মওলানা রুমির মসনবি শরিফ (কিস্তি-১৭৯)

তোতার বুলি শেখার নেপথ্য কথা

মসনবি শরিফের পা-ুলিপি, ওয়াল্টার আর্ট মিউজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, ১৬০০ শতক

এরা ক্রেতা খুঁজে বেড়ায়। দাওয়াত বাগানো, মুরিদ জোগাড় করাই উদ্দেশ্য। এদের দৃষ্টি সংকীর্ণ, মনের উদারতা নেই। সরগরম বাজার পাওয়াই তাদের লক্ষ্য। হকিকতের চাঁদ না দেখেই এরা চাঁদের শতরূপ বর্ণনা করে। মানুষ জোটায়। লোকদের গোমরাহ করে। মুশতারি বা ক্রেতার প্রসঙ্গ আসায় মওলানার চিন্তা চলে গেল ঊর্ধ্বলোকে। তিনি বলেন, এরা ক্রেতা খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু একজন ছাড়া অন্য ক্রেতার সঙ্গে কেনাবেচা করলে তো ঠকতে হবে। জীবন বরবাদ হয়ে যাবে। কারণ আমাদের ক্রেতা তো একজন

 

এক তোতা আয়নায় নিজের ছবির প্রতিফলন দেখে মনে করল, তার মতো আরেক তোতা এগিয়ে এসেছে, কথা বলতে চায়। তখন আয়নার পেছনে লুকিয়ে একজন প্রশিক্ষক কথা বলল গোটা গোটা বুলিতে। তোতা ভাবল, সামনে উপস্থিত তোতা তার সঙ্গে কথা বলছে। তোতা তখন বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে লাগল। তোতা যদি জানত যে, কোনো মানুষ তার সঙ্গে কথা বলছে, তাহলে সে কথা বলত না। কারণ মানুষ তার সমগোত্রীয় কেউ নয়। অতীতে তোতার মুখে বুলি ফোটানোর এটিই ছিল কায়দা। আয়নার পেছনে দক্ষ প্রশিক্ষক লুকিয়ে গোটা গোটা উচ্চারণে কথা বলত। আয়নার ছবিতে সমজাতীয় তোতা তার সঙ্গে কথা বলছে মনে করে সে কথা রপ্ত করার জন্য বারবার আওড়াত। এভাবেই তোতার মুখে বুলি ফোটানো হতো। কারণ ছিল, তোতা তার সমজাতের কেউ না হলে তার কাছ থেকে বুলি শেখে না।
মওলানা রুমি (রহ.) বলেন, সাধারণ মানুষের ক্ষমতা ও যোগ্যতা নেই, ওহির উৎস ছাড়া মহান রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে, কথা বলবে। এ কারণে ইনসানে কামিল, পূর্ণ মানবীয় যোগ্যতার অধিকারী মহামানবরা মধ্যস্থ হয়ে মানুষকে আসমানি জ্ঞানের সবক দিয়েছেন। তারাও ছিলেন নবী-রাসুল (আ.) এবং মানুষের সমজাতের। মানবসম্প্রদায় থেকেই তাদের নির্বাচিত করেন আল্লাহ তায়ালা। যাতে মানুষ তাদের আপনজন ভেবে তাদের কাছ থেকে দ্বীনের তালিম নেয়। তাদের উপমা তোতার সম্মুখের আয়না। আয়নার পেছনে আসল তালিমদাতা স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা। আল্লাহ তায়ালাই নবী-রাসুলদের সঙ্গে অদৃশ্যে থেকে কথা বলেন। কোরআন মজিদের ভাষায়Ñ ‘তিনি (রাসুল সা.) মনগড়া কোনো কথা বলেন না। বরং এ তো (কোরআন) ওহি, যা তাঁর কাছে প্রত্যাদেশ হয়।’ (সূরা আন নাজম : ৩, ৪)।
আফসোস হলো, বাহ্যদর্শী লোকেরা নবী-রাসুলদের উচ্চারিত ভাষার বাইরের রূপটাই দেখে। ভাষার ভেতরের যে প্রাণসত্তা, তা বুঝতে পারে না। এরা তোতা পাখির মতো নবী-রাসুল ও আউলিয়ায়ে কেরামের কথার বুলি আওড়ায়। এসব বুলির চর্চা করে দুনিয়া কামাই ও উপার্জনের ব্যবস্থা করে। হায়াতুল হায়ওয়ান কিতাবে বর্ণিত আছে, বাদশাহ হারুনুর রশীদের একটি তোতা পাখি ছিল, সেই তোতা সূরা ইয়াসিন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুখস্থ পাঠ করে শোনাত। অনেক জ্ঞানী আছেন, তারা আল্লাহর কালামের বাণী তোতা পাখির মতো মুখে মুখে আওড়ান। অথচ তার অন্তর্নিহিত হকিততের খবর তাদের নেই।
মওলানা রুমি (রহ.) আরও বলেন, আল্লাহর ওলিদের সামনে গিয়ে অনেক মানুষ নিজের ছবিই দেখে। তার বাহ্যিক অবয়ব দেখে বিচার-বিশ্লেষণ করে। তোতা যেমন আয়নায় প্রতিফলিত তার নিজের ছবি দেখে, আয়নার পশ্চাতে লুকায়িত মানুষটিকে দেখে না, জাহেরি দৃষ্টির এসব জ্ঞানীও ওহিলব্ধ জ্ঞানের মাহাত্ম্য বুঝে না, বোঝার চেষ্টাও করে না। আল্লাহর কালাম তোতার মতো তেলাওয়াত করে, মুখস্থ করে কিংবা বাহ্যিক অর্থ পাঠ করে নিজেকে অনেক বড় জ্ঞানী বলে জাহির করে। 
