অনুমতি না পাওয়ায় টাঙ্গাইলে জেলা ইজতেমা পণ্ড

টঙ্গীর তুরাগ তীর থেকে শুরু করে ইজতেমা দৈতপন্থী দ্বন্দ্ব ক্রমেই দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে। এর ধারাবাহিকতায় দ্বন্দ্বের জের ধরে পণ্ড হয়ে গেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ৩ তিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। এর আগে গত ৯ জুন মির্জাপুরের স্থানীয় এমপি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ একাব্বর হোসেন মাঠ পরিদর্শন করে ইজতেমা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাওলানা সাদপন্থীদের উদ্যোগে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌর সদরের কাঁঠালিয়ায় ১৩, ১৪ ও ১৫ জুন ৩ দিনব্যাপী এই জেলা ইজতেমার আয়োজন করা হয়। উদ্বোধনের পর থেকে ওই এলাকার বেশ কয়েক একর জায়গাজুড়ে তৈরি করা হয় প্যান্ডেল। কিন্তু শেষমেশ প্রশাসনের অনুমতি মেলেনি আয়োজকদের। 

প্রশাসনের নিভর্রযোগ্য সূত্র জানায়, মাওলানা জোবায়েরপন্থীদের আপত্তির মুখে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় এই ইজতেমা পরিচালনার অনুমতি দেয়নি জেলা প্রশাসন। অবশ্য মাওলানা জোবায়েরপন্থীদের সঙ্গে রাজনৈতিক ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার সমঝোতার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তারা।

আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিন দেখা যায়, বাঁশের প্যান্ডেল করা ইজতেমার মাঠ থেকে মিনি ট্রাকযোগে বাঁশের খুঁটি সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মাঠে অবস্থান নিয়েছে প্রায় দেড় থেকে দুই শতাধিক পুলিশ সদস্য।

এছাড়াও ইজতেমা স্থলের প্রবেশমুখসহ ওই এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গত বুধবার থেকেই ওই এলাকায় পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা ছিল লক্ষণীয়, গাড়িসহ অবস্থানে ছিল ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।

অপরদিকে ইজতেমার মূল ময়দান থেকে মুসল্লিদের সরিয়ে দিলেও অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসলমান ইজতেমা ময়দানসংলগ্ন দারুল উলুম মোহাম্মাদীয়া মাদ্রাসা ও কাঠালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অবস্থান নিয়ে আম বয়ানের মাধ্যমে ইজতেমার কার্যক্রম চালাতে থাকে। 

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। টাঙ্গাইলের কালিহাতি, টাঙ্গাইল সদর, মধুপুর ও সখীপুর থেকে আগত অসংখ্য মুসল্লি ইজতেমা আয়োজনের অনুমতি না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেকে বলেন, গান বাজনা বা কনসার্টের আয়োজন হলে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হতে হতো না।

ইজতেমার জিম্মাদার মুফতি মোস্তফা খলিল জানান, প্রশাসনের কাছ থেকে মৌখিকভাবে তাদের অনুমতি নেয়া ছিল। সেই মোতাবেক ইজতেমার আয়োজনও করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে একটি মহলের ষড়যন্ত্রের কারণে প্রশাসনের কাছে তারা লিখিতভাবে আবেদন করেও অনুমতি পায়নি। সবশেষ স্বল্প পরিসরে হলেও ইজতেমা পরিচালনা করে তাবলীগ জামায়াত বের করার জন্য প্রশাসনের অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

মির্জাপুর থানার ওসি একেএম মিজানুল হক বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। কোনপ্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মালেক জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঠিক কি কারণে ইজতেমা আয়োজনের অনুমতি দেয়া হয়নি তা স্পষ্ট নয়। 


জঙ্গি নির্মূলে বাংলাদেশ বিশ্বের রোল
জঙ্গি নির্মূলে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোল মডেল উল্লেখ করে বাংলাদেশ
বিস্তারিত
মঠবাড়িয়ায় নারী ইউপি সদস্যের বাড়িতে
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় উপজেলা নির্বাচনের জেরে প্রতিপক্ষরা এমিলি বেগম নামে এক
বিস্তারিত
যমুনায় পানি বৃদ্ধি, সিরাজগঞ্জে ব্যাপক
যমুনা নদীর পানি বাড়তে থাকায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা চরাঞ্চলের ৪টি
বিস্তারিত
নকলায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন
শেরপুরের নকলায় স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন বিষয়ক বিভিন্ন
বিস্তারিত
ট্রেনের ধাক্কায় স্কুল শিক্ষক নিহত
ঢাকা-ঈশ্বরদী রেলপথের সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার চকশাহবাজপুর নামক স্থানে আন্তনগর ট্রেনের
বিস্তারিত
রাজশাহীর আসমা হত্যায় জড়িত সন্দেহে
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার গৃহবধূ আসমা বেগমকে (৪৫) হত্যায় জড়িত সন্দেহে
বিস্তারিত