অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ বাংলাদেশ বিশ্বে রোলমডেল

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা এবং আমাদের জনগণের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ বাংলাদেশ বিশ্বে একটা মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ বিশ্বের রোলমডেল। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। জিডিপির প্রবৃদ্ধি জায়গা দখল করেছে। এসব আপনা-আপনি হয়নি। দিন-রাত পরিশ্রম করছি বলেই দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের এমপি রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ মানুষ হত্যার রাজনীতি করে না। প্রতিহিংসার রাজনীতিতেও বিশ্বাসী নয়। আমরা যদি তাই বিশ্বাস করতাম তাহলে এদেশে বিএনপির অস্তিত্ব থাকতো না। কারণ, বিএনপির দ্বারা আমরা যে পরিমাণ হত্যা, নির্যাতন, নিপীড়নের শিকার হয়েছি তা আর কেউ হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর কাজ মন্ত্রীদের কাজের তদারকি করা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জনগণ আমাকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য। আরাম-আয়েশে আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণ করিনি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে জনগণের প্রতি আমার দায়বদ্ধতার একটি আলাদা জায়গা রয়েছে। সেটাই আমি প্রতিপালন করার চেষ্টা করি। সেজন্যই দিন-রাত পরিশ্রম করি। কোনো প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করার জন্য নয়, সব প্রতিষ্ঠানকে আরো সক্রিয় রাখার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকি।

সরকারের সেক্টরভিত্তিক উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বসেরার জায়গা করে নিয়েছে। এসব আপনা-আপনি হয়নি। সব পরিশ্রমে হয়েছে। প্রতিষ্ঠান অকার্যকর থাকলে এসব অর্জন সম্ভব হতো না। রাষ্ট্রযন্ত্র কাজ করছে বলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তা না করে সংসদ সদস্যের (রুমিন) নেত্রী খালেদা জিয়ার মতো দুপুর ১২ পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটালেই কি প্রশ্নকারী খুশি হতেন?

অকার্যকর রাষ্ট্রের উদাহরণ বিএনপি সৃষ্টি করেছিল মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতো রাষ্ট্রযন্ত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এমন ব্যক্তির কাছ থেকে। প্রধানমন্ত্রী ঘুমিয়ে থাকতেন, সিদ্ধান্ত নিতো তার পুত্র হাওয়া ভবন থেকে। মন্ত্রী-সচিবেরা হাওয়া ভবন থেকে নির্দেশের অপেক্ষায় প্রহর গুনতেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ত থাকার দাবি করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মেজর জিয়াউর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ আমার মা, ৩ ভাই এবং অন্তঃসত্ত্বা ভাইয়ের স্ত্রীসহ আমার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের রক্তে রঞ্জিত হয়ে খুনিদের সহায়তায় ক্ষমতায় বসেছিলেন। জিয়াউর রহমান এ দেশে হত্যা, ক্যু, অপরাজনীতি শুরু করেন। ঘুষ, দুর্নীতি, লুটপাটের সংস্কৃতি চালু করেন। একটা পুরো প্রজন্মকে নষ্ট করে দেন জিয়াউর রহমান। এ কারণে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যের মুখে মানুষ মারার বিষয়টি অবলীলায় চলে আসে।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের চেয়েও তার স্ত্রী খালেদা জিয়া এককাঠি সরেনি, সে প্রমাণ তিনি রেখেছেন। এদেশে জঙ্গি সৃষ্টি, অগ্নিসন্ত্রাস, বোমা হামলা, মানি লন্ডারিং, এতিমের টাকা আত্মসাৎসহ হেন অপকর্ম নেই যে তিনি ও তার দুই পুত্র এবং দলের নেতারা করেনি। এসব ধারণা থেকেই প্রশ্নকারী আমাকে খালেদা জিয়ার সমন্তরালে ফেলেছেন।


ভোটের দিন ঢাকায় শিল্প-কারখানা বন্ধ
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিন নির্বাচনী এলাকায়
বিস্তারিত
ফ্লু ভাইরাস প্রতিরোধে চীন থেকে
ফ্লু ভাইরাস প্রতিরোধে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীন থেকে আসা
বিস্তারিত
আবারও আসছে হাড় কাঁপানো শীত
কয়েকদিনের বিরতির পর আবারও রাজধানীসহ সারা দেশে শীত নামতে শুরু
বিস্তারিত
৮ম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে
সরকারি চাকরিতে অষ্টম থেকে তার ওপরে প্রথম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি
বিস্তারিত
‘২০৩১ সালে গ্যাসের মজুদ শেষ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের
বিস্তারিত
দেশে ভোটার ১০ কোটি ৯৬
সারাদেশে হালনাগাদ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহের পর ভোটার তালিকা খসড়া প্রকাশ
বিস্তারিত