মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম জনপরিবহন প্রকল্প

মক্কা-মদিনা হাইস্পিড ট্রেন

প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ‘হারামাইন হাইস্পিড এক্সপ্রেস ট্রেন’কে মধ্যপ্রাচ্যের সর্ববৃহৎ গণপরিবহন প্রকল্প হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট অথরিটির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রামাইহ আল-রুমাইহ। ট্রেনটি জেদ্দায় মক্কা ও মদিনার পবিত্র শহর এবং রাবিগে বাদশাহ আবদুল্লাহ ইকোনমিক সিটিকে সংযুক্ত করছে। এটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম।
উল্লিখিত এ প্রকল্পের মোট ৩৫টি ট্রেন রয়েছে, যার প্রতিটিতে রয়েছে ৪১৭টি সিট। মক্কায় ১৯ হাজার ৫০০ যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ৫০ হাজার ৩০০ স্কয়ার মিটারের প্রধান বন্দরসহ এটির রয়েছে মোট পাঁচটি স্টেশন। ‘আল মদিনা’ আরবি দৈনিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এমনটিই জানিয়েছেন আল রুমাইহ।
এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রেনটির টিকিট মূল্য আসলে দূরত্বের ওপর নির্ভর করে। তিনি আরও বলেন, তবে অতিথি ক্লাসের জন্য জেদ্দা থেকে মক্কা পর্যন্ত আমরা টিকিট মূল্য ধরেছি ৪০ রিয়াল এবং ব্যবসায়িক শ্রেণির জন্য ধরেছি ৫০ রিয়াল। তিনি আরও জানান, মক্কা থেকে মদিনার টিকিট মূল্য ১৫০ থেকে ২৫০ রিয়াল পর্যন্ত যেতে পারে। বিজনেস ক্লাসের জন্য টিকিটমূল্য ২৫০ রিয়াল পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিটি রেলওয়ে স্টেশনে একটি প্রধান ভবন, আগমন ও প্রস্থান লাউঞ্জ, বিশ্রামাগার, ভিআইপি হল, শপিং প্লেস, রেস্টুরেন্ট, কফি শপ, মসজিদসহ অন্যান্য সুবিধা রয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।  
আল রুমাইহ বলেন, এখানে সিভিল ডিফেন্সের জন্য হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং সুবিধা ও অফিস রয়েছে। তিনি আরও জানান, মদিনায় যে স্টেশনটি করা হয়েছে সেটি মূলত প্রতœতাত্ত্বিক বিস্ময়কর কারুকার্যে করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯টি এলিভেটর ও ১২টি এস্কেলেটর রয়েছে, যেটি মসজিদে নববি (সা.) থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 
স্টেশনটিতে প্রায় ১ হাজার মুসল্লি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি বৃহৎ মসজিদ ও প্রায় ১ হাজার গাড়ি পার্কিংয়ের একটি লট রয়েছে। পাশাপাশি ৪১৭টি সিসিটিভি ক্যামেরাও রয়েছে এখানে। ট্রেনটি মক্কা ও মদিনার মধ্যে এক ঘণ্টায় ৩ হাজার ৮০০ যাত্রী এবং জেদ্দা ও মক্কার মধ্যে ১৯ হাজার ৬০০ যাত্রী বহন করতে পারবে। এক বছরে এটি প্রায় ৬০ মিলিয়ন যাত্রী বহনে সক্ষম বলে জানা যায়। সৌদি আরবের পরিবহনমন্ত্রী ও জেনারেল ট্রান্সপোর্ট অথরিটির চেয়ারম্যান নাবী আল আমুদিও এমনটি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আশা করা যায় এটি বছরে প্রায় ৩ থেকে ৪ মিলিয়ন হজ-ওমরাযাত্রীসহ মোট ৬০ মিলিয়ন যাত্রীকে সেবা প্রদান করতে পারবে। উল্লেখ্য, প্রকল্পটির নির্মাণকাজ ২০০৯-এর মার্চে শুরু করে ২০১৮-এর ২৫ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

সূত্র : সৌদি গেজেট


হজ-পরবর্তী জীবন হোক পাপমুক্ত
হজ ইসলামি শরিয়তের অন্যতম ভিত্তিমূল। তবে ব্যতিক্রমী ব্যাপার হলো, হজ
বিস্তারিত
খুবাইব (রা.) শহীদ হওয়ার মর্মস্পর্শী
আমর ইবনু আবু সুফিয়ান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর
বিস্তারিত
পবিত্র মক্কার ১৫টি অনন্য বৈশিষ্ট্য
১. পবিত্র মক্কায় রয়েছে পৃথিবীতে স্থাপিত সর্বপ্রথম ঘর ও সর্বপ্রথম
বিস্তারিত
তিন শ্রেণির মানুষ জান্নাতি
ইয়ায ইবনু হিমার আল মুজাশি’ঈ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিন শ্রেণির
বিস্তারিত
মশা কাহিনি ও ডেঙ্গু প্রসঙ্গ
মশা বর্তমান সময়ে একটি আলোচিত প্রসঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। হঠাৎ
বিস্তারিত
সুস্থতা আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত
সুস্থতা আল্লাহর এক বিরাট নেয়ামত। ব্যক্তি ও জাতির উন্নতির জন্য,
বিস্তারিত