ইসলামে মালিকানার স্বাধীনতা

কেন্দ্রীয় ব্যাংক, দুবাই

মালিকানা যদি অবৈধ পন্থায় বা উপায়ে অর্জিত 

হয়, তাহলে ইসলাম তার স্বীকৃতি দেয় না এবং তা সুরক্ষারও দায়িত্ব নেয় না; বরং তা তার হাত থেকে কেড়ে নিয়ে আসল মালিকের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। যেমন চুরিকৃত মাল বা ছিনতাইকৃত মাল। এসব মালের মালিক পাওয়া না গেলে বাইতুল 

মালে (রাষ্ট্রীয় কোষাগারে) রাখা হবে

মালিকানার প্রশ্নে প্রাচীন পৃথিবী ও আধুনিক পৃথিবীর অস্থিরতার শেষ নেই। এ ব্যাপারে নানা ধরনের মত রয়েছে এবং নানা পরস্পরবিরোধী চিন্তাধারার সৃষ্টি হয়েছে। কমিউনিজমের উদ্ভব ঘটেছে, যা ব্যক্তির মূল্য ও স্বাধীনতাকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। এই মতবাদ অনুসারে কেউই কোনো ভূমির বা কারখানার বা স্থাবর সম্পত্তির বা অন্যকোনো উৎপাদনের হাতিয়ারের মালিক হতে পারবে না। বরং প্রত্যেক ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের শ্রমিক হয়ে কাজ করতে হবে; রাষ্ট্রই সব উৎপাদন-উৎসের মালিক ও তাদের পরিচালক। ব্যক্তির জন্য পুঁজির মালিক হওয়া হারাম, যদিও ওই পুঁজি হালাল হয়! 

একইভাবে পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটেছে। পুঁজিবাদের ভিত্তি হলো ব্যক্তির মালিকানা-স্বাধীনতার পবিত্রকরণ ও তার লাগামহীনতা। ফলে ব্যক্তি যা ইচ্ছা তার মালিক হতে পারে এবং মালিকানাধীন সম্পদকে যেভাবে খুশি বৃদ্ধি করতে পারে এবং যেখানে খুশি তা খরচ করতে পারে। সম্পদের মালিক হওয়া, তা বৃদ্ধি করা ও তার খরচ করার যত ধরনের উপায় আছে, সেগুলোতে কোনো বিধিনিষেধ নেই। ব্যক্তির সম্পদে সমাজের কোনো ধরনের অধিকারও নেই।

পুঁজিবাদ ব্যক্তিমালিকানার বিষয়টিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলতে বাড়াবাড়ি করেছে এবং কমিউনিজম ব্যক্তিমালিকানাকে বাতিল করার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করেছে; ফলে এ দুটি অর্থব্যবস্থা সবদিক থেকে ক্ষতিকর ও অশুভ প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু ইসলাম অর্থব্যবস্থায় মধ্যপন্থার কথা বলেছে, যা ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের কল্যাণ নিশ্চিত করে। ইসলাম ব্যক্তিমালিকানার বৈধতা দিয়েছে এবং অন্যদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট সীমারেখা তৈরি করে দিয়েছে। যেমনÑ গণমানুষের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে গিয়ে নির্দিষ্ট কিছু বস্তুতে (ব্যক্তি) মালিকানার অধিকার নিষিদ্ধ করেছে এবং গণমালিকানা নিশ্চিত করেছে। এর অর্থ এই যে, ইসলাম ভারসাম্য ও সমতা বজায় রাখতে ব্যক্তিমালিকানার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং গণমালিকানার স্বাধীনতাকেও স্বীকৃতি দিয়েছে। 

