বৃষ্টি নদী

নওশাদ জামিল
বৃষ্টি নদী

চোখের কোণে নামল টলোমলো 
বৃষ্টি নদী, ভিজল দুইধার
অন্ধকারে কাঁপছে সরোবর
স্তব্ধ হলো হৃদয় পারাবার!

বৃষ্টি মুছে আঙুর মেখে ঠোঁটে
নামল ঝড় তোমার সিঁথিজুড়ে
হঠাৎ করে তীব্র ঢেউ আজ
তুফান বেগে আছড়ে পড়ে দূরে।

বৃষ্টি দেখে জোরসে দাও টান 
আয় রে নদী, ভিজুক চারপাশ
আঁধার রাতে কাঁপছে সরোবর
বুকের কাছে ভাসল রাজহাঁস।

অন্ধকারে তোমার ঠোঁটে ঝরে
আর্দ্র মধু, প্রেমের নিরাময়
মুগ্ধ হয়ে উঠল ফুঁসে জল 
ভাসল তরী, নাই রে কোনো ভয়!  

নীল শাড়ি

যেখান থেকে যাত্রা শুরু করি
আবার আমি সেখানে আসি ফিরে
অনেক পথ পেরিয়ে এসে দেখি 
ফেরার পথে কুহক আছে ঘিরে।

পাহাড় নদী পেরিয়ে মেঠোপথ
এসেছি ফিরে হƒদয় আহ্লাদে
অন্ধ ফুলে পরাগ ঢেলে দিয়ে
আবেগ ছাড়া কে আর পড়ে ফাঁদে?

পথের বাঁকে বাতাস ছেঁড়া মেঘ 
উড়ল বুঝি আগুন হাতছানি 
ধোঁয়ার রেখা মাড়িয়ে বহুদূর
পেলাম দেখা পরম ঝলকানি।

হƒদয় টানে আবার আসি ফিরে
ফেরার পথে কুহক ছড়াছড়ি
কুয়াশাজাল ছিন্ন করে দেখি
পথের বাঁকে উড়ছে নীল শাড়ি।


ভাতঘুম
সুমন রহমান লাজুক ভঙিতে হাসে। তার মাথাটা নুয়ে আসে বুকের
বিস্তারিত
কাঠমান্ডুর দরবারে
নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত হনুমান ধোকা দরবার ১৯৭৯ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব
বিস্তারিত
কবিতা
কাজী জহিরুল ইসলাম গৃহগল্প দাঁড়াবার জন্য কিছুটা সময় নেয় এরপর টুপ
বিস্তারিত
গণসমুদ্রচোখ আমাকে পাহারা দেয়
দাগহীন আত্মসমর্পণ, গোটা থানকুনি বাঁক তা দিচ্ছে। ধুলোর গায়ে-বেদনায়, প্রয়াণে;
বিস্তারিত
পথিক
তোমার বাস কোথায় গো পথিক, দেশে না বিদেশে আমি তোমায়
বিস্তারিত
নদী এবং নদীরা
হ্যাঁ, মেয়েটির নাম ছিলÑ নদী! পারভীন জাহান নদী। হয়তো আরও
বিস্তারিত