ঈদের চাঁদ

আকাশ ঢাকা একটু সাদা একটু কালো মেঘে,

তুলোর মতো ভাসছে এবং বইছে হালকা বেগে।
বইছে বাতাস মৃদুমন্দ বিষ্টি গুঁড়ো গুঁড়ো,
এমনই এক সন্ধ্যা নামার আগেই তাড়াহুড়ো।

বাড়ির ছোট্ট শিশু কিশোর বড়োরা হয় হন্য,
একটি সরু আবছা বাঁকা চাঁদকে দেখার জন্য।

টেলিস্কোপে চোখ লাগিয়ে কেউ দাঁড়ালো ছাদে,
বারান্দাতে কেউ, রেখে হাত পাশের জনের কাঁধে।
জানালা ঘেঁষে আকাশ দেখার চেষ্টা শুধু শুধু,
আকাশ জুড়ে নেই কিছুই দিগন্ত আর ধু-ধু।

চাঁদ না দেখেও দেখার চেষ্টা তবুও জীবন ধন্য,
একটি খুশির বার্তাবাহী চাঁদকে দেখার জন্য।

ছোট্টরা কেউ নেই সীমানায় দৌড়ে গেছে মাঠে,
তীব্র এবং তীক্ষ্ম চোখের দৃষ্টি দূরে আঁটে।
দেখলো না কেউ সেই সরু চাঁদ ভীষণ প্রত্যাশিত,
মন ভারি খুব চাঁদ না দেখে, প্রত্যেকে দুঃখিত।

হাল ছাড়ে না তবুও সবাই সূত্র ধরে অন্য,
একটি  চাঁদদের আবির্ভাবের বার্তা শোনার জন্য।

রাত্রি নামে, ঘরের সবাই দেখলো খবর টিভির,
বললো টিভি চাঁদ দেখেছে লোকেরা পাঁচবিবির।
তাতেই খুশি, যদিও থাকে সবার এমন চাঁদ,
নিজের চোখে দাঁড়িয়ে থেকে একটু দেখার সাধ।


সূর্যমুখীর হাসি
অন্তু কী একটা কাজে এদিক দিয়ে যাচ্ছিল। সূর্যমুখীর গম্ভীর মুখ
বিস্তারিত
সাঁতার শেখা
ক’দিন ধরে মেঘলা দুপুর  বৃষ্টি পড়ে টাপুর-টুপুর,  তাই তো নাচন হচ্ছে
বিস্তারিত
বর্ষার বৃষ্টি ঝুম
মেঘের মেয়ে বৃষ্টি ঝুম চোখের পাতায় মিষ্টি ঘুম ভিজল বাড়ি, দোকান
বিস্তারিত
রঙিন বল
টিউটরের কাছে পড়া শেষে মাঠে পৌঁছতেই টুটুন দৌড়ে এসে বলল,
বিস্তারিত
বৃষ্টি
বৃষ্টি আসে যখন তখন ব্যাঙ মেলেছে ছাতা, পানির ভেতর ডুবে তবু
বিস্তারিত
বৃষ্টি নামের মিষ্টি মেয়ে
বৃষ্টি নামের মিষ্টি মেয়ে আয়রে ছুটে আয় বন-বনানীর ছায়াঘেরা সবুজ-শ্যামল গাঁয়। আয়রে
বিস্তারিত