উদ্ভাবনী ভাবনার খোঁজে স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপের ‍দ্বিতীয় অধ্যায়

প্রথমবারে সফলতার পর দেশজুড়ে চলছে ‘স্টুডেন্ট  টু স্টার্টআপ: ‍দ্বিতীয় অধ্যায়’। ‘আমার উদ্ভাবন, আমার স্বপ্ন’ শিরোনামে এ উদ্ভাবনী ভাবনা খোঁজার এ প্রতিযোগিতার আয়োজক সিআরআই, ইয়াং বাংলা ও আইসিটি ডিভিশনের আইডিয়া প্রকল্প। গত ১৫ই সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। আয়োজনের প্রথম পর্বে দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলায় এবার কলেজ ও মাদারাসা শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হচ্ছে স্টার্টআপ প্রতিযোগিতায়। এরপর গত ১৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও হাজী মুহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) কর্মশালার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় 'স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ' দ্বিতীয় অধ্যায়। কর্মশালার পর বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় পিচিং। এরমাধ্যমে বাছাই করা হয় ৬টি স্টার্টআপ। এরপর ২১ সেপ্টেম্বর কর্মশালা ও পিচিং অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহী প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-রুয়েট, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পিচিং শেষে এ তিনটি ভেন্যু থেকে বাছাই করা হয় ৯টি স্টার্টআপ আইডিয়া। কর্মশালা ও পিচিংয়ের পরবর্তী সময়সূচি আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ওয়ার্কশপ শেষে পিচিং অনুষ্ঠিত হবে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ফেনী বিশ্ববিদ্যালয় এবং গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নাটোরের বাংলাদেশে আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ও রাঙ্গামাটি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে কর্মশালা ও পিচিং। পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর কর্মশালা ও পিচিং শেষে ৬টি দলকে বাছাই করা হবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ভ্যেনুতে। ২৭ সেপ্টেম্বর ‘স্টুডেন্ট টু স্ট্যার্টআপ: ‍দ্বিতীয় অধ্যায়’-এর পিচিং হবে চিটাগাং ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে। একদিন বিরতি দিয়ে আবার ২৯ সেপ্টেম্বর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কক্সবাজার ইন্টারন্যাশাল ইউনিভার্সিটি ভ্যেনুতে হবে স্টার্টআপ বাছাইয়ের কর্মশালা ও পিচিং। আর ৩০ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের মওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলবে এ প্রতিযোগিতা। পহেলা অক্টোবর ‘স্টুডেন্ট  টু স্টার্টআপ: ‍দ্বিতীয় অধ্যায়’-এর পিচিং হবে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-পবিপ্রবি, সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২ অক্টোবর ঢাকার ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সি, গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে পিচিং। আর ৩ অক্টোবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মশালা ও পিচিং দিয়ে শেষ হবে ভেন্যু পর্যায়ে ‘স্টুডেন্ট  টু স্টার্টআপ: ‍দ্বিতীয় অধ্যায়’-এর কর্মসূচি। অনলাইনে নিবন্ধন যেভাবে স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ: চ্যাপ্টার টু’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থী। নির্দিষ্ট ভ্যেনুতে কর্মশালা ও পিচিংয়ের সময়সূচির আগের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত http://s2s.startupbangladesh.gov.bd/student-2-startup-2/ ঠিকানায় গিয়ে আবেদন করতে হবে। অর্থাৎ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পিচিং অনুষ্ঠিত হবে ৩ অক্টোবর। সেক্ষেত্রে ২ অক্টোবার মধ্যরাত পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। তবে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন লিংকের পাশাপাশি ‘আইডিয়া’, ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ ও ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’ ফেসবুক পেজে এ বিষয়ক তথ্য দেয়া থাকবে। এছাড়া, ইয়াং বাংলার ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডররা নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন সংশ্লিষ্ট তথ্য সরবরাহ ও প্রতিযোগিতা আয়োজন সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে আয়োজকসূত্র। সিআরআই সহযোগী সমন্বয়ক তন্ময় আহমেদ সময় নিউজকে জানান, 'স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ' দ্বিতীয় অধ্যায়-এ দেশের ২৫টি ভেন্যু নির্ধারিত হয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা অংশ নিলেও এবারে কলেজ ও মাদরাসা শিক্ষার্থীরা নিবন্ধন করে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। নির্ধারিত ওই ভেন্যুতে পিচিং শেষে তিনটি করে দল বাছাই করা হবে। যারা সাভারের শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠয়ে জাতীয় ক্যাম্পে অংশ নেবেন। জাতীয় ক্যাম্পে দেড়দিন ব্যাপী ওয়ার্কশপ শেষে আইডিয়া প্রকল্পের বাছাই কমিটির কাছে পিচ করবে ৭৫টি দল। সেখান থেকে সেরা ৩০টি উদ্ভাবনী ভাবনা বা স্টার্টআপ বাছাই করা হবে। শীর্ষ ১০ আইডিয়া পাবে ১০ লাখ টাকার বিনিয়োগ সহায়তা। অপর ২০ দলকে আরো প্রশিক্ষণ ও গ্রুমিং শেষে প্রস্তুত করে আবারো তার পিচ করার সুযোগ পাবে বাছাই কমিটির কাছে। সেখান থেকে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা স্টার্টআপগুলোকেও দেয়া হবে ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ সহায়তা। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে জাতীয়ভাবে ইনোভেশন কালচার, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম এবং এন্ট্রাপ্রেনরিয়াল সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করে সরকারের আইসিটি বিভাগের ‘আইডিয়া’ প্রকল্প। ২০১৮ সালে 'উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমী প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প বা আইডিয়া প্রকল্প'টি চুক্তিবদ্ধ হয় সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) ও এর অঙ্গ সংগঠন তারুণ্যের স্বপ্নের প্লাটফর্ম ইয়াং বাংলার সঙ্গে।
ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো
রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইনোভেশন এক্সপো-২০১৯’।
বিস্তারিত
অনলাইন ফিন্যান্স অলিম্পিয়াডে পুরস্কার পেলেন
অনলাইন ফিন্যান্স অলিম্পিয়াডে পুরস্কার পেয়েছেন ৬ শিক্ষার্থী। শুক্রবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন
বিস্তারিত
বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা লেন্স তৈরি বাংলাদেশি
স্মার্টফোনের জন্য চুলের চেয়ে হাজার গুণ পাতলা ক্যামেরা লেন্স তৈরি
বিস্তারিত
১৬তম আইজেএসওর জন্য বাংলাদেশ দল
বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী এবং বিজ্ঞানমনষ্ক করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে
বিস্তারিত
জাকারবার্গের পোস্টে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের সাফল্যের
বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের এক আবিষ্কারের খবর জানিয়েছেন ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
বিস্তারিত
গুগলের ২১তম জন্মদিন
বিশ্বের বৃহত্তম ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান গুগলের জন্ম হয়েছিল ২১ বছর আগে
বিস্তারিত