বেহুলারা পাল তুলে


বেহুলারা পাল তুলে 

স্নেহমাখা হাতখানি বাড়িয়ে দাও 
পৃথিবীর ক্যানভাসে
এক ঝাঁপি সোনালি আশায়Ñ 
যদিও দুঃখের মিতালীতে ওই দুটি চোখ
ভেসে যায় উজান ভেলায়
উড়ে যায় জীবন থেকে সোনালি সুখের 
যতসব স্বপ্নসাধের বিলাসব্যসন
তথাপি গাঙুরের জলে বেহুলারা পাল তুলে
পদ্মাবতির সাথে করে যায় লীলাময় খেলা
সবশেষে পরাণের উড়ালডানায় 
ব্যসনের রোদ্দুরে সুখপাখি উড়ে আসে 
সওদাগরের উঠোনের কোলজুড়ে।

স্বপ্নের আশা

অফুরন্ত আনন্দের বন্যায় স্বপ্নেরা বাসা বাঁধে প্রসন্নতায়।
ঢেউ তোলে দুঃখভরা মানুষের বসতিতে
আলো আর ছায়ার সবুজের আস্তিনে
সাতরঙা রঙের ঝলকিত বাহারে 
নওরাঙা রাত্রির সোহাগের কোল জুড়ে
অবিরত আলোকের উল্লাসে চাঁদ-জোছনায়।
তবুও একদিন উড়ে যাবে এইসব স্বপ্নেরা উড়ন্ত চিল হয়ে
মানুষের আঙিনা ছেড়ে ডানা মেলে অবিরল কেঁদে কেঁদে
দহন জ্বালায় ফেরি করে চোখের জল। 
রেখে যাবে এইসব উর্বরা ফসলের জমিনে নোনাটে সুবাস।
তারপরও বহুকালের কাক্সিক্ষত সাধের পৃথিবীতে
সুখপাখি ফিরে আসুক এইসব বাসনার স্বপ্নের দিনে।


ভাতঘুম
সুমন রহমান লাজুক ভঙিতে হাসে। তার মাথাটা নুয়ে আসে বুকের
বিস্তারিত
কাঠমান্ডুর দরবারে
নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত হনুমান ধোকা দরবার ১৯৭৯ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব
বিস্তারিত
কবিতা
কাজী জহিরুল ইসলাম গৃহগল্প দাঁড়াবার জন্য কিছুটা সময় নেয় এরপর টুপ
বিস্তারিত
গণসমুদ্রচোখ আমাকে পাহারা দেয়
দাগহীন আত্মসমর্পণ, গোটা থানকুনি বাঁক তা দিচ্ছে। ধুলোর গায়ে-বেদনায়, প্রয়াণে;
বিস্তারিত
পথিক
তোমার বাস কোথায় গো পথিক, দেশে না বিদেশে আমি তোমায়
বিস্তারিত
নদী এবং নদীরা
হ্যাঁ, মেয়েটির নাম ছিলÑ নদী! পারভীন জাহান নদী। হয়তো আরও
বিস্তারিত