হৃদয়-ঝরা বৃষ্টির জল

আমার হৃদয়ে অঝোরধারায় বৃষ্টি ঝরে অনেকদিনÑ

ধুলোবৃষ্টি, সাদাবৃষ্টি, কালোবৃষ্টি, লালবৃষ্টি কিংবা এসিডবৃষ্টি।
নীলাভ-নিদাগ আকাশ যেমন থেকে-থেকে মেঘাচ্ছন্ন হয়,
গুরুমগুম হাঁকডাক দেয়, তেমনই। চমকায় কত বিজলি!
চাঁদের আকর্ষণে যেমন সাগরে আসে জোয়ারভাটা, 
সাগর উত্তাল হয়, ভাঙাগড়া হয় ঠিক তেমনই।

হায়, আমার ফেনিল হৃদয়েও ওঠে ঢেউয়ের তা-ব, ম্যাসাকার;
তারপর কখনও মুষলধারায় কখনও বা ঝরঝর-ঝিরঝির ধারায়Ñ
ঝরতে থাকে বেদনার্ত প্রস্রবণ! আমি হই বেসামাল আকাশ।

ডাস্টবিনে শিশুর কান্না দেখলেই নামে তাই এসিডবৃষ্টি,
জ্বালিয়ে দিতে চায় বেশরম সভ্যতা ও পাশবিক হৃদয়!
নিরীহ পথ কিংবা ঘরের ভেতর দেখলেই রক্তাক্ত লাশÑ
হৃদয়ে বয়ে যায় ফনির আঘাত আর ঝরে লাল লালবৃষ্টি।
লঞ্চ-বাস বা দালানের ফাঁদে শোকাতুর লোকের কান্নায়,
আমার পেলব-হৃদয়ে ঝরে শোকার্ত কালোবৃষ্টির ঢলÑ
মজলুমের কান্না, ভাঙাচোরা পথ, যানজটে নাকাল,
দেখলেই আমার শান্ত-হৃদয়ে ঝরে নর্দমার ঘোলা-ধুলোবৃষ্টি।

অথচ কখনও বেদনাক্লিষ্ট মানুষের মুখের স্বস্তির হাসিটাও
আমার হৃদয়ে ঝরায় কী যে সাদাবৃষ্টির স্বচ্ছতোয়া জল।
আমার অদ্ভুত হৃদয়ে জোয়ারভাটার এ সফেন রোগ
বইতে চাই না আর। কেউ করতে পার নাকি নিরাময়?


প্রসন্ন সাঁঝের পাখি ও ভয়াল
পাটাতনে বসে আহত পালাসি-গাঙচিল বিস্ফারিত নয়নে আমাদের দেখছে। ধীরে ধীরে
বিস্তারিত
জল : ০১
কাজল কাননে পায়ের আলোতে রবির ঘুম ভাঙে রোজ যাপিত সংসার সুখ-দুখে
বিস্তারিত
মাঝ রাতে মির্জা গালিবের শের
আরেক বার দেখা হলে অশুদ্ধ কিছু হবে না মহাভারত, চাই
বিস্তারিত
১৪ বছর বয়সি
রেখা এখন ক্লাস টেন, ক্লাস সিক্স থেকে শুরু হওয়া অপেক্ষা
বিস্তারিত
তুমি যদি এসে
এইসব শিশির ভেজা ফসলের মাঠ নতুন ভোরের সোনালি রোদ্দুর  কৃষকের হাসিমাখা
বিস্তারিত
দেহের নিমন্ত্রণে
কেউ ডাকে দেহের নিমন্ত্রণে কেউ প্রেমেরÑ সঙ্গোপনে কেউবা নিছক খেয়ালের বশে
বিস্তারিত