‘বাতিল ফেরকা হেযবুত তওহীদ’

হেযবুত তওহীদের প্রতিবাদ এবং লেখকের বক্তব্য

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ ১২ এপ্রিল ২০১৯ সংখ্যার ১০নং ‘ইসলাম ও সমাজ’ পাতায় ‘বাতিল ফেরকা হেযবুত তওহীদ’ শিরোনামে শাহ মাহমুদ হাসানের লেখাটির প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে মো. আলী হোসেন। বাসা নং-৩, রোড নং-২০/এ, সেক্টর-১৪, উত্তরা, ঢাকা ঠিকানা থেকে প্রেরিত এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি ওই নিবন্ধের বক্তব্যগুলো বিদ্বেষাত্মক, মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যনির্ভর বলে অভিযোগ করেছেন এবং নিবন্ধের বক্তব্যগুলোর সপক্ষে সুনির্দিষ্ট দলিল পেশ করার দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবাদলিপির মূল কথাগুলো প্রথমে তুলে ধরছিÑ 
১. হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা সারাজীবন ইসলামের মৌলিক বিধানগুলোর অপব্যাখ্যার মাধ্যমে ইসলামকে বিতর্কিত করার অপকর্মে লিপ্ত ছিলেন... এমন বক্তব্যের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট দলিল নিবন্ধকার উপস্থাপন করেননি।
২. ‘হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ বায়েযিদ খান পন্নী তিনি তার কোন বক্তব্যে এবং তার লেখা কোন বইয়ের কত পৃষ্ঠায় তিনি নিজেকে ইমাম মাহদী বলে দাবি করেছেন তার প্রমাণ আপনি দেবেন।’
৩. নিবন্ধে হেযবুত তওহীদকে জিহাদ সম্পর্কে বাড়াবাড়ি করার অপবাদ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন এবং এর ব্যাখ্যায় সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইএসবিএন নম্বরপ্রাপ্ত ‘ইসলামের প্রকৃত রূপরেখা’ বইয়ের কথা উল্লেখ করে বলেছেন যে, সেই বইতে জিহাদ সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়েছে, তা আল্লাহর বাণী ও রাসুলের হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়েই বলা হয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, জিহাদ ও জঙ্গিবাদ এক নয়। আল্লাহর নির্দেশিত জিহাদকে কিছু সন্ত্রাসী জঙ্গির সহিংস কর্মক-ের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া চরম ধৃষ্টতা।
৪. তার অভিযোগ, নিবন্ধে বলা হয়েছে, ‘জাকাতের বিধানকে হেযবুত তওহীদ ইসলামের কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেই মনে করে না। এই মিথ্যা তথ্যের সপক্ষে দালিলিক প্রমাণ পেশ করার দায়িত্ব আপনার।’ 
৫. নিবন্ধে হেযবুত তওহীদ দাড়ি রাখার বিধান অস্বীকার করে এবং হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ বায়েজিদ খান পন্নীর দাড়ি ছিল না বক্তব্যটি মিথ্যা বলে অভিযোগ করেছেন। 
৬. হেযবুত তওহীদ ‘লাশকে বসিয়ে দাফন করে’ মর্মে বক্তব্যটি সত্য নয় বলে দাবি করে বলা হয়েছে, ১৯৯৫ সালের ১২ এপ্রিল থেকে হেযবুত তওহীদের যত সদস্য মারা গেছেন তাদের ইসলামী সব নিয়মকানুন মেনেই দাফন করা হয়েছে। 
