আটকে গেল সেই বালিশ তোলার সব বিল

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্রিন সিটি আবাসন প্রকল্পের নির্মাণ সম্পন্ন হওয়া নয়টি ভবনের ৯৬৬টি ফ্ল্যাটের জন্য আসবাবপত্র কেনা শেষ হয়েছে। এই আসবারপত্র কেনায় ভয়ঙ্কর দুর্নীতি হয়েছে। এসব নিয়ে গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা ঝড় উঠেছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ অনুযায়ী, ইতিমধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে আসবাবপত্রসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য কেনার দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সব বিল আটকে দেয়া হয়েছে।

এদিকে ভয়ঙ্কর এই দুর্নীতির প্রতিবাদে বালিশ হাতে নিয়ে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করেছেন গণঐক্য ও নাগরিক পরিষদ নামে দুটি সংগঠন।

এমন বিতর্ক ও বিক্ষোভের পর ওই কাজের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সব বিল আটকে দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

রবিবার (১৯ মে) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, 'রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ' প্রকল্পের আওতায় গণপূর্ত অধিদফতরের নির্মাণাধীন ছয়টি ভবনে আসবাবপত্রসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ছয়টি প্যাকেজে ই-জিপিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়।

প্যাকেজগুলোর প্রতিটির ক্রয়মূল্য ৩০ কোটি টাকার নিচে প্রাক্কলন করায় গণপূর্ত অধিদফতর থেকে অনুমোদন দেয়া হয় ও ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়।

এ ক্ষেত্রে দাফতরিক প্রাক্কলন প্রণয়ন, অনুমোদন ও ঠিকাদার নিয়োগে মন্ত্রণালয়ের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এর জের ধরে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে একজন অতিরিক্ত সচিব এবং গণপূর্ত অধিদফতর থেকে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব পেমেন্ট বন্ধ রাখার জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় হতে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ওই কাজের বিপরীতে এখনও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধ করা হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের দুর্নীতি ঘটনায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দেখতে চান হাইকোর্ট।

এ জন্য আজ সোমবার গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে গঠিত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

প্রসঙ্গত গত কয়েক দিন ধরে দেশের বেশিরভাগ গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে আসবাবপত্রসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য অস্বাভাবিক দামে কেনা ও সেগুলো ফ্ল্যাটে তোলার ব্যয় নিয়ে বেশ বিতর্ক চলছে।

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ওই ভবনের জন্য এক হাজার ৩২০টি বালিশ কেনা হয়েছে। এদের প্রতিটির মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর সেই প্রতিটি বালিশ নিচ থেকে ভবনের ওপরে তুলতে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা!


চাকরি হারালেন ‘চুমু দেয়া’ সেই
ব্রণের জন্য রাজধানীর ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তরুণীকে
বিস্তারিত
ইভিএমে ২২৮ ইউপিতে ভোট ২৫
ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে আগামী ২৫ জুলাই দেশের
বিস্তারিত
বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৫ হাজার কোটি
জাতীয় পার্টি, বিএনপিসহ বিরোধীদলীয় সদস্যদের বিরোধিতা সত্ত্বেও চলতি (২০১৮-১৯) অর্থবছর
বিস্তারিত
অবশেষে কমলো স্বর্ণের দাম
দাম বাড়ানোর চারদিন পর স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে স্বর্ণ
বিস্তারিত
‘বিদেশি এজেন্টের কাছে বিমানের পাওনা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পযটন মন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেছেন,
বিস্তারিত
‘ব্যাংকে লুট করার মতো টাকা
বাজেট নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশের সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না
বিস্তারিত