ইসলাম ব্যক্তিকে বস্তুর অধিকার লাভ এবং নির্দিষ্ট পর্যায়ে ও নির্ধারিত মাত্রায় সেসব বস্তু ভোগ করতে মালিকানার অধিকার দিয়েছে। কারণ তা স্বাভাবিক প্রকৃতির চাহিদাগুলোর অন্যতম এবং ব্যক্তি-স্বাধীনতার একটি বৈশিষ্ট্য; বরং তা মনুষ্যত্বেরও অনন্য বৈশিষ্ট্য। তাছাড়া ব্যক্তিমালিকানা অধিক ও উত্তম উৎপাদনের একটি শক্তিশালী কারণ। ইসলাম এ অধিকারকে ইসলামি অর্থনীতির একটি মৌলিক নীতি হিসেবে স্থির করেছে। এই নীতির স্বাভাবিক ফলাফলÑ সম্পদকে তার মালিকের জন্য সুরক্ষিত রাখা এবং ছিনতাই, চুরি ও গচ্ছা যাওয়া থেকে হেফাজত করা ইত্যাদি। ইসলাম এ অধিকারের নিরাপত্তা বিধান এবং ব্যক্তি তার বৈধ অধিকারের ক্ষেত্রে যেসব হুমকির সম্মুখীন হয়, সেগুলোকে প্রতিহত করার জন্য যারা এ ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করবে তাদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছে। ইসলাম মালিকানার অধিকারের অন্য পরিণতিও নিশ্চিত করেছে, তা হলো লেনদেনের স্বাধীনতা : বেচাকেনা, ভাড়া দেওয়া, বন্ধক রাখা, উইল করা ও অন্যান্য বৈধ লেনদেনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। 

তবে ইসলাম ব্যক্তিমালিকানাকে কোনো ধরনের শর্ত বা সীমারেখা ব্যতিরেকে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দেয়নি; বরং ব্যক্তিমালিকানার জন্য শর্ত ও সীমারেখা নিরূপণ করেছে, যাতে অন্যদের অধিকার বিনষ্ট না হয়। যেমনÑ সুদ, ধোঁকাবাজি, প্রতারণা, ঘুষ, মজুতকরণ ইত্যাদি যেসব অশুভ কর্মকা- সমাজের কল্যাণ বিনষ্ট করে, সেগুলোকে নিষিদ্ধ করেছে। ব্যক্তিমালিকানার স্বাধীনতায় নারী ও পুরুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। কারণ এটিই আল্লাহ তায়ালার নিম্নলিখিত বাণীর উদ্দেশ্যÑ ‘পুরুষ যা অর্জন করে তা তার প্রাপ্য অংশ এবং নারী যা অর্জন করে তা তার প্রাপ্য অংশ।’ (সূরা নিসা : ২)।

ব্যক্তিমালিকানার আরেকটি শর্ত হলো, ব্যক্তি তার সম্পদকে উৎপাদনমূলক কর্মকা-ে বিনিয়োগ করবে। সম্পদ অনর্থক ফেলে রাখা তার মালিকের জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি সমাজের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্যও ক্ষতিকর। আরকেটি শর্ত হলো, সম্পদ নিসাব (জাকাত আবশ্যক হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ) পর্যন্ত পৌঁছলে এবং এক বছর পূর্ণ হলে তার জাকাত আদায় করা। জাকাত সম্পদের অধিকার। 

ইসলামে রয়েছে গণমালিকানার বিধান। এ ধরনের মালিকানায় একটি বিশাল মানবসমাজের অথবা কয়েকটি মানব সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ থাকে এবং সব সদস্যই তার উপকারিতা লাভ করে। ব্যক্তি সমাজের সদস্য হওয়ার কারণেই গণমালিকানা থেকে উপকার পেয়ে থাকে; যদিও তার জন্য বিশেষ অংশ নির্ধারিত থাকে না। যেমনÑ মসজিদ, পাবলিক হাসপাতাল, রাস্তা, নদী, সমুদ্র, ব্রিজ, সেতু ইত্যাদি। এগুলোর মালিক সমাজের সবাই এবং সবার কল্যাণে এগুলো ব্যবহৃত হয়। শাসক বা শাসকের প্রতিনিধি বা পরিচালন-কর্তৃপক্ষ এগুলোর মালিক নয়; তাদের দায়িত্ব হলো সুচারুরূপে পরিচালনা করা এবং সঠিক নির্দেশনায় এগুলোর উন্নতি বিধান করা এবং এ দুটি ব্যাপারই মুসলিম সমাজের কল্যাণ নিশ্চিত করে। 

