো কিছু পর্যবেক্ষণে আর ড্রোন ভাড়া করা লাগবে না, প্রয়োজন হলেই জেলা পুলিশ নিজস্ব ড্রোন ব্যবহার করবে এবং অতি দ্রুত অনিবার্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে।

পুলিশ সুপার জানান, জেলা পুলিশের এখন এক সেট উন্নতমানের ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা রয়েছে, যা দিয়ে যেকোনো অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, বিশেষ করে অপতৎপরতার উদ্দেশ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পর্যবেক্ষণ ও বাধা প্রদান সহজতর হয়েছে।

পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পুরো চাঁদপুর শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার পরিকল্পনা মনে পোষণ করছেন। কিন্তু এ খাতে সরকারের পক্ষ থেকে আপাতত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রাপ্তির সম্ভাবনা নেই। তবে ধনাঢ্য বা সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত অনুদান এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজটিকে সহজতর করতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।


ফেনীতে ১৫শ’ মিটার অবৈধ ফিক্সড
ফেনীতে বুধবার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ১৫শ মিটার অবৈধ ফিক্সড
বিস্তারিত
বিএনপি নেতা শাহীন হত্যার প্রধান
বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ও পরিবহন ব্যবসায়ী
বিস্তারিত
ভাঙ্গায় বাবা মায়ের সামনে সড়কে
ফরিদপুরের ঢাকা-ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ডে (কুমার নদের উপর বাইপাস সড়কে)
বিস্তারিত
শ্রমিকের চোখে-মুখে শুধুই বিচারের দাবি
কেউ হারিয়েছেন মা, কেউ হারিয়েছেন বাবা, কেউ ভাই, কেউ বোন,
বিস্তারিত
রংপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানদের শপথ
রংপুর সদর ও মিঠাপুকুর উপজেলার নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং
বিস্তারিত
ভৈরবে টাস্কফোর্সের সভা দায়িত্বশীলদের সাড়া
রমজানে মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে
বিস্তারিত