ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোর শেষ দিন আজ

ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ সেøাগানে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী দেশের সর্ববৃহৎ প্রযুক্তি প্রদর্শনী। ১৪ অক্টোবর শুরু হওয়া এ প্রদর্শনীর আজ শেষ দিন। সকাল ১০টায় শুরু হয়ে চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, আইডিয়া প্রজেক্ট, এটুআই এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) যৌথ উদ্যোগে ডিজিটাল পণ্য এবং তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি প্রদর্শন হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুুল মোমেন প্রধান অতিথি ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির প্রধান একেএম রহমতুল্লাহ, আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব জিয়াউল আলাম, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, উইটসার মহাসচিব জেমস (জিম) পয়জান্ট, বিসিএস সভাপতি শহীদ উল মুনীর। 
প্রদর্শনীটি সকাল থেকেই সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। তবে প্রদর্শনীতে প্রবেশের জন্য প্রদর্শনীর ওয়েবসাইট (https://ddiexpo.com/registration) অথবা স্মার্টফোনে আইওএস (https://apple.co/2ohSA1v) ও অ্যান্ড্রয়েড (https://bit.ly/35j2PDg) থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধন করতে হচ্ছে। উল্লেখিত সাইট বা অ্যাপে প্রদর্শনী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। পুরো প্রদর্শনী অনলাইনে লাইভ স্ট্রিমিং করা হচ্ছে। 
প্রযুক্তি খাতে দেশের সক্ষমতা, দক্ষতা, হার্ডওয়্যার পণ্য উৎপাদনে সম্ভাবনা এবং কর্ম প্রচেষ্টার বাস্তবচিত্র এ প্রদর্শনীতে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এছাড়াও হাই-টেক পার্ক এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে উন্নয়ন কাঠামোর অগ্রগতিতে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া সম্পর্কেও দর্শনার্থীরা সম্যক ধারণা অর্জন করতে পারছেন। দেশীয় প্রযুক্তির সমাহার দিয়ে এবারের প্রদর্শনীকে ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে। রাখা হয়েছে আটটি জোন। ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ জোনে দেশীয় প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে এক ছাদের নিচে পাওয়া যাবে। থাকছে ইনোভেশন জোন। এ জোনে নিত্যনতুন উদ্ভাবন সম্পর্কে জানা যাচ্ছে। আইডিয়া প্রজেক্টের ৩০টি প্রজেক্ট, এটুআইর ৩০টি প্রজেক্ট এবং ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে ইনোভেশন জোন। অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামগুলো থেকে নির্বাচিত সেরা ৩০টি উদ্ভাবন এক্সপোতে প্রদর্শিত হবে এবং প্রদর্শনীটি শেষ হওয়ার পরে শীর্ষ ১০ তরুণ উদ্ভাবককে বঙ্গবন্ধু উদ্ভাবনী অনুদান (বিআইজি) দিয়ে ভূষিত করা হবে। স্টার্টআপ জোনে নতুন উদ্যোক্তাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রজেক্ট সম্পর্কে ধারণা পাবেন দর্শনার্থীরা। মেলার অন্যতম আকর্ষণ রোবোটিক জোন। এ জোনে শিক্ষার্থীদের তৈরি রোবটের পদচারণা রয়েছে।
মঙ্গলে যাওয়ার স্বপ্নকে সত্যি করতে এ প্রদর্শনীতে রয়েছে মঙ্গলযাত্রার নিবন্ধন। ২০৪১ সালে মঙ্গলগ্রহে যাওয়ার পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে এ জোন দর্শনার্থীদের আশার সঞ্চার করছে। বিসিএস এক্সপো জোন এ পাওয়া যাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তির সব হালনাগাদ পণ্য। স্বনামধন্য প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তি প্রদর্শন করছে। প্রযুক্তিপণ্য কেনার সুযোগ মিলছে এ জোনে। এক্সপো জোনে থাকছে ১১০টি প্যাভেলিয়ন এবং স্টল। ১০০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের (আসুস, এইচপি, ডেল, ইন্টেল, স্যামসাং ইত্যাদি) প্রদর্শন করবে প্রযুক্তিপণ্যের সমাহারে সাজানো হয়েছে। রয়েছে বিটুবি এবং মিডিয়া কর্নার। 
