রসিকে দেশের প্রথম আদর্শ নগর স্থায়ী ইপিআই টিকাকেন্দ্র চালু

রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (রসিক) ডিজিটাল নিবন্ধন ও সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত দেশের প্রথম আদর্শ নগর স্থায়ী সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) টিকাকেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রসিক স্বাস্থ্য বিভাগে ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি রসিক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। এই উপলক্ষে নগর ভবন মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাক্তার মোস্তফা খালেদ আহম্মেদ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইপিআই কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডাক্তার মওলা বক্স চৌধুরী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডাক্তার রাজেন্দ্র বহরা। এতে করেন সভাপতিত্ব করেন রসিক সচিব রাশেদুল হক।

এ সময় বক্তব্য রাখেন রসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান ইবনে তাজ, ইউনিসেফের হেলথ অফিসার ডাঃ নাজমুন নাহার বুবলী, ডাক্তার জাবায়ের ইবনে মামুন, সিভিল সার্জন ডাক্তার আবু মো: জাকিরুল ইসলাম, বিএমএ সভাপতি ডাক্তার দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

নগরির প্রত্যেকটি শিশু ও নবজাতক সব শিশুকে ইপিআই টিকার আওতায় এনে টিকা দানের হার শতভাগে উন্নীত করার অঙ্গীকার করা হয়। এর আগে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ ২০১৯ উপলক্ষে একটি র‌্যালি নগর প্রদক্ষিণ করে।

রসিক প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে গেছে ইপিআই। মা ও নবজাতক শিশুর স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে মডেল হিসেবে সারা ফেলেছে এখানকার স্বাস্থ্য বিভাগ। ডিজিটালের ছোঁয়া বদলে দিয়েছে বহুদিনের সনাতন পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যসেবার প্রক্রিয়া। এখন জনসচেতনতা বাড়ানোর সঙ্গে চলছে উদ্বুদ্ধকরণ প্রণোদনা।

রসিকের স্বাস্থ্য বিভাগে সরেজমিনে দেখা গেছে, আগের মতো নবজাতক শিশুর টিকা গ্রহণ নিয়ে কোনো বিড়ম্বনা নেই। কমে গেছে শিশুদের নিয়ে টিকা দিতে আসা নারীদের কালক্ষেপণের অভিযোগ। সব কিছুতে লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া।

টিকা দিতে এসে জোরপূর্বক আগে সেবা গ্রহণ করা নিয়ে এক সময় উদ্ভট পরিস্থিতি তৈরি হতো। এখন তা নেই। বর্তমানে কাউন্টার হতে টোকেন সংগ্রহ করতে হয়। টোকেনে দেয়া সিরিয়াল নম্বর অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সেবা নিচ্ছেন মা ও শিশুরা। শুধু তাই নয়, টিকাদানে আলাদা ও নিরাপদ কক্ষ রাখা হয়েছে। সুবিধাভোগী গর্ভবতী, নবজাতক, মা ও শিশুর সেবার মান বাড়াতে ও নিয়মিত টিকা গ্রহণে নেয়া হয়েছে নানান উদ্যোগ। এখন টিকা গ্রহণের তারিখ আসার আগে এবং পরে মোবাইল ফোনে এসএমএস দেয়া হয়। সেবা গ্রহণকারী মা ও শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে প্রণোদনা পুরস্কার। সময়মতো সকল টিকা গ্রহণকারী মা ও শিশুকে দেয়া হচ্ছে সার্টিফিকেট।

সব মিলিয়ে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ডাটাবেজ তৈরির মাধ্যমে আরও সহজ করা হয়েছে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পাড়া-মহল্লায়, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এবং বস্তিতে উঠান বৈঠক ও মা সমাবেশের মাধ্যমে ইপিআইয়ের সেবা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়া প্রচার কাজে এখন ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অর্থায়ন ও এটুআই প্রকল্পের আওতায় রংপুর প্রথম এই মডেল সেবা দিচ্ছেন। চলতি বছরের আগস্টে সেবাগ্রহীতা মা ও শিশুর তথ্যসমৃদ্ধ স্বাস্থ্যসেবা অ্যাপস ব্যবহারের সুবিধাও পাবেন নগরবাসী। গ্রামে স্বাস্থ্যকর্মী গেলে সবাই একত্রিত হয়। স্বাস্থ্যকর্মীর কাছ থেকে সেবা গ্রহণ করেন। কিন্তু শহরে এর উল্টো চিত্র। এখানে অনেক সময় বাড়ি বাড়ি গিয়েও সুবিধাভোগীদের দেখা যায় না। স্বাস্থ্যকর্মীদের অনেক কষ্ট করতে হয়। সেই কষ্ট ও বিড়ম্বনা এখন কমে এসেছে।


সিরাজগঞ্জে ভুয়া ডাক্তার গ্রেপ্তার, থানায়
সিরাজগঞ্জে মাসুদ ইকবাল (২৫) নামে ভূয়া এমবিবিএস ডাক্তারকে থানায় সোপর্দ
বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি নির্দেশ দিলে সরে যাব:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভিসি অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে
বিস্তারিত
সিরাজদিখানে মামির হাতে ভাগনী খুন
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে মামীর হাতে ভাগনী খুনের ঘটনা ঘটেছে। তুচ্ছ ঘটনায়
বিস্তারিত
বশেমুরবিপ্রবি’র উপাচার্যের অপসারণ দাবি রাবির
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য
বিস্তারিত
রাজশাহী বিভাগে বাস্তবায়ন হচ্ছে ৫৫
রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় সরকারের ৫৫টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা
বিস্তারিত
জমি রক্ষায় আইনের আশ্রয় নিতে
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) সদর দপ্তর নির্মাণের কাজ শুরু করা
বিস্তারিত