একইভাবে কিছু লোক পাখিদের বুলি শেখে। মুখে আওড়ায়। মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে। বাহবা কুড়ায়। কিন্তু পাখির মনের ভাব তারা বুঝতে পারে না। সৌভাগ্যবান বাদশাহ নবী সুলায়মান (আ.) পাখিদের বুলির মর্ম বুঝতেন। মানব সমাজে কোরআন ও হাদিসের জ্ঞানের প্রচারক, আধ্যাত্মিক তত্ত্বকথার প্রবক্তা প্রচুর আছে। এরা পূর্বের মনীষীদের বিভিন্ন উক্তি শিখে, ওলি বুজুর্গদের মুখের বচন রপ্ত করে তা নিয়ে বাজার সরগরম রাখে আর দুনিয়াা কামাইর ব্যবস্থা করে।
হারফে দারবীশা’ন বাসী আ’মূখতান্দ
মিম্বারো মাহফেল বেদা’ন আফরূখতান্দ 
দরবেশদের বুলি অনেকেই শিখে মুখে মুখে
মিম্বর ও মজলিসে আলো ছড়ায় বুলি আওড়িয়ে।
এই শ্রেণির লোকদের পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে, সে সম্পর্কে মওলানা বলেনÑ
য়া’ বজুয আ’ন হারফেশা’ন রূযী নাবুদ 
য়া’ দার আখের রাহমাত আ’মাদ রাহ নামূদ
হয়তো এসব বুলি ছাড়া তাদের কপালে কিছু নাই লেখা
নয়তো শেষে রহমত নেমে দেখাবে তাদের পথের দিশা।
এই লোকদের সামনে দুটি অবস্থার বিকল্প নেই। হয়তো এভাবে বুলি আওড়ানোর মধ্যেই তাদের জীবন শেষ হয়ে যাবে। ভালো কিছু নসিবে জুটবে না। অথবা শেষ পর্যন্ত আল্লাহর রহমত এসে তাদের সহায় হবে, সঠিক পথের দিশা দেবে। তবে বড় আফসোস হয়, যারা ধর্মের নানা কথার ফুলঝুরিতে মজলিস মাহফিল গুলজার করেন। দরবার ও খানকাভক্ত মুরিদের জমকালো আসর জমান। অথচ নিজেদের চর্চিত বুলির ভেতরে যে মর্মবাণী তার খবর জানার আগ্রহ ও উপায় কোনোটাই তাদের নেই। মওলানা একটি ছোট্ট গল্পের অবতারণা করে বুঝিয়ে বলেন, অনেকেই দাবি করেন তারা বড় জ্ঞানী, তাদের আছে দিব্যদৃষ্টি। কিন্তু মারেফতের সূর্য তাদের অন্তর্জগৎকে তাপিত করেনি। ফলে তাদের অন্তরের অন্দর মহলে অন্ধকার হাহাকার করে।
এক বুজুর্গ চিল্লায় বসেছিলেন। চিল্লা শব্দের উৎপত্তি ফারসি চেহেল বা চেল থেকে। মানে চল্লিশ। একটানা চল্লিশ দিন সংসারের সংশ্রব ত্যাগ করে দুনিয়ার আকর্ষণ লোভমোহ থেকে মনকে বিচ্ছিন্ন করার সাধনাকে বলা হয় চিল্লা। মুসা (আ.) তাওরাত কিতাব আনার প্রস্তুতি হিসেবে ত্রিশ দিন রোজা রাখেন। এক মাস শেষ হলে তাকে অতিরিক্ত আরও দশ দিন রোজা পালনের হুকুম দেওয়া হয়। তারপরই তাকে কুহে তুরে তাওরাত কিতাব দেওয়া হয়। কোরআন মজিদে বর্ণিত এ ঘটনাকে চিল্লার পক্ষে দলিল দেন সুফিসাধকরা। 
যাই হোক, চিল্লার মেয়াদে এক দরবেশ স্বপ্নে দেখেন রাস্তার ধারে একটি মাদি কুকুর। কুকুরটির পেটের ভেতর বাচ্চারা চিৎকার-চেঁচামেচি করছে। ঘুম ভেঙে গেলে বুজুর্গ চিন্তায় পড়ে যান স্বপ্নের ব্যাখ্যা নিয়ে। মায়ের পেটে কুকুরছানা ঘেউ ঘেউ করে, জগতে কী কেউ এমন ঘটনা দেখেছে? অথচ এই স্বপ্ন দেখেছেন চিল্লা চলাকালীন মেয়াদে। কাজেই একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারও কাছে এ স্বপ্নের ব্যাখ্যা পাওয়ার আশা নেই। তিনি ফরিয়াদ জানালেন, প্রভু হে! আমার মনের পেরেশানি দূর কর, এ রহস্যের কূলকিনারা করে দাও।
আ’মাদাশ আওয়া’জে হাতেফ দার যামান
কা’ন মেসালী দা’ন যে লা’ফে জা’হেলা’ন
তখনই একজন আওয়াজ দিলেন অদৃশ্য থেকে
এই স্বপ্নকে জান মূর্খ-জাহেলদের উপমারূপে।
এই স্বপ্নের মাধ্যমে তোমার সামনে মূর্খ-জাহেলদের পরিচয় ব্যক্ত করা হয়েছে। মূর্খ-জাহেলরা বড় বড় আস্ফালন আর গলাবাজি করে। অথচ তারা এখনও আমিত্বের গ-ি অতিক্রম করতে পারেনি। কিংবা মনুষ্যসুলভ পর্দায় আচ্ছাদিত। অন্তরালে বিরাজিত খবর জানার যোগ্যতা অর্জন করেনি। অন্ধ অনুকরণ করে অন্যের মুখের বুলি আওড়ায়। তাদের অবস্থা মায়ের পেটে কুকুরছানার ঘেউ ঘেউ চিৎকার। এ চিৎকার তো অনর্থক। এমন আওয়াজ দিয়ে কোনো শিকার ধরার সুযোগ নেই। গৃহস্থের বাড়ি পাহারার কাজও হয় না তাতে। এরা অনভিজ্ঞ, অপরিপক্ব; তাই গলাবাজি করে, জ্ঞানের বাহাদুরি আর বুজরুকি দেখায়। এরা লোভী, নেতৃত্ব চায়। 
