চিঠি

ঢাকা শহর এক আশ্চার্য শহর বটে
পাহাড় নেই, শাল মহুয়া নেই
যমুনা নেই, কদম গাছ নেই
অথচ সেই ঘর পালানো মন আছে।

প্রাচীনতম বাঁশির ডাক শুনে
খুঁজছে অন্ধকারের কুঞ্জবন 
কথা দিলে, অ্যাপয়েন্টমেন্ট করলে 
সেটা রাখতে হয়, সেটাই সভ্যতা।

আজ ঘড়ির কাঁটায় কাঁটায় রেস্টুরেন্ট 
মশায়ের কোনো দেখা নেই
চেনা বেয়ারা আমাকে দেখে পাথর
তোমাকে সারপ্রাইজ দেব বলে পরে এসেছিলাম
মায়ের লাল বেনারসি। 

বাসের জন্য যখন মোড়ে দাঁড়িয়েছিলাম
সামনে এলো এক ফুলঅলা
বেলি ফুল নিলাম তোমার পছন্দ বলে
সে-ও তোমার চিঠিতে লেখা ছিল।

আধঘণ্টা পেরোতেই মাথার শিরা ছিঁড়ে যুদ্ধের সাইরেন
অবশেষে নিজের ছায়াকে মাড়িয়ে মাড়িয়ে বাড়ি ফেরা
সেদিন রাতের ঘুম না হওয়ার খবর কেবল জানে
আকাশের একটি নক্ষত্র।


দীপা
পহেলা ফাল্গুন। বইমেলায় শাড়ি পরিহিতা সুশ্রী একজন লেখিকা ৩০১ নম্বর
বিস্তারিত
মেঘ শুধু মেঘ নয়
মেঘ শুধু মেঘ নয়; খুঁজেছো কি মেঘে তুমি কিছু  শাদা
বিস্তারিত
আলো অন্ধকারে যাই
ভ্যান থেকে যখন নামল সে, বহু মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। সন্ধ্যা
বিস্তারিত
চেতনা বিকাতে পারি
  যিনি চেতনাবাজ হয়ে বেঁচে আছেন এক মেরদ-ী শিক্ষকের কথা বলি যিনি
বিস্তারিত
টুপটুপ রক্ত ঝরছে
কপালে লাল টিপ সেঁটে দৌড়ে ছুটছে লাল ষাঁড় শিং ছুঁয়ে
বিস্তারিত
মায়ের শরীরের একাংশ আমি
আমার অস্তিত্বের অঙ্কুরোদগম হয়েছিল এক মায়াবী নারীর গূঢ় কর্ষিত জঠরে
বিস্তারিত