দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ইন্টারনেট অর্থনীতি হবে ৩০০ বিলিয়ন ডলার

হু হু করে বাড়ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্টারনেট অর্থনীতি। অনলাইন শপিং, রাইড শেয়ারিং, ফুল ডেলিভারির মতো বিষয়গুলো দ্রুত বাড়ার সফলতায় এ অঞ্চলের ইন্টারনেট ইকোনমি বাড়ছে বলে সম্প্রতি এক রিপোর্টে বলা হয়েছে। রিপোর্টটি তৈরি ও প্রকাশ করেছে গুগল, সিঙ্গাপুর স্টেট ইনভেস্টর টিমাসেক হোল্ডিংস ও গ্লোবাল বিজনেস কনসালটেন্ট বেইন অ্যান্ড কোম্পানি। রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের মধ্যে এ অঞ্চলের ইন্টারনেট অর্থনীতির আকার দাঁড়াবে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগামী ৫ বছরে ২০০ শতাংশ বাড়বে। চলতি বছরে এ অঞ্চলের ইন্টারনেট অর্থনীতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। 
বালা হচ্ছে, আগামীতে এ অঞ্চলের মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণও বাড়বে। সংখ্যায় সেটা যেমন বাড়বে, তেমনি আবার সময়ের হিসাবেও বাড়বে। ফলে দেখা যাবে, মানুষজন তাদের হাতে থাকা স্মার্টফোনেই বিমানের টিকিট কাটা, ব্যাংকিং ও গেইম খেলা ও তার জন্য যে পারসেজ সেটিও করবে। 
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষরা এখনই ইন্টারনেটে অনেক অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফলে তারা আগামীতে আরও বেশি করে ইন্টারনেট-কেন্দ্রিক সেবা চাইবে ও তার উন্নয়ন চাইবে বলে ৬৪ পৃষ্ঠার সেই রিপোর্ট বলছে। গত চার বছরে এ অঞ্চলে অন্তত ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে, যার বেশিরভাগই গেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোতে। এর মধ্যে ফ্যাশন রিটেইলার জিলিঙ্গো ও রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান গ্র্যাব, গোজ্যাকের মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 
২০১৫ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ছিল মাত্র ১৩ বিলিয়ন ডলার, সেটা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়াবে ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সঙ্গে ফুড ডেলিভারির থেকেও বাড়বে।


ঘণ্টায় ২০ হাজার মাইল গতিতে
পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে একের পর এক বিশাল আকাশের গ্রহাণু।
বিস্তারিত
ডিজিটাল রূপান্তরকে গতিশীল করতে আরও
ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপান্তরকে গতিশীল করার পথে প্রতিশ্রুতি ও প্রচেষ্টা বাড়িয়েছে
বিস্তারিত
১৩ লাখ ডেভেলপার নিয়ে এগিয়ে
বিশ্বব্যাপী নিরাপদ ও সুরক্ষিত ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে অব্যাহতভাবে কাজ করে
বিস্তারিত
৬ প্রাইভেসি চেক করতে পারবেন
ব্যবহারকারীদের হাতে তাদের তথ্যের বাড়তি নিয়ন্ত্রণ তুলে দিতে প্রাইভেসি চেকআপ
বিস্তারিত
বাংলাদেশে রিয়েলমির অফিসিয়াল যাত্রা শুরু
স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করছে প্রেস
বিস্তারিত
করোনা ভাইরাসের প্রভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায়
করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সবচেয়ে কম ক্ষতি হয়েছে স্যামসাংয়ের। কারণ আগেই
বিস্তারিত