সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারির নির্দেশ

গুজব-গণপিটুনি রোধে পুলিশকে বার্তা

পদ্মাসেতু নির্মাণে মানুষের মাথা লাগবে বলে গুজবে সারাদেশে নিহতের ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি কয়েকজন নিরীহ ব্যক্তি গণপিটুনিতে নিহত হওয়ায় দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘ছেলেধরা’ গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে হত্যার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে মনে করে পুলিশ।

এমতাবস্থায় ছেলেধরার গুজব বন্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এবং ব্লগগুলো নজরদারির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও ছেলেধরা-সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিলে বা শেয়ার করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ জুলাই) পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-অপারেশনস) সাঈদ তারিকুল হাসান সারা দেশের পুলিশের ইউনিটকে এই চিঠি পাঠিয়েছেন।

আজ দেওয়া এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের কোন ইউনিট কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে ফ্যাক্সের মাধ্যমে জানাতেও বলা হয়েছে।

পুলিশের চিঠিতে বলা হয়, গণপিটুনি দিয়ে হত্যা এবং গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা ফৌজদারি অপরাধ।

এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, স্কুলে অভিভাবক ও গভর্নিং বডির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়, ছুটির পর অভিভাবকরা যাতে শিক্ষার্থীকে নিয়ে যায় সে বিষয়ে নিশ্চিত করার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা, প্রতিটি স্কুলের ক্যাম্পাসের সামনে ও বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, মেট্রোপলিটন ও জেলা শহরের বস্তিতে নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বার্তায় গুজব বন্ধে জনসম্পৃক্ততামূলক কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে গুজব বিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি, এলাকায় মাইকিং-লিফলেট বিতরণ, মসজিদের ইমামদের সঙ্গে ছেলেধরা গুজববিরোধী আলোচনা।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ব্লগ এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছেলেধরাসংক্রান্ত বিভ্রান্তিমূলক পোস্টে মন্তব্য বা গুজব ছড়ানোর পোস্টে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিকে দেশে হঠাৎ করে গণপিটুনির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় গত চার দিনেই বিভিন্ন স্থানে সাতজনকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

সম্প্রতি গণপিটুনির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ সদর দপ্তর গত শনিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের মাথা লাগবে’ বলে গুজব ছড়ানোকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে মর্মান্তিকভাবে কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটেছে। গুজব ছড়িয়ে ও গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনা ফৌজদারি অপরাধ। দ্রুতই জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছেলেধরা সন্দেহ হলে গণপিটুনি না দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে কম্পিউটার শেখার সুযোগ মিলবে। থাকবে
বিস্তারিত
বিজয়ের প্রতিশোধ নিতেই ১৫ আগস্টের
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭১ সালের
বিস্তারিত
কথাসাহিত্যিক রিজিয়া রহমানের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি এম আবদুল হামিদ একুশে পদক বিজয়ী বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক রিজিয়া
বিস্তারিত
চামড়া বিপর্যয়ের কারণ খুঁজতে মাঠে
দুই সিন্ডিকেটের কারসাজিতে এবার কোরবানির পশুর চামড়ার ৩০ শতাংশ নষ্ট
বিস্তারিত
৪৮ হাজার ছাড়াল ডেঙ্গু আক্রান্তের
১ জানুয়ারি থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন
বিস্তারিত
আজ শরতের প্রথম দিন
পাতা ঝরার ঋতু শরৎকাল এসেছে এ ধরাধামে। আজ শুক্রবার ভাদ্রের
বিস্তারিত