সোনাগাজীতে ঈদের রাতে খুন হওয়া ছাত্রলীগ নেতার দাফন সম্পন্ন

হাজারো মানুষের শোক আর ভালোবাসায় সোনাগাজীতে ঈদের রাতে খুন হওয়া ছাত্রলীগ নেতা মো. শামীমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার রাত ৮টায় বাদামতলী বাজারে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সোনাগাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল আলম জহির, জেলা যুবলীগ নেতা জিয়াউল আলম মিস্টার, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল মোতালেব রবিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার হোসেন খোন্দকার, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব নবী ফরহাদসহ হাজারো মুসল্লি শামীমের জানাজায় অংশ নেন।

জানজার নামাজে ইমামতি করেন বাদামতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল খায়ের।

ফেনীর সোনাগাজীতে পূর্বশত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের আগের দিন রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের চরসোনাপুর তিনবাড়িয়া দাসপাড়া গ্রামের মিয়ার দোকানের সামনে ছাত্রলীগ নেতা মো. শামীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা।

নিহত শামীম সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের মুহুরী প্রজেক্টসংলগ্ন চরশাহাপুর গ্রামের কৃষক আবদুল মুনাফ মিয়ার ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন।

পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় শেখ আলম, রিয়াদ ও আতর মাঝিকে গ্রেফতার করেছে।

নিহতের পরিবার ও দলীয় সূত্র জানায়, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার হোসেন খোন্দকারের সঙ্গে পূর্বশত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক সাঈদ আনোয়ারের বিরোধ চলে আসছে। ইফতার গ্রুপের স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন মো. শামীম।

রোববার রাতে শামীম ও তার বন্ধু সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে তার নানার বাড়ি চরলামছিডুব্বা গ্রাম থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। চরসোনাপুর তিনবাড়িয়া দাসপাড়া মিয়ার দোকানের সমানে পৌঁছলে সাঈদ আনোয়ার, পারভেজ, শেখ আলম, কাজী, নূর করিম, শেখ বাহার, নূর আলম, রাসেল, বেলাল ও নূরনবীর নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন সশস্ত্র যুবক সিএনজির গতি রোধ করে।

তারা শামীমকে নামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রাস্তার পাশে মুমূর্ষু অবস্থায় ফেলে রাখে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখান থেকে রাত ২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে সন্ধ্যায় তার মরদেহ বাড়িতে আনা হলে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। তার মরদেহ এক নজর দেখার জন্য আত্মীয়স্বজনসহ হাজারো দলীয় নেতাকর্মী ভিড় জমায়।

সন্তানের মরদেহ দেখে অসুস্থ পিতা আবদুল মুনাফা ও মাতা সাফিয়া খাতুন অজ্ঞান হয়ে পড়েন। চার ভাই এক বোনের মধ্যে সে সবার ছোট ছিল।

সোনাগাজী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) খালেদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইতিমধ্যে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


বেরিয়ে এল শিশু তুহিন হত্যার
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় চাঞ্চল্যকর শিশু তুহিন হত্যায় বেরিয়ে এলো আসল
বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জে ক্লিনিক বন্ধ থাকায় প্রসূতি
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ইটালী কমিউনিটি ক্লিনিকটি বিনা কারণেই বন্ধ রয়েছে।
বিস্তারিত
শিশু তুহিন হত্যাকাণ্ড: পিতাসহ তিনজনের
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউড়া গ্রামে শিশু তুহিন মিয়া
বিস্তারিত
চবিতে অফিসারদের পদোন্নতি আটকে রাখার
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) অফিসারদের পদোন্নতি দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখার অভিযোগ
বিস্তারিত
সাভারে বাবার বিরুদ্ধে মেয়ে ধর্ষণের
ঢাকার সাভারে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
বিস্তারিত
সাভারের ৫ বেকারিতে র‌্যাবের অভিযান,
নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি করার অভিযোগে সাভারের হেমায়েতপুরের
বিস্তারিত