সওয়াল

মুফতি আবদুল মালেক

শিক্ষা সচিব, মারকাযুদ্দাওয়া আল ইসলামিয়া, ঢাকা

প্রশ্ন : আমি ভার্সিটির ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করি। টিউশনি থেকে প্রাপ্ত টাকা দিয়ে প্রয়োজন পূর্ণ করার পর অবশিষ্ট টাকা ব্যাংকে জমা করি। এভাবে ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা হয়েছে। তিন মাস আগে মামার একটি বিপদে সে টাকাগুলো তাকে ঋণ দিয়েছি। বর্তমানে আমার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো সম্পদ নেই। কোরবানির আগের জুমায় খতিব সাহেব মাসআলা বলেছেন, কেউ যদি ৪০ হাজার টাকা বা সে পরিমাণ সম্পদের মালিক হয় তাহলে তার উপর কোরবানি ওয়াজিব। তার কাছে যদি নগদ টাকা না থাকে তাহলে কিছু সম্পদ বিক্রি করে বা ঋণ নিয়ে হলেও  কোরবানি দিতে হবে। 

প্রশ্ন হলো, এ অবস্থায় আমার উপর কি কোরবানি ওয়াজিব? খতিব সাহেবের কথা অনুযায়ী আমাকে ঋণ নিয়ে কোরবানি করতে হবে? মাসআলাটির সমাধান জানালে কৃতজ্ঞ হব।

মুহাম্মাদ হুসাইন, মুসলিম বাজার, ভোলা

 

উত্তর : প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার কর্তব্য মামার কাছ থেকে এ পরিমাণ টাকা ফেরত চাওয়া, যা দিয়ে আপনি একটি কোরবানি আদায় করতে পারবেন। যদি তিনি তা দেন তাহলে তা দিয়ে কোরবানি করা ওয়াজিব হবে। আর যদি তিনি তা না দেন আর আপনার কাছে কোনো জায়গা থেকে কোরবানির সমপরিমাণ টাকা হস্তগতও না হয় তাহলে কোরবানির শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। শেষ পর্যন্ত যদি কোরবানি দেওয়ার মতো কোনো সম্পদ আপনার হাতে না থাকে তাহলে আপনাকে ঋণ নিয়ে কোরবানি করতে হবে না। কেননা এক্ষেত্রে আপনার উপর কোরবানি ওয়াজিব নয়। খতিব সাহেব যে মাসআলা বলেছেন তা প্রয়োজন অতিরিক্ত অন্য সম্পদ থাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। (বাদায়েউস সানায়ে ৪/১৯৬; ফাতাওয়া বাযযাযিয়াহ ৬/২৮৬; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৭/৪৬৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩০৭; রদ্দুল মুহতার ৬/৩১৬)।


ঘুষখোরদের ওপর আল্লাহর লানত
অবৈধ আয়ের উদ্দেশ্যে জনগণের ওপর কখনও সরাসরি কখনও পরোক্ষভাবে জুলুম
বিস্তারিত
বাজারে সরবরাহ অব্যাহত রাখার ফজিলত ফিরোজ
  আল্লাহ আমাদের রিজিক দাতা। তিনি আমাদের দুনিয়ায় পাঠানোর আগে রিজিকের
বিস্তারিত
সুপারিশে সওয়াব মেলে
রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেনÑ আমি শুধুই একজন সুপারিশকারী। (অর্থাৎ এটা তোমার
বিস্তারিত
ব্যবসায়িক চুক্তি প্রসঙ্গে
প্রশ্ন : মোশাররফ ও হাসান একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছেন। শ্রম
বিস্তারিত
ঊর্ধ্বলোকের সূর্যের সন্ধানী হও
  এক লোকের বউটা ছিল দুষ্টু প্রকৃতির, লোভী ও পেটুক। তবুও
বিস্তারিত
পাথেয়
প্রত্যেকের সঙ্গে ফেরেশতা ও  শয়তান থাকে যুবাইর বিন সাঈদ থেকে বর্ণিত,
বিস্তারিত