বিধ্বস্ত এই তারুণ্য!

নিষিদ্ধ নেশার কালো পথ এবার ছাড়তেই হবে

যারা মারছে, যারা মরছে, যারা মৃত্যুর প্রহর গুনছে- এরা সবাই তো কেউ না কেউ আপনার আমার অতি আদরের সন্তান। ক্রসফায়ারের মত এতবড় একটা ভয়াবহ ঘটনায় করুণ মৃত্যুর পরেও একটা তরুণের লাশকে ঘৃণাভরে থুথু ছিটাতে, কিংবা লাইন ধরে ‘জঘণ্য খুনী’কে দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষের ভীড়! উহ, কল্পনাও করা যায় না।

আমি কষ্টে নির্বাক হয়ে গেছি দশ মাস নিজের জঠরে ধারণ করা মা ও অতি আদুরে এ-ই ছেলেটার লাশটাকে দাফনের জন্য কারও একটু করুণা বা সাহায্য পায়নি। অনেকেই এ-ই জন্মদাত্রী মা’কেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছে!

কবরের একটু মাটিও এ-ই তরুণের ভাগ্যে জুটল না! শুনেছি, নেশার টাকা যোগাড় করতে নিহত ছেলেটা তার মাকেও বেশ ক’বার মেরেছে। বরগুনার মত ছিমছাম ছোট্র শহরটা কোপাকুপি, খুনোখুনি, রক্তারক্তি, গালাগালি, ভয়ার্ত, বিভৎস্য নারকীয়তার এক অসভ্য জনপদের খ্যাতি পেয়ে গেল কয়েক মিনিটের ঘটনায়।

অথচ শান্তিপ্রিয়, সংগ্রামী, অতিথিপরায়ণ এ-ই সাগরপাড়ের জেলাটার এ জাতীয় বদনাম তেমন শোনা যায়নি। এ-ই দেশের বহু তরুণকে ‘মুরগী মিলন’, ‘কুত্তা লিটন’, ‘ব্যাঙা বাবু’, ‘ছেড়া আকবর’, ‘কোপা শামসু’, ‘নয়ন বণ্ড’, ‘রামদা রিফাত’- ইত্যাকার নানা কুখ্যাত ট্যাগ লাগিয়ে নির্মম পরিণাম ভোগ করতে হয়েছে, কিংবা হবার অপেক্ষায় রয়েছে।

যুক্তি আছে, এদের পেছনে নাকি মদদদাতারা আছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, জন্ম দিয়ে ছেড়ে দেয়াই কি বাবা মা'র কাজ? এ-ই সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা গুরু, সমাজ ব্যবস্থা কোন কিছুই কি এদের শোধরানোর দায়িত্ব পালন করবে না? বরগুনার দুটো তরুণের করুণ মৃত্যু দেশটাকে কাঁপিয়ে দিল। এর পরেও ছেলেদের হাতে খেলনা পিস্তলের মত চাইনিজ রাইফেল, মুড়ি মুড়কির মত গাঁজা ইয়াবা, কিংবা ছুরি চাপাতি সাপ্লাইয়ের কাজ তলে তলে ঠিকই চলেবে।

একটা ঘটনা ঘটলেই মিডিয়ার হুড়োহুড়ি, দোষারোপের ছড়াছড়ি, দায় এড়ানোর মহড়া চলতেই থাকে। অথচ এই বিপন্ন তারুণ্যকে সুনাগরিক বানানোর উপদেশ দেবার চেয়ে তার মেধা ও যোগ্যতাকে মস্ত লাঠিয়াল বানানোর চেষ্টার কোন কমতি নেই। আর কেউ পাশে থাক বা না থাক, এই সব জঞ্জালের মধ্যেও খুঁজতে হবে আলোর পথ। Enough is Enough. আসুন, সবাই ভুল শোধরাতে ব্যস্ত হই।

লেখক- মো. নুরুজ্জামান, সাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, বরগুনা।


ব্লু মক্স সুলতান আহমদের অমর
ইস্তানবুলের প্রাচীন স্থাপত্যের এক অন্যতম নিদর্শন হচ্ছে আহমেদীয়া মসজিদ। পশ্চিমারা
বিস্তারিত
অপরূপ নিদর্শন ইস্তানবুলের সুলাইমানিয়া মসজিদ
তৃতীয় দিন আমরা ঠিক করলাম সুলাইমানিয়া মসজিদটি দেখতে যাবো। সেখানে
বিস্তারিত
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে তালের শাঁস
পাকা তালের রস, কচি তালের শাঁস, অংকুরিত তালের আটির ভেতরের
বিস্তারিত
ইস্তানবুলের পথে পথে
ঈদের ছুটিঁতে স্বপরিবারে তুরস্কের রাজধানী ইস্তানবুলে গিয়েছিলাম। যার আবেশ এখনো
বিস্তারিত
একজন অসৎ ব্যক্তি কখনোই দেশপ্রেমিক
দিন দিন পরিচিত মানুষের সংখ্যা যত বাড়ছে সেই অনুযায়ী শ্রদ্ধা
বিস্তারিত
গরমে সবচেয়ে বিপদ কাদের?
কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ্ব জুড়ে নানা দেশে চলছে তীব্র দাবদাহ
বিস্তারিত