সূর্যমুখীর হাসি

অন্তু কী একটা কাজে এদিক দিয়ে যাচ্ছিল। সূর্যমুখীর গম্ভীর মুখ দেখেই সে বুঝতে পারল, ঘটনাটা কী? সে একটু হেসে বলল, মন খারাপ করোনো সূর্যমুখী। রেডিওতে বলেছে, আজ আবহাওয়া একটু খারাপ, তাই 

সূর্য উঠতে একটু দেরি হতে পারে

অন্তুর ফুলবাগানে অনেক রকম ফুল। তাদের মধ্যে সবচেয়ে সুখী সুখী চেহারা হচ্ছে সূর্যমুখী ফুলের।
সূর্যমুখী ফুল সারারাত খুব শান্ত হয়ে ঘুমায়। সকাল হলেই সবার আগে ঘুম থেকে ওঠে। তারপর খুব আগ্রহ নিয়ে আকাশের পূর্ব দিকে তাকিয়ে থাকে।
অনেক সকালে, সেই সময়টাকে সকাল না বলে ভোর বলাই ভালো। পূর্ব দিকের আকাশে হালকা সাদাটে ভাব দেখা যায়। তারপর সেই সাদাটে আকাশ লালচে রঙ মাখতে শুরু করে। একসময় পূর্ব দিকের আকাশ টকটকে লাল হতে থাকে। ওখান থেকে উঁকি দেয় সূর্য। সূর্যকে অনেকে আদর করে মামা বলে ডাকে।
সূর্যের আলো গায়ে পড়তেই সূর্যমুখী ফুলের মুখটা হাসিতে ভরে ওঠে। তার হাসি দেখে পুরো বাগানজুড়ে যেন আনন্দের হাসির রেশ ছড়িয়ে পড়ে।
মৌমাছি আর প্রজাপতি সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে গল্প করতে আসে। আরও আসে ভ্রমর ও ছোটোখাটো পোকামাকড়। মেহমান এলেই সূর্যমুখী ফুল তাদের মধু খেতে দেয়।
কিন্তু আজ এত বেলা হয়ে গেল, তাও সূর্যের আলো ধরতে পারল না সূর্যমুখী ফুল। ওর মনটাই খারাপ হয়ে গেল।
কী কারণে যেন আজ সকাল থেকেই আকাশজুড়ে ঘোলাটে মেঘেরা ছোটাছুটি করছে। সূর্যকে ওরা আলো ছড়াতেই দিচ্ছে না। মনে হচ্ছে কোনো একটা ব্যাপার নিয়ে ওরা সূর্যের সঙ্গে ঝগড়া করছে। পণ করেছে, আজ সূর্যকে আলো বিলাতেই দেবে না।
যত সময় যাচ্ছে, সূর্যমুখী ফুলের মেজাজ ততই খারাপ হতে শুরু করেছে। পাজি মেঘগুলোকে সে মনে মনে অনেকগুলো পচা পচা গালি দিয়ে ফেলল। সূর্যমুখী ফুল মুখে পচা কথা একদম বলতে পারে না।
একদিন একটা ভ্রমর ওর মধু চুরি করেছিল দেখে সে একবার পচা কথা বলে গালি দিয়েছিল। তখন অন্তু ওকে বলল, পচা কথা বললে পাপ হয়, শরীর খারাপ হয়। তাই কখনও পচা কথা বলবে না। তারপর থেকে সূর্যমুখী ফুল কখনই পচা কথা বলে না।
কিন্তু আজ ওর এতই মেজাজ খারাপ হলো পাজি মেঘগুলোর ওপর, সে মনে মনে অনেক বকা দিল ওদের।
মৌমাছি আর প্রজাপতি সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে গল্প করতে এসে দেখে, সে মুখ কালো করে বসে আছে। ভয়ে ওরা কাছেই এলো না।
অন্তু কী একটা কাজে এদিক দিয়ে যাচ্ছিল। সূর্যমুখীর গম্ভীর মুখ দেখেই সে বুঝতে পারল, ঘটনাটা কী? সে একটু হেসে বলল, মন খারাপ করোনো সূর্যমুখী। রেডিওতে বলেছে, আজ আবহাওয়া একটু খারাপ, তাই সূর্য উঠতে একটু দেরি হতে পারে।
অন্তুর কথা শেষ হতে না হতেই আকাশ থেকে মেঘগুলো সরে গেল। সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়ল পুরো বাগানে। সূর্যের আলো মেখে হাসি ফুটল সূর্যমুখীর মুখে। সেই হাসিতে ভরে গেলে অন্তুর পুরো ফুলবাগান। 


শরৎ রানী বাংলা মাকে
আমার গাঁয়ে শরৎ আসে শিউলি ও কাশ মুচকি হাসে আমার
বিস্তারিত
যেন সাদা রেলগাড়ি
নীল আকাশে উড়ছে সাদা ডানা অলা মেঘ অনেক মেঘ পাখিরা
বিস্তারিত
ষড়ঋতুর দেশ
শরৎ এলো গুনগুনিয়ে  বর্ষা বলে ওরে,  শরৎ এলো, শরৎ এলো 
বিস্তারিত
শরৎ এলে
শরৎ এলে দোল খেয়ে যায় সাদা কাশের বন, তুলোর মতো
বিস্তারিত
সোনার বাংলাদেশ
  নদীর ধারে শাদা ফুলের দোলা, আকাশটাতে নীলের কপাট খোলা। 
বিস্তারিত
তোমাদের আঁকা ছবি
‘ভোরের আকাশ’ শিরোনামে এ ছবিটি এঁকেছে দেবারতি ঘোষ। সে পড়ে
বিস্তারিত