‘বলি একটা, লিখে আরেকটা আর পাঠক বোঝে অন্যটা’!

সাংবাদিকের মূল কাজ শিল্পীদের রোজকার প্রাসঙ্গিক খবরাখবর জনসম্মুখে তুলে ধরা। শুধু কর্মের প্রচারণাই নয়, প্রয়োজন পড়ে শিল্পকর্মের গঠনমূলক সমালোচনারও। এ ক্ষেত্রে শিল্পীদের ভূমিকা বেশ সীমিত; সহযোগিতা পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। বিশ্ব বিনোদন মিডিয়া ঠিক এই ভাবধারাতেই চলছে- তা হলফ করে বলা যাবে না। তবে অনেকাংশে এই ধারাটি এখনও বলবৎ রয়েছে- বাংলাদেশের মিডিয়ায়।

এ নিয়ে স্বস্তি রয়েছে দুই শিবিরেই। এর মাঝেও শিল্পী আর সাংবাদিক প্রতিপক্ষের ভূমিকায় দাঁড়ান। শিল্পীদের প্রতি সাংবাদিকদের এন্তার অভিযোগ, মাঝে মাঝে যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে সংবাদমাধ্যমেও। শিল্পীরাও আজকাল আর মুখে কুলুপ এঁটে বসে নেই। যার কিছুটা ভেসে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ায়, বাকিটুকু শিল্পীমনে জমে থাকে স্বস্তি অথবা বেদনার বুদবুদ হয়ে।

কাগজের পত্রিকার সময়টা আমি সেভাবে পাইনি। পেলে হয়তো ভালো লাগতো। মূলত আমি অনলাইন মিডিয়ার শুরুর দিকের মানুষ। ফলে অনলাইন নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা প্রচুর। ভালো আর মন্দ দুটোই আছে। যদিও মন্দ অভিজ্ঞতাই বেশি।
বেশিরভাগ অনলাইন পত্রিকার অবস্থাটা এমন, সেটা হলো- আমি বলি একটা, তারা লিখে আরেকটা আর পাঠক বোঝে অন্যটা! ফাইনালি আমি যেটা বলতে চাই, সেটা দর্শকদের কাছে পৌঁছায় না। এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঘটেছে। হতে পারে, আমি হয়তো সাংবাদিক ভাই-বোনদের আমার কথাটা বোঝাতে ঠিকঠাক পারি না। বাট, এই ভুল বোঝাবুঝিটা শুরু থেকেই হয়ে আসছে।

অনলাইন নিউজের শিরোনামে কিছু নায়ক-নায়িকার নাম থাকলে সম্ভবত বেশি ক্লিক পড়ে! মানে এমন একটা বিষয় আছে। তা না হলে, ‘পরীমনি আজ লাল জুতো পরলেন’- এটাও নিউজ শিরোনাম হয়! এটা যে নিউজ হতে পারে- সেটার আইডিয়া আমার ছিল না। অথচ আমার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা বহুবার হয়েছে, হচ্ছে এখনও।
এরপর আরেকটা সমস্যা হয়, একই নিউজ হয়তো অনেকেই করেছেন। এরমধ্যে আমি পছন্দ মতো একটি নিউজ শেয়ার করলাম। এরপর থেকেই ফোন আর ইনবক্স শুরু হয়- অমুক ডটকমের নিউজটা আপনি শেয়ার দিলেন, আমারটা দিলেন না কেন? অমুক ডটকম কোনও পত্রিকা? আমাদের পোর্টাল অনেক জনপ্রিয়। ইত্যাদি!

এই নিউজ শেয়ারের বিষয়টা নিয়ে অনেক বিভ্রান্ত হতে হয় আমাকে। প্রতিনিয়ত এটা নিয়ে বিব্রত হই। এটা আসলে সাংবাদিকদের কাছ থেকে কাম্য না। এই স্বাধীনতাটুকু একজন শিল্পী সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে পেতেই পারেন। কারণ, সব নিউজ তো শেয়ার করা সম্ভব না। দেখায় কেমন?