আয হারীচী ওয়ায হাওয়ায়ে সারওয়ারি
দর নাযার কুন্দ ও বে লাফিদান জরী।
লোভের চোটে ও নেতৃত্ব পাওয়ার আশায়
দৃষ্টি সংকীর্ণ এরা আস্ফালন করে স্পর্ধা দেখায়।
এরা ক্রেতা খুঁজে বেড়ায়। দাওয়াত বাগানো, মুরিদ জোগাড় করাই উদ্দেশ্য। এদের দৃষ্টি সংকীর্ণ, মনের উদারতা নেই। সরগরম বাজার পাওয়াই তাদের লক্ষ্য। হকিকতের চাঁদ না দেখেই এরা চাঁদের শতরূপ বর্ণনা করে। মানুষ জোটায়। লোকদের গোমরাহ করে। মুশতারি বা ক্রেতার প্রসঙ্গ আসায় মওলানার চিন্তা চলে গেল ঊর্ধ্বলোকে। তিনি বলেন, এরা ক্রেতা খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু একজন ছাড়া অন্য ক্রেতার সঙ্গে কেনাবেচা করলে তো ঠকতে হবে। জীবন বরবাদ হয়ে যাবে। কারণ আমাদের ক্রেতা তো একজন।
মুশতারিয়্যে মা’স্ত আল্লাহুশ তারা’
আয গামে হার মুশতারি হীন বারতার বিয়া’
আমাদের ক্রেতা আল্লাহই কিনেছেন আছে কোরআনে
অন্য ক্রেতার ধান্ধা ছেড়ে যাও এগিয়ে ঊর্ধ্বপানে।
মুসলমানের সব কাজ তো হবে আল্লাহর ওয়াস্তে। মুসলমানের জীবন ও সম্পদ তো আল্লাহই ক্রয় করে নিয়েছেন। মওলানা রুমি এখানে কোরআন মজিদের নিম্নোক্ত আয়াতের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। 
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ মোমিনদের কাছ থেকে তাদের জীবন ও সম্পদ ক্রয় করে নিয়েছেন, এর বিনিময়ে যে, তাদের জন্য জান্নাত আছে। তারা আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করে। নিধন করে ও নিহত হয়। তাওরাত, ইনজিল ও কোরআনে এ সম্পর্কে তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি রয়েছে। নিজ প্রতিজ্ঞা পালনে আল্লাহ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর কে আছে? তোমরা যে সওদা করেছ তার জন্য আনন্দিত হও এবং এটিই তো মহাসাফল্য।’ (সূরা আহজাব : ১১১)। 
মওলানা রুমি বলেন, এ অবস্থায় উপনীত হওয়ার জন্য তোমাকে প্রথমে মনস্থির করতে হবে। তোমার ভালোবাসার বন্ধন হতে হবে একজনের সঙ্গে। দেখ, তুমি প্রেম করতে চাও। তুমি কি দুজন প্রেমাষ্পদের সঙ্গে প্রেম বিনিময় করবে, এত বড়ই গর্হিত, খেয়ানত, বিশ্বাসঘাতকতা হবে। এমন তো হতে পারে না যে, মানুষ শয়তানকে ভালোবাসবে আবার রহমান আল্লাহর সঙ্গেও ভালোবাসার বন্ধন স্থাপন করবে। এখানে নিম্নোক্ত আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে, ‘আল্লাহ কোনো মানুষের অভ্যন্তরে দুটি হৃদয় সৃষ্টি করেননি।’ (সূরা আহজাব : ৪)।
চিন্তা কর, তোমাকে পুঁজি দেওয়া হয়েছে জ্ঞানের, বুদ্ধির ও বিবেচনার। তুমি যদি এ পুঁজি দুনিয়া অর্জনের পেছনে উজাড় করে দাও, তাহলে অবশ্যই তোমার এ ব্যবসা গোল্লায় যাবে, তুমি দেউলিয়া হয়ে যাবে। কেননা লোভ মানুষকে অন্ধ করে। সাবধান! দুনিয়ার লোভ তুমি সামাল দাও। লোভ তোমাকে অন্ধদিল বানায়। প্রকৃত সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত করে। লোভের ফাঁদে ফেলে শয়তান কাঁধে সওয়ার হয়। পরে নিজে যেভাবে বিতাড়িত হয়েছে সেভাবে আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত, বিতাড়িত ও অপদস্থ করে। কাবাঘর ধ্বংস করতে আসা হস্তি বাহিনী এবং সমকামিতায় আসক্ত জাতি লুত সম্প্রদাযের ভয়াবহ পরিণতির কথা চিন্তা কর। শিক্ষা নাও। একমাত্র ধৈর্যই তোমাকে এসব পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি জোগাতে পারে। কেননা ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ (সূরা আনফাল : ৪৬)।


