রাজশাহীতে বখাটে ধরতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন

বখাটেদের ধরতে মাঠে নেমেছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন। গত শনিবার থেকে রাজশাহী মহানগরীতে ইভটিজিংবিরোধী বিশেষ এই ভ্রাম্যমাণ আদালত চালু হয়েছে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) হামিদুল হক বলেছেন, বখাটেদের উৎপাত বেড়েছে। আমরা সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।

বখাটেদের হাতে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) একজন শিক্ষক নাজেহাল হওয়ার ঘটনা নিয়ে পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে বখাটেদের ধরতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাত আরা ও আরাফাত আমান আজিজ সকাল-বিকাল ভাগ করে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা বখাটেদের বিচরণ এলাকায় অভিযান চালাচ্ছেন।

এদিকে শুধু জেলা প্রশাসনই নয়, বখাটে ‘বাইকবাহিনীকে’ বাগে আনতে নগরীর মোড়ে মোড়ে কাগজপত্র যাচাই করছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো, ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকাসহ নানা কারণে দেয়া হচ্ছে রেকর্ড সংখ্যক মামলা। খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে এ অভিযানে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) যোগ দেবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহীর ডিসি হামিদুল হক।

তিনি বলেন, রাজশাহীতে বখাটেদের দৈরাত্ম্য যে বেড়ে গেছে তাতে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা অভিযান শুরু করেছি। প্রথম দিন আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালত জনবহুল স্থানগুলোতে অবস্থান নিয়ে কারও কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা তা দেখেছে। মেয়েদের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছে কেউ বিরক্ত করছে কিনা। আমরা আমাদের অভিযান অব্যাহত রাখব, যতক্ষণ না পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্ট হচ্ছি।

জেলা প্রশাসক বলেন, পুরো রাজশাহীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানও শুরু করবে পুলিশ। রাজশাহীর শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সব ধরনের তৎপরতা থাকবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে জেলা জেলা প্রশাসকের নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে বলা হয়েছে, ইভটিজিংবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু করা হয়েছে। এটি চলতে থাকবে। সাথে সাথে অনিয়ন্ত্রিত গতিতে মোটরসাইকেল চালানো, নিরিবিলি বসে গাঁজা বা মাদক সেবন ইত্যাদির বিরুদ্ধেও অভিযান চলবে। যারা ইভটিজিংয়ের শিকার, তারা ভয় না পেয়ে থানায় বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করুন। আপনি প্রতিবাদ শুরু করলে আরো অনেকে সাহসী হবে।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় উঠতি বয়সী সন্তানদের সামলাতে অভিভাবকদের উদ্দেশে ফেসবুকে অপর একটি স্ট্যাটাস দেন জেলা প্রশাসক হামিদুল হক। এতে সন্তানদের খোঁজখবর রাখার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেছেন, ইভটিজার হিসেবে আটক হলে জেল-জরিমানা হতে পারে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাত আরা বলেন, শহরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো এবং স্কুল-কলেজের সামনে দিয়ে তারা ঘুরেছেন। কোথাও সেরকম কিছু দেখতে পাননি। তিনি বলেন, মূলত তারা সচেতনতা তৈরির জন্য কাজ করছেন। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থাও নিতেন।

আরেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত আমান আজিজ। তিনি নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনাল ও ভদ্রা পার্ক এলাকা ঘুরেছেন। তিনি বলেন, সামনে সেরকম কিছু পড়েনি। এটা একদিনের কাজ নয়। নিয়মিত চলবে।

জেলা প্রশাসক হামিদুল হক জানিয়েছেন, তিনি রাজশাহীর পুলিশ সুপারের (এসপি) সঙ্গেও কথা বলেছেন। মহানগরীর বাইরে উপজেলা পর্যায়েও এই ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বলে দেয়া হয়েছে। এ ব্যবস্থার কারণে যারা বখাটে বা যারা ইভটিজিং করে তারা একটা ভয়ের মধ্যে থাকবে। তারপরেও যারা কথা শুনবে না তাদের ধরে ফেলা হবে। শাস্তি দেয়া হবে।


সিরাজগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার মনিরামপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ
বিস্তারিত
চকরিয়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ২ চালক
কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই
বিস্তারিত
দুদক কর্মকর্তা ও সাংবাদিক পরিচয়ে
নাটোরে দুদক কর্মকর্তা ও সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন প্রতারককে
বিস্তারিত
শিবিরের বোমায় দুই কব্জি হারানো
শিবিরের ছোড়া হাতবোমায় দুই হাতের কব্জি হারিয়েছিলেন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই)
বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাজশাহীতে আনন্দ
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় রাজশাহী মহানগরীর উন্নয়নে ২
বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার তালুকদার বাজার এলাকায় মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় সাইদুল
বিস্তারিত