কিছু মৃত্যু আমাদের অনেক বেশি কষ্ট দেয়

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হঠাৎ চলে গেলেন পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন মজুমদার। বুধবার (২২ মে) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

চাঁদপুরের ছেলে জসিম ২৯তম বিসিএসে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। বুধবার (২২ মে) সকালে হঠাৎ পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যান তিনি। সহকর্মীর এমন অকাল মৃত্যুতে কাঁদছেন তার সহকর্মীরা, কাঁদছে বাংলাদেশ পুলিশ।

সকাল থেকেই পুলিশ সদস্য ও ২৯তম বিসিএসের ব্যাচমেটরা জসিমের অকাল মৃত্যুতে চোখের পানি ফেলছেন। জসিমের ব্যাচমেট আবু ইউসুফ বলেন, ‘আল্লাহ যাকে ইচ্ছা নিয়ে যান। কিছু মৃত্যু আমাদের অনেক বেশি কষ্ট দেয়। জসিম আমার ব্যাচমেট ছিল। তার মৃত্যুতে কেমন লাগছে তা বলে বুঝাতে পারব না। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন।’

শাহিনুর ইসলাম নামে বাংলাদেশ পুলিশের আরেক কর্মকর্তা তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘জসিম স্যার চাঁদপুরের গর্ব, বাংলাদেশ পুলিশের গর্ব। বিশ্বাস করতে পারছি না, স্যার এত তাড়াতাড়ি আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যাবেন।’

১৯৮২ সালে চাঁদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন জসিম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ডিপার্টমেন্ট থেকে এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ২৯তম বিসিএসে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।

২০১৬ সালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চে যোগদান করেন। মেধাবী এই কর্মকর্তা চাকরি জীবনে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে সিআইডি, সিলেট, কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।


জীবন কাটল লন্ডনে, এখন ঢাকার
বৃদ্ধাশ্রমে থাকা মায়েদের কত গল্পই তো শুনেছেন, পড়েছেন। এবার এই
বিস্তারিত
প্যারাসিটামল সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য
জ্বর ও ব্যথা নিরাময়ে প্যারাসিটামলের মতো নিরাপদ ওষুধ খুব বেশি
বিস্তারিত
তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যার কোথাও
ব্রিটিশ রাণী এলিজাবেথ পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাননা কেন তার সঙ্গে
বিস্তারিত
মৃত্যুপথযাত্রী মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ
মৃত্যুশয্যায় মা। শেষ সময়ে প্রিয় সন্তানদের এক নজর দেখার ইচ্ছা
বিস্তারিত
বাবা দিবস যেভাবে এলো
জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বের অনেক দেশে পালিত হয়েছে বাবা
বিস্তারিত
মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ছেলের
সাধারণত মা দ্বিতীয় বিয়ে করলে আগের ঘরের সন্তানেরা অখুশি হন।
বিস্তারিত