সার-বীজ বিতরণে ছোটখাটো অনিয়ম-দুর্নীতি হতে পারে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক সংসদে জানিয়েছেন, বর্তমানে সার ও বীজ বিতরণে মুনাফার লোভে কিছু ব্যবসায়ী এখন ছোটখাটো অনিয়ম-দুর্নীতি করতে পারে, তবে সারা দেশে স্বাভাবিকভাবেই সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন, ফসল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন সারা পৃথিবীতে বিস্ময়। 

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আবু জাহির।

জবাবে মন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপির দুই মেয়াদে সার নিয়ে অমানবিক দুর্নীতি হয়েছে। সারের দাবি জানালে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সার নিয়ে বিএনপির অস্বাভাবিক দুর্নীতির কারণে ফসল উৎপাদন কমে গিয়েছিল। '৯৫ সালে সারের দাবি জানালে ১৮ জন কৃষককে হত্যা করা হয়। এরপর আবার ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসলে তাদের ওই পাঁচ বছরই সারের সঙ্কট ছিল। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ৭ জানুয়ারি প্রথম মন্ত্রীসভার বৈঠকেই তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সারের দাম কমানোর এজেন্ডা এনেছিলেন। তখন সারের দাম কমানো হয়। বিএনপির আমলে ৭২ টাকার টিএসপি কমিয়ে ২২ টাকা, ৯০ টাকার ডিএসপি কমিয়ে ২৫ টাকা করা হয়। ৬০ টাকার পটাশ কমিয়ে ১৫ টাকা করা হয়। এখনও সেই ১৫ টাকায়ই সার বিক্রি হচ্ছে। 

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলের মতো বর্তমান সরকারের আমলে সারের জন্য কৃষককে মেম্বারের কাছে, ডিলারের কাছে দৌড়াতে হয় না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যারা সার বিতরণের সঙ্গে জড়িত, তারা যথেষ্ট সতর্ক আছে। অভিযোগ উঠেছে, এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী প্রতারণা করে। আমি বলব প্রতারণা অনেক কমে গেছে। যার ফলে কৃষক ঠিকমতো সার ও বীজ পাচ্ছে, উৎপাদন বেড়েছে।

গত মৌসুমে আমাদের ধান উৎপাদনের টার্গেট ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ। কিন্তু উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ। ছোটখাটো অনিয়ম-দুর্নীতি হতে পারে, ব্যবসায়ীরা মুনাফার লোভে এটা করতে পারে। তবে সারা দেশে স্বাভাবিকভাবেই সার-বীজ বিতরণে হচ্ছে। যার ফলে উৎপাদন বেড়েছে। 

সরকারি দলের সদস্য আবদুল মান্নানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ধান কাটা এবং ধান লাগানোর জন্য মেশিন ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকার উৎস্যমূল্য ভর্তুকি দেবে। এ ব্যাপারে খুব শীঘ্রই গেজেট প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, এখন উভয় সঙ্কট হয়ে গেছে। আগে উৎপাদন কম হলে দুর্ভিক্ষ হতো, এখন উৎপাদন বেশি হওয়ায় তা সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, এবার প্রায় ৪ লাখ টন ধান সরাসরি কেনা হয়েছে। চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনা হবে। মন্ত্রণালয় থেকে সারাদেশে টিম যাবে, তারা দেখবেন সত্যিকারের চাষীদের কাছ থেকে ধান কেনা হয়েছে কিনা। যদি না হয় তাহলে জড়িত কর্মকর্তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।


ভ্যাট আদায়ে কঠোর হবে এনবিআর
এতোদিন ভ্যাট আদায়ে নমনীয় থাকলেও এখন থেকে কঠোর অবস্থানে যাবেন
বিস্তারিত
সচিবালয়ের চারপাশ হর্ন বিহীন এলাকা
সরকার সচিবালয়ের চারপাশের এলাকাকে হর্ন বিহীন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে।
বিস্তারিত
মিথিলা-ফাহমির ব্যক্তিগত ছবি সরানোর নির্দেশ
অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও পরিচালক ইফতেখার আহমেদ ফাহমির ব্যক্তিগত
বিস্তারিত
ইউজিসি ও বিএসি’র অনানুষ্ঠানিক সভা
নবগঠিত বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (বিএসি) অনানুষ্ঠানিক এক সভায় মিলিত হন
বিস্তারিত
বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বাংলাদেশ
বিস্তারিত
রুম্পার প্রেমিক রিমান্ডে
ঢাকার স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পা হত্যা মামলার সন্দেহপ্রবণ
বিস্তারিত