(মওলানা রুমির মসনবি শরিফ ৫খ.
বয়েত-১৪৩০-১৪৭২)


তাওয়াফের কিছু ভুলত্রুটি
আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আমি কাবা ঘরে ঢুকে সালাত আদায় করতে
বিস্তারিত
ইসলামে নৈতিকতার চর্চা
ইসলাম মহান আল্লাহপাকের দেওয়া এক পূর্ণাঙ্গ পরিপূর্ণ ও প্রগতিশীল জীবন
বিস্তারিত
ভিন্নমত পোষণকারীদের প্রতি আচরণবিষয়ক সেমিনার
গেল ১২ জুলাই সন্ধ্যায় ফিকহ একাডেমি বাংলাদেশ কর্তৃক ফিকহবিষয়ক চতুর্থ
বিস্তারিত
বিদায় হজের ভাষণে জানমালের নিরাপত্তার
মহানবী (সা.) তাঁর বিদায় হজে আরাফার দিন উরনা উপত্যকায় নিজ
বিস্তারিত
মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহিমের সমর্পিত
হজের মৌসুম এলে হৃদয়পটে যার স্মৃতি ঝলমল করে তিনি ইবরাহিম
বিস্তারিত
তামাত্তু হজের সহজ নিয়ম
পবিত্র হজ ইসলামের মৌলিক ইবাদতের মধ্যে অন্যতম। এই গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত
বিস্তারিত