আমরা হাঁটি শহীদ মিনারের দিকে

বিধ্বস্ত রক্ত ভেজা পলি, এভাবে গড়াগড়ি খায়Ñ

হরিণির সাড়ে বারোহাত লাফ, থেমে যায়Ñ

কেওড়া ছড়ানো বুনো গহিন সমান্তরাল

গোধূলি গান ছোট হয়ে আসে, মোটা শব্দাবলি, মুক্তবাঁকÑ

ফুল হতে বৃক্ষজয়, আমার চেনা পানামনগর থেকে নাগরিক;

কাঁটাচমচ ঘেরা বিশুদ্ধ উচ্চারণ-নৃত্যপরা নাভির নিচে

কারাগৃহ-আমরা হাঁটি শহীদ মিনারের দিকে...

 

বিষণœতার মিউজিয়াম

 

খোলা জানালা গলে ব্যথার বিম্বিত ধ্বনি ছুটে আসছে।

কানের কাছে, গহিন ক্রোধনে জমা শব্দের তলপেটÑ

পায়ের কাছে মাটি, নিজের কোলে শোয়ানো কবর

নীল বর্ণ গেদরভেদর রোদ-আপেল রঙ পোড়ায়

পালিয়ে যাচ্ছে-নিবিড় সম্পর্ক, ঘাসের ওপর-আতঙ্ক অধ্যায়

নারী ও ভোরপাখি আটকানো বিষণœতার মিউজিয়াম;

 

দু-হাতে ছাউনি বানানো, গোলপাতা ছায়া ছানার মতোÑ

মঙ্গলম প্রার্থনা। চোখে শঙ্কাহরা জল ঝাঁপিয়ে পড়ে

অজস্্র বাণীগুলো ওড়ে, ভয়ার্ত ঘামে-মানুষ সংসার!

 

আমার চোখ জন্ম দেয়

 

রাজপাঠ যোনির ভেতর জোড়া সংসার, ফেঁপে ওঠে চরÑ

জলবীজ জড়ানো এক মাটিলগ্ন কুমারী

জৈব পৃথিবীর গোপন ডুব তুলে দেয়Ñ

হসন্তময় পবিত্র দেহ হাত

সুউচ্চ রৌদ্রগাঢ় প্রেম-সোনালি ধান, বাবা বীজ বুনেছিল।

 

মাংসকুচি জন্মানো তার পবিত্র তলপেট

আমার চোখ জন্ম দেয়, নাভিকাটা সন্তান! 

 

 

অফেরতযোগ্য গোপন সংসার

 

হাততালি উড়ে যাও, অডিটোরিয়ামের দক্ষিণে

লবঙ্গলতিকার মতো জল শান্ত যেখানে নারীটি বসা

টান টান ছাপা শাড়ি, মৃদু হাসি-তার থুতুর ওপরে

শুয়ে থাকা হলুদ ধানক্ষেত ঠোঁট; বিভোর সমুদ্র

 

এ বাঁকানো উঠান আমার দীর্ঘহাতে মাপা কেবলি

বসন্ত বাগান, স্বপ্ন-ঘ্রাণে জমা

লবণাক্ত প্রেমের মুঠোতল, অফেরতযোগ্য গোপন সংসার!


দীপা
পহেলা ফাল্গুন। বইমেলায় শাড়ি পরিহিতা সুশ্রী একজন লেখিকা ৩০১ নম্বর
বিস্তারিত
মেঘ শুধু মেঘ নয়
মেঘ শুধু মেঘ নয়; খুঁজেছো কি মেঘে তুমি কিছু  শাদা
বিস্তারিত
আলো অন্ধকারে যাই
ভ্যান থেকে যখন নামল সে, বহু মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। সন্ধ্যা
বিস্তারিত
চেতনা বিকাতে পারি
  যিনি চেতনাবাজ হয়ে বেঁচে আছেন এক মেরদ-ী শিক্ষকের কথা বলি যিনি
বিস্তারিত
টুপটুপ রক্ত ঝরছে
কপালে লাল টিপ সেঁটে দৌড়ে ছুটছে লাল ষাঁড় শিং ছুঁয়ে
বিস্তারিত
মায়ের শরীরের একাংশ আমি
আমার অস্তিত্বের অঙ্কুরোদগম হয়েছিল এক মায়াবী নারীর গূঢ় কর্ষিত জঠরে
বিস্তারিত