সিরাজগঞ্জে বৃটিশ নির্মিত দুটি রেলব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ, দুর্ঘটনার আশংকা

সিরাজগঞ্জের রেলপথে বৃটিশের নির্মিত ২৯নং ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ-আলোকিত বাংলাদেশ।

ঢাকা-ঈশ্বরদী রেলপথের সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বঙ্কিরোট ও মহিষাখোলা কামারপাড়া নামকস্থানে বৃটিশ আমলে নির্মিত দুটি ব্রিজের গার্ডারে ফাটল ও লোহার পাতে মরিচা ধরায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে যেকোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষ বর্ষার অজুহাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। 

অভিযোগে প্রকাশ, উক্ত এলাকার ২৮ ও ২৯ নং ব্রিজ দুটির উপর দিয়ে প্রতিদিন ধীরগতিতে চলছে ঢাকার সাথে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় ২০টি ট্রেন। বর্ষার পানি নেমে গেলেও এমন অবস্থায় ট্রেন চলাচল করলেও ওই ব্রিজ দুটি সংস্কার করছে না রেল বিভাগ। দীর্ঘদিন ধরে রেল বিভাগ ওই ব্রিজ দুটির নিচে লোহার এ্যাঙ্গেল, কাঠের স্লিপারের ঠেকনা (সিসি ক্লিক) দিয়ে কোনমতে ঠেকিয়ে রেখেছে। এছাড়া এ দুটি ব্রিজের দুপাশে ট্রেনের সর্বোচ্চ গতিসীমা ২০ কিলোমিটার লেখা সতর্ক সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। এমনকি সেখানে রেল বিভাগ থেকে দুজন ওয়েম্যানও নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ওয়েম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, আমিসহ জাহাঙ্গীর আলম পালাক্রমে এখানে ডিউটি দিচ্ছি। ট্রেন আসা দেখলেই লাল ও সবুজ পতাকা উড়িয়ে ট্রেনের গতি কমিয়ে চলার সংকেত দেয়া হয়। এ কারণে এ রুটে চলাচলকারী প্রায় ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। তারা সঠিক সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না।

তিনি আরো জানান, এই ব্রিজ দিয়ে প্রতিটি ট্রেন মাত্র ঘন্টায় ৫ কিলোমিটার বেগে চলাচল করে। এর উপরে গেলেই ব্রিজটি ঝাঁকুনি দিয়ে কেঁপে উঠছে। এতে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশংকাও রয়েছে।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার রফিকুল ইসলামসহ অনেকেই জানান, ওই রেলপথে সিরাজগঞ্জ থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত যতগুলো ব্রিজ আছে, এর অধিকাংশই বৃটিশ আমলে নির্মিত। এ দুটি ব্রিজের বয়স ১শ বছর পার হয়েছে। এছাড়া উল্লাপাড়া ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার রেলপথ অংশটি ঐতিহাসিক চলনবিলের মধ্যে হওয়ায় প্রতি বছর বন্যা মৌসুমে পানির তীব্র স্রোত ও ঢেউয়ে ধাক্কায় এ ব্রিজ দুটির গার্ডার দুর্বল হয়ে এর কোথাও কোথাও ফাটলেরও সৃষ্টি হয়েছে।

এ রেলপথে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেসসহ প্রায় ১৪টি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেন ও ৬টি তেল, কয়লা ও মালবাহী ট্রেন চলাচল করে।

পাকশী রেলওয়ে বিভাগের ডিআরএম আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া ওই ব্রিজ দুটির উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ট্রেন চলাচলের কথা স্বীকার করে বলেন, বর্ষা মৌসুমে চলনবিলের বন্যার পানির তীব্র স্রোত ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ব্রিজ দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্ষার পানি নেমে গেলেও সেখানে এখনো অনেক পানি। এ কারণে ব্রিজ দুটি মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে রেল বিভাগের নজর রয়েছে। পানি নেমে গেলেই ব্রিজ দুটির পূর্ণাঙ্গ মেরামতের কাজ শুরু করা যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


রংপুরে আঞ্চলিক শিক্ষা কনভেনশন অনুষ্ঠিত
দেশে চলমান শিক্ষার বানিজ্যিকীকরণ বন্ধ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সংকট নিরসন ও
বিস্তারিত
পীরগঞ্জে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১৫
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় ভেণ্ডাবাড়ি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে এক আসামির রহস্যজনক মৃত্যুকে
বিস্তারিত
সন্ত্রাস রুখে দেওয়ার শপথ নিলেন
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে সকল প্রকার সন্ত্রাস রুখে দেওয়ার
বিস্তারিত
বাঁশখালীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শীলক‚প ইউনিয়নের মনকিচর গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য
বিস্তারিত
ভূরুঙ্গামারীতে কমছে না পেঁয়াজের দাম
বার বার  সরকারি ঘোষণার পরেও  উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কমেনি
বিস্তারিত
ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মিরুখালী ইউনিয়নের বড়শৌলা গ্রামে মঙ্গলবার রাতে ছাত্রলীগ কর্মী
বিস্তারিত