মধ্য রাতের ইচ্ছে

বৈশাখের মধ্যরাতে আমি অপেক্ষা করছিলাম

কোনো এক সম্পূর্ণ কবির জন্য
দু’হাত পাখির মতো মেলে দিয়ে
হৃদয়ের মধ্যযুগ উৎসারিত করে
নিছক এক সম্পূর্ণ আগন্তুক কবির জন্য।

আমি অপেক্ষা করছিলাম বৈশাখের গুমোট গরমে
তীব্র দাবদাহে পীড়িত বাংলায়
বৈশাখের কোনো এক মধ্যরাতে
মেঘমল্লার শ্রাবণের বর্ষণে
অথবা শরতের মেঘমুক্ত শিউলি ফোটা 
শিশিরভেজা রাতে।
যখন সে আসবে
শতাব্দীর সুনীল বাতাস বইবে আনন্দে 
তার গৃহ প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ আলোর 
ঝলকানি লেগে ঝলমল করবে সব কিছু 
ঘরময় সুরভিত রক্তপদ্ম ফুটে উঠবে।

যখন সে আসবে
একরাশ রজনীগন্ধা ফুটে উঠবে
অবহেলায় পড়ে থাকা কবিতার বই
বসরাই গোলাপের সুবাস ছড়াতে থাকবে
আমার কণ্ঠ হতে নিঃসারিত হতে থাকবে
অবিরাম ধারায়, গালিবের গজলের মতো কবিতা।


ভাতঘুম
সুমন রহমান লাজুক ভঙিতে হাসে। তার মাথাটা নুয়ে আসে বুকের
বিস্তারিত
কাঠমান্ডুর দরবারে
নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত হনুমান ধোকা দরবার ১৯৭৯ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব
বিস্তারিত
কবিতা
কাজী জহিরুল ইসলাম গৃহগল্প দাঁড়াবার জন্য কিছুটা সময় নেয় এরপর টুপ
বিস্তারিত
গণসমুদ্রচোখ আমাকে পাহারা দেয়
দাগহীন আত্মসমর্পণ, গোটা থানকুনি বাঁক তা দিচ্ছে। ধুলোর গায়ে-বেদনায়, প্রয়াণে;
বিস্তারিত
পথিক
তোমার বাস কোথায় গো পথিক, দেশে না বিদেশে আমি তোমায়
বিস্তারিত
নদী এবং নদীরা
হ্যাঁ, মেয়েটির নাম ছিলÑ নদী! পারভীন জাহান নদী। হয়তো আরও
বিস্তারিত