জার্নালিস্ট বলতে যেটা হওয়া উচিত, সেটাই আমি চাই। জার্নালিজমটা চাই। আমার খুব ক্লোজ সাংবাদিক অনেকেই আছেন। যখন আমার কোনও ভালো কাজ নেই, তারা কিন্তু বানিয়ে বানিয়ে লিখেনি আমাকে নিয়ে। আমাকে খুশি করার জন্য চাইলে তারা অনেক গল্পই লিখতে পারতেন। আবার ভালো কাজ হলে সেটি নিয়ে দু’হাত খুলে লিখেছেন তারাই। তো আমি আসলে এই বিষয়টাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।

ছবি খারাপ হয়েছে, ফ্লপ হয়েছে, আমি শেষ হয়ে গেছি- এমন লিখলে যে আমি ক্ষেপে যাবো তা কিন্তু মোটেও নয়। আমি চাই ঠিক এই বিষয়টাই, সাংবাদিক তার তথ্য-উপাত্ত দিয়ে গঠনমূলক সমালোচনাটা করুক। কিন্তু সেই গঠনমূলক সাংবাদিকতা কি আমাদের এখানে হচ্ছে? একপেশে হলে তো সেটা হবে না। লেখায় যুক্তি থাকতে হবে। তা না হলে কিন্তু রেগে যাবো!

তারকাদের সুখ, তারকাদের দুঃখ- এগুলা খুবই হাস্যকর। যেমন, আগুন লাগলো কোথাও। স্বাভাবিক নিয়মে সেটি নিয়ে অনেকের মতো আমরা সমবেদনা আর উৎকণ্ঠা জানাই ফেসবুকে। দেখা যায়, সেই পোস্টগুলো এক করে ৮/১০ জনের ছবি দিয়ে ‘তারকাদের দুঃখ প্রকাশ’ শিরোনামে একটা ফিচার করে ফেললো! এটা আমি সহ্য করতে পারি না। কারণ, এখানে আসলে তারকাগিরি দেখানোর কিছু নেই। এমন ফিচার আমার খুবই লেইম মনে হয়।

ভালো লাগে, কেউ যদি আমার নেগিটিভ বিষয়টাকে গঠনমূলক সমালোচনা করে নিউজ করে। এবং সেটি পড়ে আমি ফেসবুকে শেয়ার করতে বাধ্য হই। তখন মনে হয়, জার্নালিজমটা ঠিক এমনই হওয়া উচিত, আমার নামে নেগিটিভ লিখেছে বাট আমি সেটা সমর্থন করে শেয়ারও করেছি। মানে তার সমালোচনায় আমি কনভিন্স হয়েছি। এটাকে বলে বাধ্য করা। এমন পরাজয়েও আমি খুশি হই। সম্প্রতি কথাগুলো বলেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। সংগ্রহ- বাংলাট্রিবিউন।


একটা নোংরা কথা শুনবেন?
‘একটা নোংরা কথা শুনবেন? নোংরা টয়লেটের কারণে আমাদের ২ কোটি
বিস্তারিত
শিশুকে দোলনায় শুইয়ে ছবি শেয়ার
দোলনায় শুয়ে রয়েছে ছোট্ট শিশু। পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন শুভশ্রী। দোলনার
বিস্তারিত
শরীরে ‘চুম্বন’ নিয়ে যে শর্তে
‘চাঁদ সা রোশন চেহরা’ চলচ্চিত্র দিয়ে ২০০৫ সালে রূপালি পর্দায়
বিস্তারিত
জ্বিনে ধরেছে অভিনেত্রী আইরিন আফরোজকে!
মানুষকে জ্বিনে ধরা নয়ে সবসময় হাসি-ঠাট্টা করে বেড়ান গ্রামের সুন্দরী
বিস্তারিত
নানা হলেন ডিপজল
নানা হলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। মা
বিস্তারিত
বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ‘আমার সোনার
সিলেট সীমান্তে এসে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)সদস্যদের সঙ্গে
বিস্তারিত