আরিফ মঈনুদ্দীন বৃষ্টিভেজা তুমি

 

নন্দনতত্ত্বে হাত রেখেছিÑ
উঠে আসছে নৈপুণ্য
নিপুণ শিল্পের ঘরে জমজমাট আড্ডা
কেউ আর বাকি নেই
সুন্দরের ষোলোকলায় ভর করে এসেছে সবাই
আমি যাকে শিল্প বলি 
আমি যাকে সুন্দর বলি
আমি যাকে কাব্য বলি

আমার চোখের তারায় জ্বলজ্বলে এক স্বপ্ন এসে
এঁকে দেয় মাধুরীÑমাদকতার শেষ বিন্দু
মৃদু বাতাসে অলংকারের মতন কাঁপছে তিরতির।
এই মাত্র যে আশীর্বাদ বৃষ্টি হয়ে ভিজিয়েছে তোমাকে
তার পায়ে নৈবদ্য ঢেলে
আমি তাকিয়েছি তোমার চোখেমুখে সারা অবয়বেÑ
মাথার ভেজা মেঘ থেকে টুপটাপ ঝরছে সুন্দর
সিক্ত গোলাপী অম্বর থেকে চুয়ে চুয়ে পড়ছে সুন্দর
সারা অঙ্গে গড়িয়ে পড়া সুন্দরে ঝলমল করছে
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলÑআমার প্রাণের মানচিত্র

এত মোহময় এত উচ্ছ্বাস শুধু তোমার জন্য
গোলাপের সঙ্গে সারি বেঁধে ফুটেছে বাগানের সব ফুল
যেমন ফুটেছো তুমি
তোমাকে যে ফুটিয়েছে
বৃষ্টিভেজা তুমি কোন শিল্পীর তুলিতে এই মহান শিল্পকর্ম
আমার ভেতরের চোখ অপলক তার দিকে এখন
সিক্ত অম্বরে চিরসুন্দরের সে কী আয়োজন !


শরীর
সন্ধ্যা নামে। রাত বাড়ে। তার চিরচেনা গাঁয়ের মতো ঝিঁ ঝিঁ
বিস্তারিত
পাতার প্রাসাদ
ঘোরলাগা শীতকাল দাঁড়িয়ে সমুখে নীরবে পাতারা ঝরে, সুখে নাকি দুঃখে?  ঝরে
বিস্তারিত
হারমনি অব ওশ্যান
লবণের জল ঠিক জানে কতটা দোলনায় ফেরা যাবে পাড়ে কোন খামে
বিস্তারিত
সোনালি সকাল
চেয়েছিলাম অভিমানে শীতের সকালের রোদ্দুরে অভিমানী চিঠি হয়ে খেজুর পাতার পাটিতে
বিস্তারিত
হাবিল-কাবিল
মনোদেশ ছুঁয়ে গেল ঘোর কোনো নেশা নিষিদ্ধ ফুলের পরাগে অনুচিত স্বপ্নরা
বিস্তারিত
যাওয়া হয় না ঈপ্সিত গন্তব্যে
কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরকে নিত্য পেছনে ঠেলে অতীতের গ্লানিময় অথৈ স্মৃতিকে  বারবার ভুলে
বিস্তারিত