বাউফলে আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার অনিয়মের তদন্ত শুরু

পটুয়াখালীর বাউফলে দশ টাকার রেভিনিউ স্ট্যাম্প কেনার নামে অধীনস্থ আনসার কোম্পানি কমান্ডার, আনসার প্লাটুন কমান্ডার, ইউনিয়ন আনসার প্লাটুন কমান্ডার ও ইউনিয়ন সহকারী আনসার প্লাটুন কমান্ডারদের মাসিক সম্মানী ভাতা থেকে মাথা পিছু ২২০০ টাকা করে উৎকোচ নেয়ার অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।

সোমবার বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিজুস চন্দ্র দে প্রাথমিকভাবে তদন্ত করেন। এ সময় উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা ইসমেত আরা তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিজুস চন্দ্র দে বলেন, যেসব ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন তারা আজ উপস্থিত হননি। কিছু আনসার সদস্য ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমান্ডার উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাদের কাছ থেকে কোনো অভিযোগ পাইনি। ভুক্তভোগীরা এসে অভিযোগ করলে ইসমেত আরার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা ইসমেত আরার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে আনসার সদস্যদের মাসিক সম্মানী ভাতা, পূজা ও নির্বাচনী ডিউটির টাকা থেকে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে। 

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিন স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক সম্প্রতি উপজেলা পরিষদ এলাকায় আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা ইসমেত আরার কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অপেক্ষা করে জানতে পারেন তিনি (ইসমেত আরা) একের পর এক ইউনিয়ন আনসার প্লাটুন কমান্ডারকে ডেকে মাস্টার রোলে স্বাক্ষর নিয়ে তাদের প্রাপ্ত মাসিক সম্মানী ভাতা থেকে উৎকোচ রেখে দিচ্ছেন। এ সময়ে সাংবাদিকরা তার কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকে পরিচয় দিয়ে উপস্থিত ইউনিয়ন আনসার প্লাটুন কমান্ডার ও ইউনিয়ন সহকারী আনসার প্লাটুন কমান্ডারদের কাছে তাদের প্রাপ্য সম্মানী ভাতার পরিমাণ জানতে চান। 

নাজিরপুর ইউনিয়ন আনসার প্লাটুন কমান্ডার মোঃ ওবায়দুল ইসালাম জানান, তার প্রাপ্য সম্মানীর টাকা হচ্ছে ৭২০০ টাকা। কিন্তু তাকে দেয়া হয়েছে ৫০০০ টাকা। একই অভিযোগ করেন দাশপাড়া ইউনিয়ন আনসার প্লাটুন কমান্ডার গোপাল কৃষ্ণ সাহা এবং বগা ইউনিয়ন আনসার প্লাটুন কমান্ডার আমিনুল ইসলাম।

তখন আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা ইসমেত আরাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'অফিসিয়াল কিছু খরচপাতি আছে এজন্য ওই টাকা রাখা হয়েছে'। কিসের খরচ জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'রেভিনিউ স্ট্যাম্পের খরচ এরপর কল্যাণ তহবিল'। রেভিনিউ স্টাম্পের দাম কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, '১০ টাকা'। কল্যাণ তহবিলে কত জমা হয় জানতে চাইলে বলেন, 'কল্যাণ তহবিলে ৫ টাকা জমা হয়। তাহলে বাকি ২১৮৫ টাকা কোথায় যায়? এই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দেননি তিনি।

অক্টোবর ২০১৮ থেকে মার্চ ২০১৯ পর্যন্ত মোট ৬ মাসের সম্মানী ভাতা প্রদানের মাস্টার রোলে দেখা গেছে, প্রত্যেক উপজেলা আনসার কোম্পানি কমান্ডারের জন্য বরাদ্দকৃত সম্মানী ভাতার পরিমাণ লেখা রয়েছে ৯ হাজার টাকা, উপজেলা আনসার সহকারি কোম্পানি কমান্ডারের ৭৮০০ টাকা, ইউনিয়ন আনসার প্লাটুন কমান্ডারের ৭২০০ ও ইউনিয়ন সহকারী আনসার প্লাটুন কমান্ডারের ৬০০০ টাকা। ওই মাস্টার রোলে বিভিন্ন পদমর্যাদার মোট ৩৩ জন আনসার কমান্ডারের নাম এবং বরাদ্দকৃত টাকার পরিমাণ উল্লেখ করা রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে একাধিক পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর তোলপাড় সৃষ্টি হয়। 


সিরাজদিখান আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে দ্বিধা দন্ধের মধ্যে আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন
বিস্তারিত
মৈত্রী সম্মাননা পেলেন রসিক প্যানেল
‘মৈত্রী সম্মাননা-২০১৯’ পেলেন রংপুর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মাহমুদুর রহমান
বিস্তারিত
বটি দিয়ে গৃহবধূর মাথার চুল
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় মিথ্যা অপবাদে এক গৃহবধূর মাথার চুল কাটার ঘটনায়
বিস্তারিত
আমতলীতে কৃষি মেলা শুরু
বরগুনার আমতলী উপজেলার মহিষকাটা ইউনুস আলী খান ডিগ্রী কলেজ মাঠে
বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জে অসহায় শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র
সিরাজগঞ্জে এতিম ও অসহায় শিশুদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
বিস্তারিত
নকলায় আমন ধান সংগ্রহে লটারির
শেরপুরের নকলায় সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে চলতি মৌসুমের আমন ধান
বিস্তারিত