নুসরাত হত্যামামলা: মনি সবার পরে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে

৬ এপ্রিল হল পরিদর্শক সবাইকে কাগজ দেয়া শেষে জিজ্ঞেস করেন, কে কাগজ পায়নি? কারণ তখন হল পরিদর্শক স্যারের হাতে একটি কাগজ বাকি ছিল। তার কিছুক্ষণ পর আমার সামনে বেঞ্চে বসা কামরুন নাহার মনি এসে ঢুকে। প্রায় ১৫ মিনিট পর। তার কিছুক্ষণ পর শুনি মাদ্রাসার সাইক্লোন সেল্টারের ছাদে নুসরাত জাহান রাফির শরীরে কারা আগুন দিয়েছে। তবে পরীক্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দিয়েছে মনি। 

রবিবার জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানান নুসরাত হত্যা মামলার সাক্ষী তাহমিনা আক্তার ও বিবি হাজেরা। রবিবার ১৭তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। তারা হচ্ছে তাহমিনা আক্তার, বিবি হাজেরা, আবু বকর সিদ্দিক ও স্থানীয় বাসিন্দা মো. আকবর হোসেন।

আবু বকর সিদ্দিক তার জবানবন্দিতে বলেন, যখন নুসরাতকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় নামাচ্ছিল তখন তার গায়ে কোনো কাপড় ছিল না। আমি আমার পাঞ্জাবি খুলে নুসরাতের গায়ে পরিয়ে দিই। তখন নুসরাতকে পাপোস ও পানি দিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা করেছে মাদ্রাসার পিয়ন ও পুলিশ কনস্টেবল।

এ মামলার ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। গত ২৭ জুন থেকে এ মামলার সাক্ষ্য কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুর পর থেকে প্রতি কর্মদিবসে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ চালিয়ে যাচ্ছেন। 

আজ সোমবার পুলিশ কনস্টেবল মো. রাসেল, জহির রায়হান, মো. আজহারুল ইসলাম, মো. ফারুক, এএসই আরিফুর রহমান সাক্ষ্য দিবেন।

এর আগে গত ২৭ জুন মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। পরে রাফির বান্ধবী নিশাত সুলতানা ও সহপাঠী নাসরিন সুলতানা, মাদ্রাসার পিয়ন নুরুল আমিন, নৈশপ্রহরী মো. মোস্তফা, কেরোসিন বিক্রেতা লোকমান হোসেন লিটন, বোরকা দোকানদার জসিম উদ্দিন, দোকানের কর্মচারী হেলাল উদ্দিন ফরহাদ, নুসরাতের ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হান, জহিরুল ইসলাম, হল পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন, নুসরাতের মা শিরিন আখতার ও শিক্ষক আবুল খায়ের, মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি সাবেক সদস্য শেখ আবদুল হালিম মামুন ও সোনাগাজী মাদ্রাসার দপ্তরী মো. ইউসুফ, সোনাগাজী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. হোসাইন, সোনাগাজী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইয়াছিন ও এ্যাম্বুলেন্স চালক নুরুল করিম, সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসার পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব মাওলানা নুরুল আফসার ফারুকী, সোনাগাজী মাদ্রাসার ছাত্রী তানজিনা বেগম সাথী ও মাদ্রাসা ছাত্রী বিবি জাহেদা বেগম তামান্না, মাদ্রাসার বাংলা বিভাগের প্রভাষক খুজিস্তা খানম, আয়া বেবী রাণী দাস, সহপাঠী আকলিমা আক্তার ও কায়সার মাহমুদ, মাদ্রাসার ছাত্রী ফাহমিদা আক্তার হামদুনা, নাসরিন সুলতানা ও হল পরিদর্শক কবির আহম্মদ, তাহমিনা আক্তার, বিবি হাজেরা, আবু বকর সিদ্দিক ও স্থানীয় বাসিন্দা মো. আকবর হোসেননে সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষ হয়। 

চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।


ফেনীতে যুবলীগকর্মী মানিক হত্যামামলা: চার্জশিটের
ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়ন যুবলীগ কর্মী রবিউল হক মানিক
বিস্তারিত
আশুলিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু
সাভারের আশুলিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক পাম্প শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। খবর
বিস্তারিত
আশুলিয়ায় কাভার্ড ভ্যানচাপায় রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু
ঢাকার আশুলিয়ায় ইউএসডি নামের কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কাভার্ড ভ্যানের চাপায়
বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মোড়গ্রামের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করলেন
বিস্তারিত
আমতলীতে মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন
বরগুনার আমতলীতে  শুক্রবার দুপুরে মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন মা ও
বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জে বালু উত্তোলনে ৭টি ড্রেজার
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার হলদার পাড়া ও বাচরা গ্রামে ৩টি স্পটে
বিস্তারিত