তুমব্রু সীমান্তে ৩৯১০ রোহিঙ্গা

অধিকার আদায়ে ডাকা মহাসমাবেশে যোগ দেয়নি তারা

বাংলাদেশ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে রোহিঙ্গা আগমনের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে ২৫ আগস্ট ২০১৯। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাত থেকে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে হত্যা, নির্যাতন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে থাকে রোহিঙ্গারা। বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা স্রোত থামানো চেষ্টা করলেও পরে মানবিক দিক বিবেচনা করে সীমান্ত খুলে দেয়।

সীমান্ত উন্মুক্ত হওয়ার পর কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা আগমনের পাশাপাশি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির চাকঢালা, বড়ছনখোলা, আশারতলী সাপমারাঝিরি, ঘুমধুম, কোণার পাড়া বাইশফাঁড়ি ও দোছড়ি সীমান্ত দিয়ে অন্তত ৫০ হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে। 

পার্বত্য এলাকায় কোন রোহিঙ্গার অবস্থান হবে না, সরকারের এই সিদ্ধান্তে নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর থেকে প্রথম দফায় কক্সবাজারের বালুখালিতে স্থানান্তর করা হয় ১২ হাজার রোহিঙ্গাকে। এরপর ধাপে ধাপে শাপমারা ঝিরিসহ অন্য ক্যাম্পগুলোয় বাকিদের স্থানান্তর করা হলেও তুমব্রু সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে প্রায় ৬ হাজার রোহিঙ্গা বসবাস করতে থাকে।

রোহিঙ্গা আগমনের ২ বছর পর বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তে নো-ম্যান্স ল্যান্ডে এখনও ৬৩৩ পরিবারের তিন হাজার ৯১০ জন অবস্থান করছেন। বাকিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয়দের সাথে মিশে গেছে।

এদিকে ২৫ আগস্ট ২ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৫ দফা দাবিতে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প এক্স-৪ এর মহাসমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা। সমাবেশে নিজেদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার ঘোষণা দেন রোহিঙ্গা নেতারা। তবে সমাবেশে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের তুমব্রু কোনার পাড়া নো-ম্যান্স ল্যান্ডে বসবাসরত কোন রোহিঙ্গা যোগ দেয়নি বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ। 

তিনি আরো জানান, রোহিঙ্গারা তুমব্রু কোণারপাড়া এলাকার পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন। তাদের কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখিন হতে হচ্ছে না। তবে তাদের দেশে ফেরা নির্ভর করছে মিয়ানমার সরকারের ওপর।

জানা যায়, নো-ম্যান্স ল্যান্ডে থাকা সাড়ে ৬ হাজার রোহিঙ্গার মধ্যে মাত্র তিন হাজার ৯১০ রোহিঙ্গা অবস্থান আছে। বাকিরা পালিয়ে বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে গেছে। যারা আছে তারা মাদক পাচারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমের বাসিন্দা আবদুল হামিদ জানান, তুমব্রু সীমান্তের কোণার পাড়ায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। তারা অনেকেই মিয়ানমার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। এছাড়া চোরাকারবারি, মারামারিসহ নানান অপরাধেও তারা লিপ্ত হচ্ছে।

ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, তুমব্রু সীমান্তের আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া তারা এতটাই উগ্র যে কেউ তাদের সঙ্গে ভালো করে কথাও বলতে পারে না। তাদেরকে এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি বলেন, প্রশাসন সবসময়ই তাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তাদের ব্যাপারে প্রশাসন সচেতন রয়েছে।


সুনামগঞ্জে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড,
সুনামগঞ্জে ভ্যানচালক তরিব উল্লা হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের
বিস্তারিত
ফতুল্লায় আটক দুই ভাই নব্য
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার তক্কারমাঠ এলাকায় জঙ্গি সন্দেহে অভিযান পরিচালনা করা বাড়ি
বিস্তারিত
পুকুরে পাওয়া গেল বিলুপ্ত প্রজাতির
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার একটি পুকুরে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মিঠাপানির কুমির পাওয়া
বিস্তারিত
নাটোরে অদ্ভুত শিশুর জন্ম
নাটোরের গুরুদাসপুরে দুই মাথা, এক হাত ও এক পাবিশিষ্ট অদ্ভুত
বিস্তারিত
লালমনিরহাটে মাদকব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় মাদক ও পুলিশের উপর হামলা মামলার আসামী
বিস্তারিত
বিরল রোগে আক্রান্ত পটিয়ায় শিশু
বিরল রোগে আক্রান্ত পটিয়ার শিশু রাইমা সূত্র ধর চলে গেলে
বিস্তারিত