সওয়াল জওয়াব

কবরের ওপর ভবন নির্মাণ প্রসঙ্গে 

প্রশ্ন : ২২ বছর আগে আমাদের গ্রামের এক মুরব্বি মসজিদের নামে ৫ শতাংশ জায়গা ওয়াকফ করেন। ওয়াকফকৃত জায়গাটির সীমানার মধ্যে ডান পাশে পুরোনো একটি কবর ছিল। আমাদের জানামতে এটি ওয়াকফকারীর দাদার কবর। সে সময় আবাদি কম থাকায় মসজিদটি নির্মাণকালে আমরা কবরের দিক থেকে প্রায় দুই শতাংশ জায়গা ছেড়ে তা নির্মাণ করি। এখন মানুষের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। আমরা চাচ্ছি মসজিদটি বড় করে পূর্ণ জায়গার উপর নির্মাণ করতে। এক্ষেত্রে কী আমাদের জন্য কবরের জায়গাটি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে?
উল্লেখ্য, ওই জায়গাটি মুরব্বির মালিকানাধীন সম্পদ ছিল। কবরস্থান বানানোর জন্য ওয়াকফকৃত ছিল না। তৎকালীন গ্রামের প্রচলন অনুযায়ী মৃত ব্যক্তিটিকে (মুরব্বির দাদা) কবরস্থানে দাফন না করে ওই জায়গায় দাফন করা হয়েছে।
Ñমসজিদ কর্তৃপক্ষ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

উত্তর : প্রশ্নের বিবরণ অনুযায়ী যেহেতু ওই জায়গাটি মসজিদের জন্যই ওয়াকফকৃত এবং কবরটিও অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। আর বর্তমানে মসজিদ সম্প্রসারণও খুব জরুরি। সুতরাং কবরটিকে সমান করে দিয়ে সেখানে মসজিদ সম্প্রসারণ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সেখানে কবরের কোনো চিহ্ন রাখা যাবে না। (তাবয়িনুল হাকায়েক ১/৫৮৯; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৬৭; রামযুল হাকায়েক ১/৬৭; আলবাহরুর রায়েক ২/১৯৫; আদ্দুররুল মুখতার ২/৩৩৮)

প্রশ্ন : গ্রামে আমাদের একটি জমি অনেক বছর ধরে এক ব্যক্তি অন্যায়ভাবে ভোগ করে আসছিল। আইনের আশ্রয় নেওয়ার পর কিছুদিন আগে আমাদের পক্ষে রায় আসে। জমিটিতে আমরা ভবন নির্মাণ করে বসবাস করতে চাচ্ছি, কিন্তু তাতে তাদের একটি কবর আছে, যার বয়স প্রায় আট মাস। কবর স্থানান্তর করা না করা নিয়ে গ্রামে সালিশ বসে। তাতে এ সিদ্ধান্ত হয় যে, যেহেতু এটা দ্বীনি বিষয়, তাই এ বিষয়ে শরিয়তের বিধান যেমন হবে তা উভয় পক্ষ মেনে নেবে। এখন মুফতি সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, এক্ষেত্রে শরিয়তের সঠিক মাসায়ালাটি কী?
Ñআবদুল্লাহ, গাজীপুর

উত্তর : প্রশ্নোক্ত বর্ণনা মতে কবরটি যেহেতু অন্যের জমিতে তার অনুমতি ছাড়া দেওয়া হয়েছে, তাই সেটি স্থানান্তর করা জায়েজ হবে। ওই লোকদের কর্তব্য, কবরটি স্থানান্তর করে জমি-মালিকের বসবাসের সুযোগ করে দেওয়া। (আলমুহীতুল বুরহানী ৩/৯৯; আততাজনীস ওয়াল মাযীদ ২/২৭৯; শরহুল মুনয়া পৃ. ৬০৫; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২২৬; হালবাতুল মুজাল্লী ২/৬২৯)।


আল্লাহর ভয় এবং এর প্রভাব
এ জন্য দরকার হৃদয়কে আল্লাহর ভালোবাসায় গড়ে তোলা। আল্লাহর উলুহিয়্যাহ
বিস্তারিত
বৈষম্যহীনতা ইসলামের সৌন্দর্য
বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান মোটিভেশনার বক্তার একটি ছবি সম্প্রতি ফেইসবুকে ভাইরাল
বিস্তারিত
ভালোবাসা আছে দিবস নেই
প্রেম-ভালোবাসা, মায়া-মমতা ও ভক্তি-শ্রদ্ধা মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। এসব মানবিক গুণ
বিস্তারিত
আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা ও
শিক্ষা ও উপদেশ গ্রহণ করা আলোকপ্রাপ্ত বিবেক ও বুদ্ধির কাজ।
বিস্তারিত
কবি সাহাবি আবদুল্লাহ বিন রাওয়াহা
আবদুল্লাহ বিন রাওয়াহা (রা.) এর উপনাম আবু মুহাম্মদ, আবু রাওয়াহা।
বিস্তারিত
সম্পর্ক আবেগ নয় বিবেক দিয়ে
সৃষ্টিলগ্ন থেকেই পুরুষ নারীর প্রতি আকর্ষিত। এ আকর্ষণের অন্যতম অনুঘটক
বিস্তারিত