৭. প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের প্রচলিত আইনশৃঙ্খলা মান্য করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে প্রকাশ্যে অপরাজনীতি, ধর্মব্যবসা, মাদক, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশব্যাপী নিরলসভাবে কাজ করছে হেযবুত তওহীদ। 
নিবন্ধকারের বক্তব্য
দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ১২ এপ্রিল সংখ্যায় প্রকাশিত উল্লেখিত নিবন্ধটি http://www.alokitobangladesh.com/todays/details/২৯৪৭৬৩/২০১৯/০৪/১২ অনলাইনে আছে। পাঠক যদি মিলিয়ে দেখেন বুঝতে পারবেন, মো. আলী হোসেন তার প্রতিবাদলিপিতে নিবন্ধের অনেক বক্তব্য পাশ কেটে গেছেন এবং সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা চাননি। বিশেষত সামরিক কুচকাওয়াজের মতো হাস্যকর ভঙ্গিতে নামাজ পড়া, মহিলাদের ফরজ বিধান পর্দাকে উপেক্ষা, হিন্দুদের পুরাণ, বেদ, উপনিষদ, মহাভারত প্রভৃতি গ্রন্থকে আল্লাহর প্রেরিত কিতাব এবং শ্রীকৃষ্ণ প্রমুখকে আল্লাহর নবী বলে তাদের বিশ্বাস, ইহুদি-খ্রিষ্টান ও আধুনিক বিজ্ঞানকে দাজ্জাল আখ্যায়িত করা প্রভৃতি বিষয়ে প্রতিবাদলিপিতে কোনো প্রতিবাদ করা হয়নি। তাতে বোঝা যায়, নিবন্ধের বক্তব্যগুলো অসত্য নয়।
দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশে প্রকাশিত নিবন্ধের প্রতিটি বক্তব্য দলিলভিত্তিক এবং কোনো কথা মিথ্যা বা বিদ্বেষবশত বলা হয়নি। তবে প্রত্যেকটি বক্তব্যের জবাব দেওয়ার জন্য অনেক বেশি পরিসর দরকার। যার অবকাশ এখানে নেই। তবুও মো. আলী হোসেনের জ্ঞাতার্থে বলব, আপনার প্রথম অভিযোগের জবাবে আমাদের বক্তব্য সবশেষে পাবেন। 
বায়েজিদ খান পন্নীকে আপনারা ইমাম মাহদী বলে বিশ্বাস করেন, এমন বক্তব্যের সপক্ষে ছোট্ট অকাট্য দলিল প্রতিবাদলিপিতে আপনার দেওয়া তার পরিচয়। আপনি বলেছেন, ‘এ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা টাঙ্গাইল জেলার করটিয়ার ঐতিহ্যবাহী পল্লী পরিবারের সন্তান এমামুযযামান মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী।’ ‘এমামুযযামান’ এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে যামানার ইমাম বা যুগের ইমাম। আরবি, ফারসি যে কোনো অভিধানে ইমামুযযামান বা ইমামেযামান এর পারিভাষিক অর্থ হলো ইমাম মাহদী। 
পন্নী সাহেবের পারিবারিক ঐতিহ্য সম্পর্কে আমাদের কারও দ্বিমত থাকার কথা নয়। কিন্তু তিনি এমামুযযামান হওয়া বা ইসলাম সম্পর্কে স্বতন্ত্র মতবাদ প্রচার করার মতো ধর্মীয় কোনো যোগ্যতা, পরিচিতি, গ্রহণযোগ্যতা ছিল কি না সে ব্যাপারে আপনাদের কোনো বক্তব্য জানতে পারলে অনেকের কৌতূহল মিটত। আপনার প্রেরিত প্রতিবাদলিপির প্যাডের ডান দিকে উপরেও প্রতিষ্ঠাতার পরিচয় দিতে গিয়ে লেখা আছে ‘এমামুযযমান’। তাহলে এ সত্যটি কীভাবে অস্বীকার করবেন? 
