সওয়াল জওয়াব

প্রশ্ন : আমার একটি বিষয় জানার খুবই প্রয়োজন। আমি একজন ডাক্তার। তাই প্রতিনিয়ত এর মুখোমুখি হই। মেহেরবানি করে সমাধান দিলে কৃতজ্ঞ হব। সেটি হলো, ওষুধ কোম্পানিগুলো ডাক্তারদের কিছু ওষুধ শুভেচ্ছাস্বরূপ দিয়ে থাকে। প্রশ্ন হলো, ওই ওষুধগুলো গ্রহণ করা যাবে কি না এবং তা বিক্রি করে টাকা ভোগ করা যাবে কি না? অনুগ্রহ করে মাসআলার সমাধান দিলে খুবই দয়া হয়। দ্বীনের ওপর চলা আমার জন্য সহজ হয়। আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন। Ñডা. আবুল খায়ের, মনিরামপুর, যশোর।

উত্তর : ওষুধ কোম্পানির পক্ষ থেকে চিকিৎসকদের যেসব ওষুধ দেওয়া হয়, তা যদি এমন হয় যে, ওষুধটি সম্প্রতি বাজারে এসেছে এবং চিকিৎসককে এটি দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো, এ ওষুধের সঙ্গে পরিচিতি এবং এর গুণগতমান ও কার্যকারিতা যাচাই করা, তাহলে চিকিৎসকের জন্য ওষুধটি নেওয়া জায়েজ হবে। এমন ওষুধ চিকিৎসক নিজেও ব্যবহার করতে পারবেন এবং নিজের পরিবারের লোকদেরও দিতে পারবেন। তেমনি অন্য যে কোনো রোগীকেও বিনামূল্যে দিতে পারবেন। কিন্তু এসব ওষুধ বিক্রি করে নিজে এর মূল্য ভোগ করা বৈধ হবে না। আর উপরিউক্ত প্রকারের ওষুধ ছাড়া আরও যেসব ওষুধ প্রস্তুতকারীরা চিকিৎসকদের দিয়ে থাকে, যেগুলো আগে থেকেই বাজারে চালু আছে এবং যেগুলোর ব্যাপারে নতুন করে অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রয়োজন নেইÑ চিকিৎসকের জন্য এ ধরনের ওষুধ গ্রহণ করা জায়েজ নয়। কেননা চিকিৎসকদের তারা ওষুধগুলো আর্থিক সুবিধাস্বরূপ দিয়ে থাকে। যাতে চিকিৎসক রোগীদের ব্যবস্থাপত্রে তাদের ওষুধের নাম লেখেন। এজন্যই অনেক চিকিৎসকের চেম্বারের সামনে দেখা যায়, রোগী চেম্বার থেকে বের হওয়ার পর ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা ব্যবস্থাপত্র চেক করে দেখেন যে, চিকিৎসক তাদের ওষুধের নাম লিখেছেন কি না। এ থেকে সুস্পষ্ট হয়, এটি শরিয়তে নিষিদ্ধ ‘রিশওয়াত’ তথা উৎকোচের শামিল।
অবশ্য কোনো চিকিৎসক যদি তাদের স্পষ্ট বলে নেন যে, আমি তোমাদের ওষুধ গ্রহণ করব না। তবে তোমরা চাইলে গরিব রোগীদের দেওয়ার জন্য আমার কাছে দিতে পার, আর কোম্পানির প্রতিনিধি কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে বিলি করার জন্য তাকে ওষুধ প্রদান করে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে চিকিৎসককে তাদের ওষুধ লেখার জন্য চাপ না দেওয়া হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে তিনি ওষুধগুলো গ্রহণ করে মানুষের মাঝে বিতরণ করতে পারবেন। (মাআলিমুস সুনান : ৪/১৬১; আলমাবসুত, সারাখসী : ১৬/৮২; রদ্দুল মুহতার : ৫/৩২৬)।


মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ইসলাম
গত ১০ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয়ে গেল বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য
বিস্তারিত
জুলুমবাজ ও হত্যাকারীর পরিণতি
বর্তমানে চারদিকে একটি দৃশ্য ফুটে উঠছে। দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার।
বিস্তারিত
কোরআনের আলোকে পরস্পরের প্রতি শিষ্টাচার
আমরা মানুষ, পৃথিবীতে আমাদের বসবাস। প্রয়োজনের তাগিদে মানুষের সঙ্গে মেলামেশা,
বিস্তারিত
পোশাকের শালীনতা
পোশাক-পরিচ্ছদ মানুষের লজ্জা নিবারণ করে। পোশাকে মানুষের রুচি, ব্যক্তিত্ব, ঐতিহ্য,
বিস্তারিত
কে এই নোবেল বিজয়ী আবি
তিনি নিজেও ওরোমো মুসলিম ছিলেন। তার বাবা ছিলেন মুসলিম আর
বিস্তারিত
মুসলিম নোবেল বিজয়ীরা
  ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রথম মুসলমান
বিস্তারিত