ইসলাম মালিকানা লাভে কতিপয় পন্থা ও উপায় নির্ধারণ করে দিয়েছে এবং বাকি পন্থা ও উপায় নিষিদ্ধ করেছে। ব্যক্তিমালিকানা লাভের উপায়গুলোকে দুটি গুচ্ছে ভাগ করেছেÑ ১. মালিকানায় অর্জিত সম্পদ, অর্থাৎ যেসব সম্পদের মালিকানা রয়েছে। এসব সম্পদ শরয়ি কারণ বা উপায় ব্যতীত তার মালিকের মালিকানা থেকে অন্যের মালিকানায় আসবে না। যেমনÑ উত্তরাধিকার, উইল বা অসিয়ত, বিনিময়চুক্তি, অগ্রক্রয়াধিকার, দান ইত্যাদি। ২. দ্বিতীয় গুচ্ছে রয়েছে বৈধ সম্পদ, অর্থাৎ যা নির্দিষ্ট ব্যক্তির মালিকানায় যায়নি। এসব সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য সাব্যস্ত হবে না যতক্ষণ না কোনো কর্মের দ্বারা তা মালিকানায় ও অধিকারে আসে। যেমনÑ মৃত ভূমি আবাদ করা, শিকার করা, খনিজ সম্পদ বা পদার্থ উত্তোলন করা অথবা শাসক কর্তৃক এমন সম্পত্তির একটি অংশ নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে দান করা। 

 

ইসলামে গণমালিকানার উপায়গুলো বিভিন্ন পর্বে ভাগ করা যায় 

প্রাকৃতিক গণসম্পদ। রাষ্ট্রের সব মানুষ কোনো ধরনের প্রচেষ্টা বা কর্ম ছাড়াই এগুলো লাভ করে থাকে। যেমনÑ পানি, ঘাস, আগুন ও আনুষঙ্গিক বিষয়।

সংরক্ষিত সম্পদ। অর্থাৎ রাষ্ট্র তা মুসলমান বা সব মানুষের উপকারের জন্য সংরক্ষণ করে। যেমনÑ কবরস্থান, সরকারি এলাকা, ওয়াকফকৃত সম্পত্তি, জাকাত ইত্যাদি।

এমন সম্পদ, যেখানে কারও হাত পড়েনি অথবা হাত পড়েছে; কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এমনিতেই পড়ে আছে। যেমনÑ অনাবাদি জমি বা খাসজমি।

মালিকানা রক্ষার জন্য আল্লাহ তায়ালা সম্পদ পাহারা দেওয়ার ও হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। একইভাবে আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক বৈধকৃত শাস্তির দ্বারা ইসলামি শরিয়ত মালিকানার অধিকারকে সুরক্ষা দিয়েছে। যেমনÑ চোরের হাত কাটা ইত্যাদি।

মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত বৈধ উত্তম সম্পদের ওপর, অন্যদের সম্পদ বা হিসাবের ওপর নয়। সুতরাং এতিমদের সঙ্গে প্রতারণা করে তাদের সম্পদ আত্মসাৎ করা যাবে না; দরিদ্রদের দরিদ্রতার সুযোগ নিয়ে ফায়দা হাসিল করা যাবে না; মুখাপেক্ষীদের প্রয়োজনীয়তার দোহাই দিয়ে সুদের মাধ্যমে তাদের সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া যাবে না; জুয়ার দ্বারাও সম্পদ অর্জন করা যাবে না, জুয়া সমাজে শত্রুতা ও অরাজকতার কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং সমাজের সদস্যদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেছেনÑ ‘তোমরা নিজেদের মধ্যে একে অন্যের অর্থসম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না।’ (সূরা বাকারা : ১৮৮)।

‘হে মোমিনরা, তোমরা একে অন্যের অর্থসম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না; কিন্তু তোমাদের পরস্পর সম্মত হয়ে ব্যবসা করা বৈধ।’ (সূরা নিসা : ২৯)।

মালিকানা যদি অবৈধ পন্থায় বা উপায়ে অর্জিত হয়, তাহলে ইসলাম তার স্বীকৃতি দেয় না এবং তা সুরক্ষারও দায়িত্ব নেয় না; বরং তা তার হাত থেকে কেড়ে নিয়ে আসল মালিকের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। যেমন চুরিকৃত মাল বা ছিনতাইকৃত মাল। এসব মালের মালিক পাওয়া না গেলে বাইতুল মালে (রাষ্ট্রীয় কোষাগারে) রাখা হবে। 