৪নং অভিযোগে জিহাদ নিয়ে বাড়াবাড়ির অভিযোগের প্রতিবাদ করলেও আপনি বলেছেন যে, ‘ইসলামের প্রকৃত রূপরেখা’ বইতে যা বলা হয়েছে কোরআন-হাদিসের বাণীর ভিত্তিতে বলা হয়েছে। আমরাও তো বলছি যে, আপনারা কোরআন-হাদিসের অপব্যাখ্যা দিয়েছেন, যা সন্ত্রাসকে উসকে দিচ্ছে। 
যাকাতের বিষয়ে আমাদের বক্তব্য হলো ইসলামী রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নেই অজুহাতে হেযবুত তওহীদ জাকাতের বিধানকে প্রকারান্তরে অস্বীকার করে। 
বসিয়ে লাশ দাফন ও দাড়ি সম্পর্কিত বক্তব্যটির দালিলিক প্রমাণ আপনাদের নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদন। এখানে কয়েকটি ক্লিপের লিংক দেওয়া হচ্ছে, যা দেখে নিতে পারেন। হেযবুত তওহীদ একটি সুুবোধ দল হওয়া সম্পর্কে যে দাবি করেছেন সে সম্পর্কে দেখুন দেশের পত্রপত্রিকা অতীতে কী বলেছে। 
১. ‘হিযবুত তাওহীদ নিষিদ্ধের চিন্তা করছে সরকার’ এ শিরনামে ৯ এপ্রিল ২০১৪ দৈনিক প্রথম আলো একটি প্রতিবেদন ছেপেছে।
২. ‘হিজবুত তাওহীদের ছদ্মবেশ’ শিরোনামে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ দৈনিক কালেরে কণ্ঠ একটি প্রতিবেদন ছেপেছে। 
৩. ‘হিযবুত তাওহীদ নিষিদ্ধ করা হতে পারে’ এই শিরোনামে ৫ এপ্রিল ২০১৬ দৈনিক জনকণ্ঠ একটি প্রতিবেদন ছেপেছে। 
৪. ‘জঙ্গিবাদী মিশন থেমে নেই হিযবুত তওহীদের’ এই শিরোনামে ১২ মার্চ ২০১৭-তে বাংলাদেশ প্রতিদিনসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশ হয়।

প্রমাণসহ হেযবুত তওহীদের ভ্রান্ত মতবাদ
হিন্দুদের দেবতা নবী! 
হিন্দুদের দেবতা শ্রীকৃষ্ণ, বৌদ্ধদের গৌতম বুদ্ধকে নবী বলে বিশ^াস করে এবং তাদের নামের শেষে ‘আলাইহিস সালাম’ বলে শ্রদ্ধা জানায়। হিন্দুদের পুরাণ, বেদ, উপনিষদ, মহাভারত প্রভৃতি গ্রন্থকে আল্লাহর প্রেরিত কিতাব বলে বিশ^াস করে। ‘ভারতীয় মোসলেম চিন্তাবিদ ও এসলামিক দার্শনিকগণ শ্রীকৃষ্ণ সম্বন্ধে যেসব সুচিন্তিত মতামত রেখেছেন এবং কোরআন-হাদিসের আলোকে তাঁর সম্বন্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন ওইসব মতামত ও বক্তব্য বিচার বিশ্লেষণ করে এই ধারণা সৃষ্টি হয় যে, শ্রীকৃষ্ণ একজন নবী।’ (শোষণের হাতিয়ার, লেখক হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম, এমাম, হেযবুত তাওহীদ, প্রকাশক-তওহীদ প্রকাশন, দ্বিতীয় প্রকাশ, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫)।
জিহাদ নিয়ে বাড়াবাড়ি
‘দুর্ভাগ্যবশত বিশ্ব নবীর ওফাতের ৬০-৭০ বছর পর এবলিস এই উম্মাহর আকীদায় বিকৃতি ঢুকিয়ে দিতে সমর্থ হোল। যার ফলে এই জাতি আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ ও ৫ দফা কর্মসূচি দুটোই ত্যাগ কোরে এছলাম ও উম্মতে মোহাম্মদী দুটো থেকেই বহিষ্কৃত হোয়ে গেল।’ (এছলামের প্রকৃত রূপরেখা, লেখক- বায়জীদ খান পন্নী, এমাম, ঢাকা : তওহীদ প্রকাশন, ১০ম প্রকাশ, পৃ. ৪৮, ২০১০)। 
