মধুতে ছাত্রদল, ‘ভুয়া’ বলে সম্বোধন ছাত্রলীগের

ভোটে নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আসে ছাত্রদল। এ সময় ছাত্রলীগের কর্মীরা তাদের 'ভুয়া' বলে সম্বোধন করেন।

ছাত্রদল নেতারা সহাবস্থান এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানান।

ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, ক্যাম্পাসে সহাবস্থান আছে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গভাবে সেই সহাবস্থান নেই। আমরা উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করব। নতুন কমিটির প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে এ বিষয়েই আলোচনা করব।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ঢাবিতে সীমিত আকারে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে। যেমন মধুর ক্যানটিনের সামনে আপনাদের সঙ্গে কথা বলছি। কিন্তু সেটা পর্যাপ্ত না। আমাদের হল পর্যায়ে সহাবস্থান নেই। ভিন্নমত ধারণ করার কারণে সাধারণ ছাত্ররাও হল পর্যায়ে থাকতে পারছে না।

তিনি আরো বলেন, আমরা বলতে চাই, নগর পুড়লে দেবালয় এড়ায় না। এ দেশের সাধারণ ছাত্র, দেশের জনগণেরই একটি অংশ। এ দেশে বর্তমানে একটি অগণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয়ও সে পরিবেশের ধারাবাহিকতা বিরাজ করছে।

তিনি বলেন, আমরা সাধারণ ছাত্র জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়াশোনা করি। ছাত্রসমাজের অধিকারের বিষয়ে কথা বলতে আমরা ছাত্রদল সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।

ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন বলেন, ছাত্রদল সব সময় সাধারণ ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কথা বলে। তাদের নিয়ে কাজ করেছে। গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমস্যা হচ্ছে। সেখানে আমরা ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কাজ শুরু করেছি। আপনারা এর বাস্তবায়িত রূপ দেখতে পাবেন।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে ঢাবিতে কিন্তু এখানে কোনো গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। সহাবস্থান কিছুটা থাকলেও পুরোপুরি নেই। কৌশলগত কারণ হিসেবে আমরা ভিন্ন পথ অবলম্বন করি। যেমন কোটা আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন এবং ভ্যাট আন্দোলনে আমরা সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও আমাদের সাহায্য-সহযোগিতা ছিল।

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর নতুন কমিটি হয়েছে ছাত্রদলের। নবনির্বাচিতদের নেতৃত্বে  রোববার প্রথম মধুর ক্যানটিনে আসে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সকাল ১১টার আগে মধুর ক্যানটিনে আসেন।

তারা আসার পরপরই সংগঠনটির নেতাকর্মীরা এসে মধুর ক্যানটিন দখল করে নেন।

তারা বিভিন্ন স্লোগানও দিতে থাকেন।

১১টা ১৫ মিনিটের দিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন এবং সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মধুর ক্যানটিনে আসেন।

তারা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।

এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ছাত্রদলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। ছাত্রলীগের কর্মীরা ‘ভুয়া’, ‘ভুয়া’, ‘ছাত্রদলের গুণ্ডারা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘হই-হই রই-রই, ছাত্রদল গেল কই’- এসব স্লোগান দেন।

ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন স্লোগানে মাতিয়ে রাখেন মধুর ক্যানটিন।

উভয়ের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করলেও কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।


সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের ঘোষণা ঐক্যফ্রন্টের
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামী ২২ অক্টোবর জনসমাবেশের ডাক দিয়েছে ড.
বিস্তারিত
আ.লীগ মাঠ থেকে পালিয়ে যাবার
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও খাদ্য মন্ত্রণালয়
বিস্তারিত
‘প্যারোলের সঙ্গে দোষ স্বীকার করার
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের কথার তীব্র সমালোচনা
বিস্তারিত
বিদেশি প্রভুরাও সরকারের পতন ঠেকাতে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন- সরকারের অনাচারে দেশে
বিস্তারিত
ছাত্রলীগের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে
ছাত্র রাজনীতি নয় ছাত্রলীগের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য
বিস্তারিত
আবরার হত্যায় সরকার বিব্রত: কাদের
আবরার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে ক্লাসে ফিরে
বিস্তারিত