কবিতা

কাজী জহিরুল ইসলাম
গৃহগল্প

দাঁড়াবার জন্য কিছুটা সময় নেয়
এরপর টুপ করে বসে পড়ে গৃহগল্পের মাদুরে
এক সময় সে, এ যৌবন-দম্ভ জুয়াড়ি
হামাগুড়ি দিতে দিতে কত কিছুই না করেছে দাঁড়াবে বলে...
বাড়িটির সদর দরোজা থেকে শোবার ঘরের
বেডসাইড-ড্রয়ার
সর্বত্র ছড়িয়ে আছে তার স্নেহ, প্রেম, কাম, শ্রম।
বিষুবরেখার ভাঁজ খুলে
খুঁজে খুঁজে তুলে আনে হিরন্ময় আলো।
বাগানে রোপণ করে অমিত সন্তান
স্নেহ ঢালে, প্রেম ঢালে
ঢেলে দেয় সঞ্চিত যৌবন
স্প্রিংলার খুলে স্বপ্নজলে ওম দেয় বীজতলা
মননের রোদ ঢেলে জোগায় পাতার পুষ্টি।
আয়ুসন্ধ্যায় পা মেলে লোকটির স্ত্রী লিখতে বসে
বৃত্তাবর্ত গৃহগল্পের নতুন এক পর্ব
যদিও তখনো সে শেখেনি পুরোপুরি জীবনের ব্যাকরণ।

নুরুননাহার ডলি
নতুন বছর

নতুন বছর আমাদের কাছে শান্তির দ্বাররক্ষী হয়ে আসে
আমরা সব কিছুর কাছে সামঞ্জস্য করতে ভালোবাসি
তুমি আমাদেরকে মিলিয়ে দিতে আসো, যেখানে
আমরা উৎসুক হয়ে তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।

তুমি ঝোলানো কুসংস্কার দূর করবে
তুমি তোমার কাজ সঠিকভাবে করবে
তুমি ধর্মীয় গোঁড়ামি, বর্ণপ্রথা দূর করে উদযাপিত হও
তোমার ঐশ্বরিক ক্ষমতা আছে, যা সত্যের মতো
তার উপস্থিতি ঘোষণা করে, আর
তুমি তো কোনো বিড়ম্বনা তৈরি করো না।


প্রসন্ন সাঁঝের পাখি ও ভয়াল
পাটাতনে বসে আহত পালাসি-গাঙচিল বিস্ফারিত নয়নে আমাদের দেখছে। ধীরে ধীরে
বিস্তারিত
জল : ০১
কাজল কাননে পায়ের আলোতে রবির ঘুম ভাঙে রোজ যাপিত সংসার সুখ-দুখে
বিস্তারিত
মাঝ রাতে মির্জা গালিবের শের
আরেক বার দেখা হলে অশুদ্ধ কিছু হবে না মহাভারত, চাই
বিস্তারিত
১৪ বছর বয়সি
রেখা এখন ক্লাস টেন, ক্লাস সিক্স থেকে শুরু হওয়া অপেক্ষা
বিস্তারিত
তুমি যদি এসে
এইসব শিশির ভেজা ফসলের মাঠ নতুন ভোরের সোনালি রোদ্দুর  কৃষকের হাসিমাখা
বিস্তারিত
দেহের নিমন্ত্রণে
কেউ ডাকে দেহের নিমন্ত্রণে কেউ প্রেমেরÑ সঙ্গোপনে কেউবা নিছক খেয়ালের বশে
বিস্তারিত