‘আল্লাহর রাসুল যে জাতি গঠন করেছিল, সে জাতির চরিত্রের সর্বপ্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল যোদ্ধার চরিত্র। তার প্রমাণ জাতির নেতা আল্লাহর রসুলসহ সমস্ত জাতির মধ্যে এমন একটা লোকও বোধ হয় খুঁজে পাওয়া যেত না যার শরীরে অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন নেই। আর বর্তমানের এসলাম যে জাতি গঠন করে তার সর্বপ্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কাপুরুষতা, ছোট বড় সমস্ত রকম সংঘর্ষ বিপদ-আপদ থেকে পলায়ন। যে যত বেশি ধার্মিক সে তত বেশি কাপুরুষ, অস্ত্রের আঘাত তো দূরের কথা, এদের গায়ে সুচের খোঁচার দাগ নেই।’ (এছলামের প্রকৃত রূপরেখা, লেখক- বায়জীদ খান পন্নী, এমাম, ঢাকা : তওহীদ প্রকাশন, পৃ ১৫-১৬)।
‘যে উম্মাহকে আল্লাহর রসুল (দ.) হাতে তরবারি ধরিয়ে দিয়ে ঘর থেকে পৃথিবীতে বের করে দিয়েছিলেন, সুফিরা সেই উম্মাহের হাত থেকে তরবারি কেড়ে নিয়ে তসবিহ ধরিয়ে দিয়ে পেছন টেনে ঘরে খানকায় বসিয়ে দিলেন।’ (বর্তমানের বিকৃত সুফিবাদ, পৃষ্ঠা-৩৭)।
‘আল্লাহর রসুল ছিলেন যোদ্ধা নবী’ (বর্তমানের বিকৃত সুফিবাদ, পৃষ্ঠা-৫৫)। 
নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত নয়!
ইসলামী রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নেই এই অজুহাতে নামাজ, রোজা, হজ, জাকাতকে গুরুত্বহীন বলে প্রকারান্তরে অস্বীকার করা হয়েছে। মহাসত্যের আহ্বান বইয়ে বলা হয়েছে, ‘এবাদত হচ্ছে আল্লাহর খেলাফত করা; কিন্তু ভুল করে নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদিকে এবাদত বলে মনে করা হচ্ছে।’ (মহাসত্যের আহ্বান, পৃষ্ঠা-৪)।
অধিকাংশ মুসলমানকে কাফের মনে করা! 
পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলমানকে কাফের ফতোয়া দিতে গিয়ে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ কুরআনে কাফেরের যে সংজ্ঞা দিচ্ছেন তা হলো আল্লাহ যে আইন, বিধান নাযেল করেছেন তা দিয়ে যারা হুকুম করে না অর্থাৎ শাসনকার্য, বিচার ফয়সালা পরিচালনা (এখানে বিচার অর্থে আদালতের বিচার, শাসনকার্য, সব বোঝায় কারণ শব্দটা হুকুম) করে না তারাই কাফের, জালেম, ফাসেক। (সূরা মায়েদা ৪৪, ৪৫, ৪৭)। এখানে আল্লাহ ও রাসুল (সা.) এর প্রতি বিশ্বাস ও কোনো ধরনের এবাদত করা বা না করার শর্ত রাখা হয়নি। অর্থাৎ যারা আল্লাহর কোরআনে দেওয়া আইন, বিধান দিয়ে শাসনকার্য ও বিচার ফয়সালা সম্পাদন করে না তারা যত বড় মুসলিমই হোক, যত বড় মুত্তাকি, আলেম, দরবেশ, পীর-মাশায়েখ হোন না কেন কার্যত কাফের। এই আয়াতের অর্থে সমস্ত পৃথিবীর মোসলেম বলে পরিচিত এই জনসংখ্যা কার্যত কাফের জালেম এবং ফাসেক।’ (মহা সত্যের আহ্বান, পৃষ্ঠা-১০)।
ইন্টারনেটে হেযবুত তওহীদের বিভিন্ন ডকুমেন্টারি
ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইট বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউবে হেযবুত তাওহীদর মতাদর্শ সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিবেদন ও ভিডিও ক্লিপস পাওয়া যাচ্ছে। এখানে কিছু লিংক তুলে ধরা হলো। ইসলাম বিষয়ে যাদের পরিষ্কার ধারণা আছে তারা এই সংগঠনটির অফিসিয়াল সাইটে গিয়ে তাদের সব বই-ডকুমেন্টারি দেখতে পারেন। তাদের বইগুলো পড়লেই ভ্রান্তিগুলো দিবালোকের মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে। 
