অনিয়ম অব্যবস্থাপনায় শেষ হলো জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন

নানা অনিয়ম অব্যস্থাপনায় শেষ হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রলীগের দ্বিতীয় সম্মেলন। সম্মেলন মঞ্চের সামনে ‘সিন্ডিকেট মানি না’ সহ নানা আপত্তিকর স্লোগানের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বক্তব্য দিতে গিয়েও রাগ করে মঞ্চে বসে পড়েন।

‘চাইলে শিক্ষার উন্নয়ন, শেখ হাসিনার প্রয়োজন’ স্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার বিকেল ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। যদিও সম্মেলন শুরুর কথা ছিল ১১ টায় কিন্তু কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী নির্ধারিত সময়ের প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টা পর এবং প্রধান অতিথি আসার ৩ ঘন্টা পর তারা সম্মেলন স্থলে আসেন।

প্রধান অতিথি আসাদুজ্জামান খান কামাল বক্তব্যের শুরুতে বলেন, আমিতো সময় মতো এসেছিলাম কিন্তু শোভন-রব্বানী দেরী করেছে। পরে তিনি সংক্ষেপ বক্তব্যে বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত কারার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ছাত্রলীগকে সরকারের সাথে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। যারা নেতা সিলেকশন করবেন তারা যেনো দক্ষ, উপযুক্ত, মেধাবী ও ছাত্র বান্বব নেতা সিলেক্ট করতে বলা হয়। নেতা হবে দুইজন, যারা নেতা হতে পারবে না তারা যেনো নেতাদের পাশে থেকে দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের কাজে সহায়তা করে।

সম্মেলনের উদ্ধোধন করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

এদিকে সম্মেলন স্থলে দেখা যায়, সকাল থেকেই নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন রঙের টি-শার্ট পরে ক্যাম্পাসে স্লোগান দিতে থাকে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভাড়া করা লোক নিয়ে এসে নিজেদের কর্মী বানানোর চেষ্টা করে। দেখা যায়, অনেক স্কুল পড়–য়া ছেলেও এসব টি শার্ট পরে মিছিল শোডাউনে অংশ নেন। বহিরাগতরা প্রশাসনিক ভবনের ভিতরে ঢুকেও বিভিন্ন ভাইদের নামে স্লোগান দিতে থাকেন।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদানের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী মঞ্চে উঠলে মঞ্চের সামনে থাকা কর্মীরা ‘সিন্ডিকেটের কালো হাত ভেঙ্গে দাও, গুড়িয়ে দাও’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। স্লোগান বন্ধ করতে বললেও আল আমিন শেখের নেতৃত্বে স্লোগান চলতে থাকে। পরে নজরুল ইসলাম বাবু, এমপি’র হস্তক্ষেপে স্লোগান বন্ধ হয়। এতে গোলাম রব্বানী বক্তব্য না দিয়ে মঞ্চের চেয়ারে বসে পড়েন।

সম্মেলনে আরো বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাযনির্বাহী সদস্য এ্যাড. কাজী নজীবুল্লাহ হিরু, নারায়নগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুসহ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা।

এদিকে সম্মেলনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার জন্য সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন পুলিশ বাহিনী। এ বিষয়ে কোতয়ালি থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার সাইফূল আলম মুজাহিদ বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সম্মেলনকে ঘিরে আমরা অতিরিক্ত ফোর্স সংযুক্ত করেছি। ক্যাম্পাসে যাতে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা না ঘটে সেদিকে আমাদের কড়া নজর আছে। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।’

উল্লেখ্য, প্রেম ঘটিত বিষয়ে সংঘর্ষের জেরে তরিকুল-রাসেল কমিটি ১৯ ফেব্রুয়ারি কমিটি বিলুপ্ত করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কমিটি বিলুপ্তির প্রায় ৬ মাস পরে সম্মেলন হচ্ছে।


বিএনপিকে ধ্বংসের চক্রান্ত করছে সরকার:
একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ফরমায়েশী রায়ের মাধ্যমে সরকার বিএনপিকে
বিস্তারিত
‘২১ আগস্ট হত্যাকান্ড নিয়ে উপহাসকারীদেরও
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান
বিস্তারিত
খালেদা জিয়ার সেই ‘স্কুটি সঙ্গী’
তিনি খালেদা জিয়ার ‘স্কুটি সঙ্গী’ হিসেবে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। বিএনপি
বিস্তারিত
তারেক রহমানের ফাঁসি দাবি ওবায়দুল
আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রক্তাক্ত
বিস্তারিত
গ্রেনেড হামলা মামলার পেপারবুক তৈরির
আগামী তিন-চার মাসের মধ্যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার পেপারবুক
বিস্তারিত
গ্রেনেড হামলায় শহীদদের প্রতি আ’লীগের
একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।
বিস্তারিত