বীজের ভেতর গাছ

একটা গালি উড়তে থাকল। পাড়ার উঠানে কুজবক বুড়োটা

এ ধূসর শহরে সব প্রতিবেশী, দুর্বোধ্য-দীর্ঘ বাঁকা উদাসীন
বাঁশগাছের নিচে, বাড়ির পেছনে-পশ্চিম দিকে-ভিনেগার জমা

প্রাণ বাধা নাড়িভুঁড়ি, সলতে জ্বলা-আকাশ, পাহাড়Ñ
পিঠ ঠেকানো-শাদা শাড়ি, পুঁটিমাছের মতো-অর্ধেক প্রাণ
বুঝে নিচ্ছে বর্তমান ভাষা-মমত্ব; উপকরণ লিখছে-বিন্যাস
সবুজ কার্বনে রোদ পোড়া শিল্প, শপোয়া খয়েরি আদরÑ
জীবজগৎ রঙ, ফলের ভেতর বীজ, বীজের ভেতর গাছ!

আলোর মাল্টিপ্লাগ

সিজার করার মতো
আষাঢ়ে বৃষ্টি
সহজ-সদিচ্ছা মাতৃগর্ভ সুর বিলাচ্ছে
যেভাবে সবুজ ধানক্ষেত নিয়মিত হাঁটছেÑ
বাঁকা দিগন্তরেখা নদী হয়ে পা চালায়Ñ
বাদলাভ্রম মেঘ, সকালের রৌদ্রহাস,
হাওয়ার করোটি পাখি শিস বাজায়Ñ

ইউনিফর্মিটি রঙ সেলাই বাঁধানো গহিন পৃথিবী
একেকটা ঠিকানা ওড়ায়Ñ
ঋতুর গ্যালারি হতে আলোর মাল্টিপ্লাগ!


নীলরতœ মৌন আকাশ

তেখাঁজ বরফ, শাদা কাফনের মতো; ছড়ানোÑ
আলুথালু মাছকাঁটা হ্রদ শিতিল বৃক্ষ, পেঙ্গুইন দৌড়াচ্ছে
বোবা বাতাস পরিযায়ী ডানায় হিমালয়-উর্বর দ্বীপপুঞ্জ
অদূরে রোদগলা বিকেল-সোনাধান, থমথম রাত-নক্ষত্র

এভাবে, যেভাবে-প্রশস্ত চোখ চমকায়
জলভরা অভয়ারণ্যে-সমুদ্র, জমা রাখা পুষ্প-প্রেম
যুগল বাঁধা গাঙচিল, ঠোঁটে ঠোঁটে দুই শামুকেÑ
সুসম্পন্ন রমণী ও পুরুষ হাসছিল-নীলরতœ মৌন আকাশ


আরিফ মঈনুদ্দীন বৃষ্টিভেজা তুমি
  নন্দনতত্ত্বে হাত রেখেছিÑ উঠে আসছে নৈপুণ্য নিপুণ শিল্পের ঘরে জমজমাট
বিস্তারিত
একাকী-নিঃসঙ্গ
একাকী-নিঃসঙ্গ নিঃসঙ্গের চেয়েও একাকী হতে পারে মানুষ কখনো-বা একাকী থাকাকে
বিস্তারিত
দ্যূতক্রীড়া
সাইয়্যিদ মঞ্জু  দ্যূতক্রীড়া অতল গহ্বরে হাবুডুবু-প্রমত্ত উল্লাস ভূলুন্ঠিত মানবতা সভ্যতার দ্যূতক্রীড়ায়
বিস্তারিত
এ শহর
এ শহরে বৃক্ষ আছে ছায়া নেই, মানুষ আছে মায়া নেই
বিস্তারিত
নিরু এখনও মরেনি
এক অনাকাক্সিক্ষত ভুলে, অথবা নিয়তির নিষ্ঠুর অভিঘাতে দোষী হয়েছিল নিরু,
বিস্তারিত
স্মৃতিরা কাঁদায়
পুরোনো শার্ট হ্যাঙ্গারে আছে ঝুলে পরে না কেউ চশমাটিও ধুলোময়... ছবির
বিস্তারিত