বেহুলারা পাল তুলে


বেহুলারা পাল তুলে 

স্নেহমাখা হাতখানি বাড়িয়ে দাও 
পৃথিবীর ক্যানভাসে
এক ঝাঁপি সোনালি আশায়Ñ 
যদিও দুঃখের মিতালীতে ওই দুটি চোখ
ভেসে যায় উজান ভেলায়
উড়ে যায় জীবন থেকে সোনালি সুখের 
যতসব স্বপ্নসাধের বিলাসব্যসন
তথাপি গাঙুরের জলে বেহুলারা পাল তুলে
পদ্মাবতির সাথে করে যায় লীলাময় খেলা
সবশেষে পরাণের উড়ালডানায় 
ব্যসনের রোদ্দুরে সুখপাখি উড়ে আসে 
সওদাগরের উঠোনের কোলজুড়ে।

স্বপ্নের আশা

অফুরন্ত আনন্দের বন্যায় স্বপ্নেরা বাসা বাঁধে প্রসন্নতায়।
ঢেউ তোলে দুঃখভরা মানুষের বসতিতে
আলো আর ছায়ার সবুজের আস্তিনে
সাতরঙা রঙের ঝলকিত বাহারে 
নওরাঙা রাত্রির সোহাগের কোল জুড়ে
অবিরত আলোকের উল্লাসে চাঁদ-জোছনায়।
তবুও একদিন উড়ে যাবে এইসব স্বপ্নেরা উড়ন্ত চিল হয়ে
মানুষের আঙিনা ছেড়ে ডানা মেলে অবিরল কেঁদে কেঁদে
দহন জ্বালায় ফেরি করে চোখের জল। 
রেখে যাবে এইসব উর্বরা ফসলের জমিনে নোনাটে সুবাস।
তারপরও বহুকালের কাক্সিক্ষত সাধের পৃথিবীতে
সুখপাখি ফিরে আসুক এইসব বাসনার স্বপ্নের দিনে।


দীপা
পহেলা ফাল্গুন। বইমেলায় শাড়ি পরিহিতা সুশ্রী একজন লেখিকা ৩০১ নম্বর
বিস্তারিত
মেঘ শুধু মেঘ নয়
মেঘ শুধু মেঘ নয়; খুঁজেছো কি মেঘে তুমি কিছু  শাদা
বিস্তারিত
আলো অন্ধকারে যাই
ভ্যান থেকে যখন নামল সে, বহু মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। সন্ধ্যা
বিস্তারিত
চেতনা বিকাতে পারি
  যিনি চেতনাবাজ হয়ে বেঁচে আছেন এক মেরদ-ী শিক্ষকের কথা বলি যিনি
বিস্তারিত
টুপটুপ রক্ত ঝরছে
কপালে লাল টিপ সেঁটে দৌড়ে ছুটছে লাল ষাঁড় শিং ছুঁয়ে
বিস্তারিত
মায়ের শরীরের একাংশ আমি
আমার অস্তিত্বের অঙ্কুরোদগম হয়েছিল এক মায়াবী নারীর গূঢ় কর্ষিত জঠরে
বিস্তারিত