গেমারদের জন্য রয়েছে গেমজোন। নানা ধরনের উপহারের ছড়াছড়ি। দেশের তৈরি বিখ্যাত ল্যাম্বারগিনি গাড়ির আদলে তৈরি বৈদ্যুতিক গাড়ির দেখা পাওয়া যাবে এক্সপোতে। রয়েছে রোবট আঁকাসহ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। এক্সপোর দ্বিতীয় দিন দর্শনার্থীদের জন্য দেশের নাম করা ব্যান্ডের অংশগ্রহণে রয়েছে কনসার্ট। তথ্যপ্রযুক্তিতে অবদান রাখার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান করা হবে। মেলার লক্ষ্য হচ্ছে হার্ডওয়্যার পণ্য উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে পরিচিত করে তোলা। নতুন উদ্যোক্তাদের বাণিজ্যিকভাবে তাদের পণ্য বাজারজাত করতে সহযোগিতা হিসেবে ইন্ডাস্ট্রি এবং উদ্যোক্তাদের সেতুবন্ধন করে দেবে এ এক্সপো। 
সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ৫ লাখ দর্শনার্থী সরাসরি এবং ১০ লাখ ভিউয়ারস এ প্রদর্শনী অনলাইনে উপভোগ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। প্রদর্শনীর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর শাহজালাল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি রোবট ‘লি’। ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০১৯ এর প্লাটিনাম স্পন্সর ওয়ালটন। গোল্ড স্পন্সর ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স। যৌথভাবে সিলভার স্পন্সর সিম্ফনি এবং ডিবিবিএল। প্রদর্শনীর ফোরজি এলটিই পার্টনার বাংলালায়ন। এডিএন টেলিকম, বাংলাদেশ টেকনো সিটি লিমিটেড, ডাহুয়া, ডেল, এইচপি, হিকভিশন, ইউসিসি এক্সপোর পার্টনার। গেমিং পার্টনার গিগাবাইট। ই-কর্মাস পার্টনার প্রিয়শপ ডটকম। দেশের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয় ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০১৯ এর নলেজ পার্টনার। এক্সপোকে সফল করার জন্য বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য), সিটিও ফোরাম, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব), বাংলাদেশ ওম্যান ইন টেকনোলজি (বিডব্লিউআইটি), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) এবং বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ) সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করছে।


অ্যান্ড্রয়েডের জায়গায় থাকত উইন্ডোজ মোবাইল
মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বলেছেন, মানুষের হাতে এখন যে অ্যান্ড্রয়েড
বিস্তারিত
কড়াকড়ি আসছে স্ট্রিমিং সার্ভিসের পাসওয়ার্ড
যারা ভিডিও স্ট্রিমিং সাইট নেটফ্লিক্স ব্যবহার করেন, তারা একটি পাসওয়ার্ড
বিস্তারিত
স্ন্যাপড্রাগন ৮৬৫ আসছে ডিসেম্বরে
নতুন প্রসেসর আনতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রসেসর নির্মাতা কোম্পানি কোয়ালকম। প্রসেসরটির
বিস্তারিত
প্রযুক্তি দুনিয়ার ধনী ব্যক্তিদের কিছু
ধনী ব্যক্তিদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো তারা চাইলেই গাড়ি-বাড়িসহ পছন্দের
বিস্তারিত
মজিলা বাংলাদেশের কর্মশালা
মজিলার বিভিন্ন পণ্য ও ফিচারকে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে সহজ,
বিস্তারিত
ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৯-এ তিন
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ জিতেছে মোবাইল
বিস্তারিত