ইসলাম সম্পদ অর্জনের পন্থা ও সম্পদ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে বিভিন্ন শর্ত ও শরিয়তসম্মত লেনদেনের দ্বারা সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে। বাতিল পন্থায় ও হারাম উপায়ে বর্ধিত সম্পদের স্বীকৃতি ইসলামে নেই। যেমন সুদি কারবার থেকে বর্ধিত সম্পদ বা মদ ও মাদকদ্রব্য বিক্রির ফলে অর্জিত সম্পদ অথবা জুয়ার আসর বা জুয়ার ক্লাব থেকে অর্জিত সম্পদ। কারও মালিকানায় অর্থসম্পদ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে পৌঁছে গেলে সমাজের কল্যাণের জন্য নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা আবশ্যক করা হয়েছে; জাকাত ও শরয়ি খরচের মাধ্যমে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। একইভাবে এক-তৃতীয়াংশের চেয়ে বেশি সম্পদে অসিয়ত করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যাতে দুই-তৃতীয়াংশে উত্তরাধিকারীদের হক সুরক্ষিত থাকে। 

ইসলাম অর্থসম্পদ ব্যয়ের ক্ষেত্রেও মধ্যপন্থা অবলম্বনের শর্তারোপ করেছে; অপচয়ও করা যাবে না, কৃপণতাও করা যাবে না। আল্লাহ তায়ালা বলেছেনÑ ‘এবং তারা যখন ব্যয় করে তখন অপব্যয় করে না, কার্পণ্যও করে না; বরং তারা আছে এতদুভয়ের মাঝে মধ্যম পন্থায়।’ (সূরা ফুরকান : ৬৭)।

একইভাবে অবৈধ খাতে, ইসলামি শরিয়ত যেসব বিষয় হারাম করেছে সেসব ক্ষেত্রে সম্পদ ব্যয় করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। জনসাধারণের উপকারের স্বার্থে মালিককে ন্যায্য বিনিময় প্রদানের মাধ্যমে সম্পদ নিয়ে নেওয়ারও বৈধতা দেওয়া হয়েছে। যেমন জনপথ প্রশস্ত করার জন্য সম্পদ অধিগ্রহণ করা।

ইসলামি রাষ্ট্রে প্রত্যেক ব্যক্তিই সম্পদের এ অনুপম অনন্য ব্যবস্থা ভোগ করে থাকে, হোক তারা মুসলিম বা অমুসলিম। এভাবে তারা অনেক সম্পদের মালিকও হতে পারে। উদাহরণত, দশম আব্বাসি খলিফা মুতাওয়াক্কিলের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও একান্ত বিশ্বাসভাজন খ্রিষ্টান বুখতাইশু বিন জিবরিল পোশাক-আশাকে, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে, ধনসম্পদে খলিফার মতোই ছিলেন। একই সময়ে এসব লোক গণমালিকানার কল্যাণে প্রাচুর্য ও বৈভব ভোগ করেছেন। 

ইসলামে এমনই মালিকানার স্বাধীনতা। এটা সবার জন্য সুনিশ্চিত অধিকার। কিন্তু শর্ত এই যে, এ অধিকার ব্যবহার করে গণকল্যাণের ক্ষতি করা যাবে না এবং অন্যদের ব্যক্তিগত কল্যাণ বিনষ্ট করা যাবে না।


নারীদের নাক ও কান ফোঁড়ানো
নারীদের নাক ও কান ফোঁড়ানো নিয়ে ধর্মীয় দিক থেকে বিভিন্ন
বিস্তারিত
পশুপাখির প্রতি নবীজির ভালোবাসা
নবীজি পশুপাখির প্রতি দয়া ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। সাহাবিদের শিখিয়েছেন
বিস্তারিত
হজে মাথা মুন্ডানোর ফজিলত
হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুল (সা.)
বিস্তারিত
জমজমের পানিতে অলৌকিক নিদর্শন
জমজম কূপের পানি আল্লাহর কুদরতের এক বিস্ময়কর নিদর্শন। প্রতি বছর
বিস্তারিত
খিদমাহ ব্লাড ব্যাংক : একটি
‘সৃষ্টির সেবায় স্রষ্টার সন্তুষ্টি’Ñ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে একঝাঁক মানবতাপ্রেমী
বিস্তারিত
ইন্দোনেশিয়ায় হাফেজদের বিনা পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি মানেই পরীক্ষা নামক চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হওয়া। তারপরও
বিস্তারিত