জানা গেল এন্ড্রু কিশোরকে টাকা দেয়ার কারণ...

চিকিৎসার জন্য বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী এন্ড্রু কিশোরকে ১০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তার গণভবনের বাসায় এন্ড্রু কিশোরের নিকট অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকের প্রশ্ন- বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পীকে কেন অনুদান নিয়ে চিকিৎসা করতে হবে। এন্ড্রু কিশোরের কোনো অভাব নেই তারপরেও তিনি কেন সহায়তা নিতে গেলেন।

এ বিষয়ে এন্ড্রু কিশোরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার একজন স্বজন জানান, এ বিষয়ে এই মুহূর্তে এন্ড্রু কিশোর কথা বলবেন না। পারিবারিকভাবে দু-একদিন পরে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।ওই আত্মীয় একটি উদাহরণ টেনে বলেন, ‘ধরুন আপনি আমার বড় ভাই, আপনি জানলেন আমি অসুস্থ। দেখা করতে গেছি আপনার সঙ্গে, আপনি আমার পকেটে হয়তো ১০০ টাকার একটি নোট ঢুকিয়ে দেবেন, সে সময় আমার কাছে টাকা-পয়সা আছে কি না সেসব আপনার কাছে গৌণ।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এন্ড্রু কিশোরের একটি অনুষ্ঠানে দেখা হয়। তখন এন্ড্রু কিশোরের শরীর খারাপ ছিল, স্বাস্থ্য কিছুটা অবনতি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী ওই সময় এন্ড্রু কিশোরের শারীরিক অবস্থা দেখে খোঁজ নেন। এ সময় এন্ডু কিশোর প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর অসুস্থতার কথা জানান। ট্রিটুমেন্ট কেমন চলছে, ঠিক ঠাক চলছে কি না প্রধানমন্ত্রী জানতে চান। এন্ড্রু কিশোর বলেন ঠিকঠাকই চলছে।’

ওই আত্মীয় বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বড় বোন হিসেবে এন্ড্রু কিশোরকে ডেকে নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দশ লাখ টাকার চেক দেন। এটা নিয়ে তো উল্টোপাল্টা ভাবার অবকাশ নেই। প্রধানমন্ত্রী শারীরিক খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য ডেকেছেন। তিনি শিল্পী বান্ধব মানুষ। স্বাভাবিকভাবেই ডেকেছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী যদি এন্ড্রু কিশোরকে সম্মানিত করেন, এতে সমালোচনার কী আছে।’

এন্ড্রু কিশোরের অসুস্থতা সম্পর্কে বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা দেখছি কিডনি ডিজিজে এন্ড্রু কিশোর আক্রান্ত, এটা হয়েছে, সেটা হয়েছে। কেন যে মানুষ মিথ্যা ছড়ায়। আসলে এন্ড্রু কিশোর হরমোনাল জনিত সমস্যাতে ভুগছেন। এটা ছোটবেলা থেকেই। এর প্রোপার ট্রিটমেন্ট চলছে, তারপরেও প্রধানমন্ত্রী বড়বোন হিসেবে কারো পাশে দাঁড়াতে পারেন না?’

দেশের চলচ্চিত্রের গানে একটা বড় অধ্যায়জুড়ে এন্ড্রু কিশোরের নাম লেখা। তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় গানের মধ্যে আছে-‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’, ‘আমার বুকের মধ্যে খানে’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান’, ‘ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’ প্রভৃতি।

চলচ্চিত্রের গান গেয়ে আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এন্ড্রু কিশোর। ১৯৭৭ সালে আলম খানের সুরে মেইল ট্রেন সিনেমার ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তাঁর কেউ’ গানের মধ্য দিয়ে এন্ড্রু কিশোরের চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক যাত্রা শুরু হয়।


শিশুকে দোলনায় শুইয়ে ছবি শেয়ার
দোলনায় শুয়ে রয়েছে ছোট্ট শিশু। পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন শুভশ্রী। দোলনার
বিস্তারিত
শরীরে ‘চুম্বন’ নিয়ে যে শর্তে
‘চাঁদ সা রোশন চেহরা’ চলচ্চিত্র দিয়ে ২০০৫ সালে রূপালি পর্দায়
বিস্তারিত
জ্বিনে ধরেছে অভিনেত্রী আইরিন আফরোজকে!
মানুষকে জ্বিনে ধরা নয়ে সবসময় হাসি-ঠাট্টা করে বেড়ান গ্রামের সুন্দরী
বিস্তারিত
নানা হলেন ডিপজল
নানা হলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। মা
বিস্তারিত
বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ‘আমার সোনার
সিলেট সীমান্তে এসে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)সদস্যদের সঙ্গে
বিস্তারিত
পুরস্কার প্রত্যাখ্যান মোশাররফ করিমের
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৮ তে ‘শ্রেষ্ঠ অভিনেতা কৌতুক চরিত্রে’ যৌথভাবে পুরস্কার
বিস্তারিত