রোজা ফরজ হওয়ার বয়স

মাসআলা

রোজা ও নামাজ ফরজ হওয়ার জন্য বয়স মুখ্য নয়, বালেগ হওয়া বা সাবালকত্ব অর্জন করাই রোজা ও নামাজ ফরজ হওয়ার বয়স। বিজ্ঞজনদের মতে, বাংলাদেশের আবহাওয়া ও পারিপার্শ্বিকতায় এটি সাধারণত ছেলেদের ক্ষেত্রে তেরো থেকে পনেরো বছর এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে এগারো থেকে তেরো বছরে হয়ে থাকে; যদিও ক্ষেত্রবিশেষ নয় বছরেও হতে পারে। মূলত শরীর স্বাস্থ্য বৃদ্ধিগতি, বংশগতধারা ও খাদ্যাভ্যাসসহ নানা প্রভাবক ও কিছু উদ্দীপক এক্ষেত্রে নিয়ামক ভূমিকা পালন করে। এ সময় ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে; কণ্ঠস্বর পরিবর্তন হয়, আচরণে পার্থক্য ও নতুনত্ব আসে; নারী বা পুরুষ সত্তার বিকাশ প্রকাশ ও স্বাতন্ত্র্য সৃষ্টি হয়। এ সময় থেকে রোজা পালন ও নামাজ আদায় করা বাধ্যতামূলক ফরজ হয়। পালন না করলে কাজা আদায় করতে হয়, রোজা রেখে ভাঙলে কাফফারাসহ আদায় করতে হয়। এ সময় থেকে এদের সওয়াব ও গোনাহ লেখা শুরু হয়। অবহেলা করে রোজা না রাখা অনেক বড় গোনাহ। বাবা-মা বা অভিভাবক যদি এদের রোজা রাখতে নিরুৎসাহিত করেন; তবে তারাও গোনাহগার হবেন। তবে কেউ অসুস্থ বা অক্ষম হলে তার জন্য কাজা বা ফিদইয়ার বিধান রয়েছে। (ফাতওয়া শামী)। 


কর্মজীবী ও শ্রমিকদের অধিকার
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেনÑ ‘তুমি তোমার গৃহপরিচারক থেকে যতটুকু কাজের ভার
বিস্তারিত
বেকারদের প্রতি ইসলামের নির্দেশনা
ইসলাম কর্মক্ষমদের বারবার কর্মের প্রতি উৎসাহ দিয়েছে। কর্মের উদ্দীপনা জুগিয়েছে।
বিস্তারিত
গর্ভপাত : ইসলাম কী বলে?
আধুনিক যুগে ভ্রƒণহত্যা জাহেলি যুগে কন্যাসন্তানকে জীবন্ত সমাধিস্থ করার নামান্তর।
বিস্তারিত
আল্লাহর ভালোবাসায় হজের আমল
প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ লোকেরা যেভাবে ভালোবাসার আকর্ষণে পরস্পরের কাছে ছুটে
বিস্তারিত
নবজাতকের জন্য ইসলামের উপহার
বাবা হতে পারা, মা হতে পারাÑ প্রতিটি নারী-পুরুষের কাছেই এক
বিস্তারিত
প্রশ্ন-উত্তর
প্রশ্ন : বিক্রেতার শোরুম থেকে ক্রেতা দুটি কার ক্রয় করল
বিস্তারিত