১. আহলে হক মিডিয়ার ওয়েবসাইটে রয়েছে হেযবুত তাওহীদের ভ্রান্ত আকিদার বিস্তারিত বিবরণ। (http://ahlehaqmedia.com/2019/01/12/8001/)
(https://www.youtube.com/watch?v=Lg11y82Oyc0) (https://youtu.be/vR3wMgatXd8) 
৩. ইনডিপেনডেন্ট টিভি চ্যানেলের ‘তালাশ টিম’ যাদের বিভিন্ন দুঃসাহসী ভিডিও প্রতিবেদন তৈরির জন্য ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে, তারাও হেযবুত তাওহীদ নিয়ে অনেকগুলো ভিডিও প্রতিবেদন করেছে যা ইউটিউবে পাওয়া যাচ্ছে। তালাশ টিমের অনুসন্ধানে বের হয়েছে নারীদের মাধ্যমেই তাদের স্বামীদেরও হেযবুত তাওহীদ তাদের অনুসারী বানাতে কাজ করে। স্বামীরা এই দলে না এলে স্বামীকে ছেড়ে পরপুরুষের সঙ্গে পালানোর বহু ঘটনার প্রমাণ তারা পেয়েছে। যেখানে বসিয়ে লাশ দাফনসহ আরও বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে। উঠে এসেছে মোজেজার বিষয়টিও। (https://www.youtube.com/watch?v=Sf6iI5WyEvU) (https://www.youtube.com/watch?v=KkZK8rrXqr0)
৪. ইউটিউবে হেযবুত তওহীদের একটি ভিডিও রয়েছে যেখানে শ্রীকৃষ্ণকে একজন নবী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। (https://www.youtube.com/watch?v=WmJasppPHR0)
৫. তাদের নামাজের পদ্ধতির মাঝেও রয়েছে ভিন্নতা। তারা আনেকটা সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজের মতো নামাজ আদায় করে থাকেন। (https://youtu.be/fA_15CW-2Hk) এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বায়জিদ খান পন্নীর ইমামতিতে সামরিক কায়দায় নামাজের দৃশ্য! 
এসব সুস্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে দেশের সব ঘরানার হকপন্থি আলেম এই সংগঠনটির বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে জাতিকে সতর্ক করেছেন। 


ঐতিহাসিক সমঝোতা চুক্তি উদযাপনে সুদানিরা
  দ্বীপাঞ্চলের আবদুল কাইয়ুম রাজধানী খার্তুমে সেনা কর্তৃপক্ষ ও বিরোধী জোটের
বিস্তারিত
শ্রীলঙ্কায় ইস্টার হামলার পর কেমন
  মাত্র কয়েক মাস আগেও পশ্চিম শ্রীলঙ্কায় মোহাম্মদ ইলিয়াসের ব্যবসা রমরমা
বিস্তারিত
মালয়েশিয়ায় জাকির নায়েককে নিয়ে বিতর্ক
  ডা. জাকির নায়েক ইস্যুতে মালয়েশিয়ান রাজনীতি বেশ টালমাটাল। নানা কথা
বিস্তারিত
নরেন্দ্র মোদি ও কাশ্মীর ইস্যু
  ১৫ আগস্ট লন্ডনভিত্তিক  আরবি-ইংরেজি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নিউ অ্যারাবে প্রকাশিত ইমাদ
বিস্তারিত
কাশ্মীরকে দমাতে দিল্লির ৪ দফা নীলনকশা
কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ভারত অধিকৃত গোটা জম্মু-কাশ্মীর। কারফিউয়ের সঙ্গে পরিস্থিতি
বিস্তারিত
নারী শিক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা
পবিত্র কোরআনে বারবার মানুষকে পড়াশোনা করতে, জ্ঞানার্জনে ব্রতী হয়ে আল্লাহর
বিস্তারিত