গণসমুদ্রচোখ আমাকে পাহারা দেয়

দাগহীন আত্মসমর্পণ, গোটা থানকুনি বাঁক তা দিচ্ছে।
ধুলোর গায়ে-বেদনায়, প্রয়াণে;
দলগুচ্ছ মানুষের কবিতাÑ
হাতের পাশে মাঠ, ছায়ার পরিভ্রমণ
ছেঁড়া ছেঁড়া গদাঘাত মেঘ
ধূসর পথে শতছিন্ন যমজ বর্ষার পরাগরেণু,
বিনয়ী রোদ-ঋতুবনে, ভূতভয়,
কবরস্থান উপেক্ষা সকল কবিতার জোড় পা স্কুলে যায়Ñ

ঠান্ডা বাতাস, অখ- অবসর, জলপাই রঙের উদ্ভিদ উঠান
কিচিরমিচির ব্যস্ত-চিউমিউ শোরগোল
হাসির টুকরো লেপটানো কমলা লেবু রং ধানেধানে,
গণসমুদ্রচোখ-অগণিত নাবিক পালে
আমাকেও পাহারা দেয়, এ গণভোট মুক্ত বিস্ময়ের!

ঘাসগুলো তার উঠানে ফড়িং ছড়ায়

চারদিক পৃথিবী। এখানে দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে
ধারাপাঠ পড়তে পড়তে বর্ণনা করি
বসন্ত ঠোঁটে অনিন্দ্য সুন্দরের গানÑ

মোটা বয়সে এ দূরাগত উচ্চাঙ্গ সংগীত
আমার কানের নেতি ঝুলে
সমস্ত পাহাড়ের গোপনীয়তা শোনায়Ñ
নীলগিরি দেবতার পায়চারি, দলবেঁধে ফেরা গুঁড়ো বাতাস
বাক্সভর্তি ঘন উদ্ভিদ, প্রীতিধানের কণ্ঠস্বর, প্রকৃত পামূল;
ইথারনেটে ঝর্ণাধারা, অদূরে আকাশ
পাহাড় কাটা জ্যোৎস্না চূড়োয় গড়িয়ে যায়
নৈঃশব্দ্যের রোপণ করা শরীরÑ
চাকমা মেয়ের গোপন ভ্রমণ...
এ প্রণয় শিল্প, বাঙালির সমতলে
অরণ্যবীথির জরায়ু ঋতুর গহিনে
চাকমা গান শুনি, ঘাসগুলো তার উঠানে ফড়িং ছড়ায়!

একজোড়া ঘণ্টা

এ বেদনা বিনির্মাণ শেষে
নির্ঝরা গহিন রাত আমাকে সেলাই করে
বোধপাকা শহরে দাঁড়ানো সহস্রাধিক ইটচাপা দালান।
উগ্র পা ডোবানো তার শিরবাঁকা বারান্দায়
আমার চোখ ফাঁকা ছুটে যায়
হলুদ আলোর হুক খোলা ল্যাম্পপোস্টের নিচ হতে
ক্রুশকন্যা নাভিকাটা অঙ্গে, গূঢ়চারী সমতল মুখোমুখিÑ

আমার হাত থেকে খসে পড়ে সেকেন্ডের কাঁটা
ঘা মেরে চলে মিনিটের ঘরে, একের পরে এক
অতঃপর আমি একজোড়া ঘণ্টা হয়ে উঠি। দীর্ঘ সময়Ñ


ভাতঘুম
সুমন রহমান লাজুক ভঙিতে হাসে। তার মাথাটা নুয়ে আসে বুকের
বিস্তারিত
কাঠমান্ডুর দরবারে
নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত হনুমান ধোকা দরবার ১৯৭৯ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব
বিস্তারিত
কবিতা
কাজী জহিরুল ইসলাম গৃহগল্প দাঁড়াবার জন্য কিছুটা সময় নেয় এরপর টুপ
বিস্তারিত
পথিক
তোমার বাস কোথায় গো পথিক, দেশে না বিদেশে আমি তোমায়
বিস্তারিত
নদী এবং নদীরা
হ্যাঁ, মেয়েটির নাম ছিলÑ নদী! পারভীন জাহান নদী। হয়তো আরও
বিস্তারিত
আকাশ দেখতে যাব
আকাশ দেখতে যাব, আজও আমরা কতদূর? আলোর মিছিল আজ হৃদয়
বিস্তারিত