হাসপাতালে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড

রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির নতুন রেকর্ড হয়েছে। সোমরাব (২২ জুলাই) পর্যন্ত ৪০৩ জন রোগী ভর্তি হলেও আজ সেই রেকর্ডও ভেঙে গেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এমন তথ্য জানিয়েছে। তাদের ভাষ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টা ৪৭৩ জন রোগী ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আক্রান্তের সংখ্যা কমিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেখানোর প্রবণতার প্রমাণও আছে। বিভিন্ন সূত্র ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে, এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ২৬ জন। আর এখনও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানুয়ারি থেকে এপর্যন্ত ৫ জন মারা গেছেন বলে জানাচ্ছে। তাদের হিসেবে এপ্রিলে দুইজন এবং জুন ও জুলাইতে মারা গেছেন একজন করে। এই তথ্যে ডেঙ্গুতে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. শাহাদাত হোসেনের মৃত্যুর হিসাব নেই।

তিনি রোববার (২১ জুলাই) ডেঙ্গু জ্বরে মারা যান। হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ রথীন্দ্র চন্দ্র দেব নিজেই ডেঙ্গুতে ডাঃ শাহাদাতের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার এন্ড কন্ট্রোল রুমের দেয়া সর্বশেষ তথ্য জানুয়ারি থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশের হাসপাতালগুলো মোট সাত হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে জুন-জুলাই মাসেই ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৬৪ জন। আর জুলাই মাসের ২২ দিনে এটা সর্বোচ্চ। জানুয়ারি থেকে হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগীর ৭০ ভাগই ভর্তি হয়েছেন জুলাই মাসের ২২ দিনে। গত ২৪ ঘন্টায়(২২ জুলাই) ভর্তি হয়েছেন ৪০৩ জন। এটা  এবছরে সর্বোচ্চ। ২১ জুলাই ভর্তি হয়েছেন ৩১৯ জন, ২০ জুলাই ৩০৮ জন এবং ১৯ জুলাই ২৬৯ জন। এখন আক্রান্তের ঊর্ধ্বগামী প্রবণতা আরো তীব্র হচ্ছে।

ঢাকার হাসপাতালগুলোতে যত রোগী এখন ভর্তি হচ্ছেন, তার এক-তৃতীয়াংশ ডেঙ্গু রোগী। আর সরকারি হাসপাতালগুলো রোগীর অবস্থা খুব খারাপ না হলে ভর্তি নিচ্ছে না।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা দুই-তৃতীয়াংশ রোগীকেই আউটডোর থেকে চিকিৎসা পরামর্শ দিয়ে ফিরিয়ে দিচ্ছি। আর তাদের একটি অংশ আছে যারা আতঙ্কে হাসপাতালে আসেন। অবস্থা ক্রিটিক্যাল না হলে আমরা ভর্তিই করছি না।

তিনি জানান, আমার হাসপাতালে প্রতিদিন ৭০০ রোগী ভর্তি হচ্ছে। তার মধ্যে ১০ ভাগেরও বেশি ডেঙ্গু রোগী। এখন মোট সাড়ে তিনশ’র মত ভর্তি আছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন মারা গেছেন। এবার ডেঙ্গুটা ক্রিটিক্যাল হওয়ায় আমাদের ওপর দিয়ে চাপ যাচ্ছে। বেডের চেয়ে ২০ ভাগ বেশি রোগী ভর্তি আছেন। অনেককেই ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

ঢাকায় সরকারি হাসপাতালের চেয়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে  ডেঙ্গু রোগী  ভর্তি হচ্ছেন বেশি। বেসরকারি মেট্রোপলিটন হাসপাতালের রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ গুলজার হোসেন উজ্জ্বল বলেন, বেসরকারি হাসপাতালে সরকারি হাসপাতালের চেয়ে রোগীও কম আসে, বেডও কম। তারপরও এখন যারা ভর্তি হচ্ছেন তাদের শতকরা ৫০ ভাগই ডেঙ্গু রোগী। আর ভর্তির হিসাবের চেয়ে বাস্তবে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি হবে। দুই-তিনগুণ।

তিনি বলেন, এবার মৃত্যুর হারও অনেক বেশি। যে হিসাব সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যাচ্ছে তার চেয়ে অনেক বেশি হবে।


বিশ্ব মানবাধিকার দিবস আজ
আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) মানবাধিকার দিবস। রাজধানীসহ সারাদেশে দিবসটি উদযাপনের
বিস্তারিত
ডিসেম্বরের শেষে পুরান ঢাকায় চক্রাকার
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন,
বিস্তারিত
মহামারি ধারণ করতে পারে নিপা
নতুন একটি ভাইরাস ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও
বিস্তারিত
নিষিদ্ধ হচ্ছে হাকিমপুরী জর্দা!
হাকিমপুরী জর্দায় ক্ষতিকর মাত্রায় সিসা, ক্যাডমিয়াম ও ক্রোমিয়ামের মতো ভারী
বিস্তারিত
এ মাসেই ই-পাসপোর্ট
চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বহুল প্রতীক্ষিত ই-পাসপোর্ট (ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট) প্রদান
বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে সালমান
মিরপুরে শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মঞ্চে রোববার (৮ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু
বিস্তারিত