দিতে হচ্ছে না টাকা

রামেক হাসপাতালে স্বজনরাই ওয়ার্ডে নিচ্ছেন রোগী

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে ট্রলিতে করে রোগীদের ওয়ার্ডে নিয়ে যান দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকরা। এ জন্য তারা ট্রলি থেকে রোগী নামিয়েই তারা দাবি করে বসেন টাকা। এ নিয়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে মাঝে মাঝেই ঘটে অপ্রীতিকর ঘটনা।

এসব এড়াতে অভিনব কৌশল অবলম্বন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে স্বজনরাই ট্রলিতে করে ওয়ার্ডে রোগী নিয়ে যেতে পারবেন। এ জন্য হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে ১৫টি ট্রলি রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। প্রস্তুত রয়েছে আরও ১০টি। শনিবার থেকে ১৫টি ট্রলি রাখার পর স্বজনরাই ট্রলিতে করে রোগীদের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নিয়ে যেতে পারছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ট্রলিতে করে স্বজনরা রোগী নিয়ে গেলে তা আবার জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসার নিশ্চয়তা দিতে হবে। আর এ জন্য আনসার সদস্যরা রোগীর স্বজনের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর লিপিবদ্ধ করে রাখছেন। সেইসঙ্গে জমা রাখা হচ্ছে ১০০ টাকা। রোগীর স্বজন ট্রলিটি ফেরত নিয়ে এলেই তার জমা রাখা ১০০ টাকা ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

রোববার সকালে হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, প্রধান ফটকের পাশে চেয়ার-টেবিল পেতে বসেছেন আনসার সদস্যরা। নাম-ঠিকানা লিপিবদ্ধ করে তারা ট্রলি দিচ্ছেন রোগীর স্বজনদের। তখন জমা নেয়া হচ্ছে ১০০ টাকা। রোগীর স্বজনরা ট্রলি রেখে যাওয়ার সময় জমা দেয়া টাকা নিয়ে যাচ্ছেন।

হাসপাতালে আগেও রোগী নিয়ে গেছেন এমন একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকরা ট্রলিতে করে ওয়ার্ডে রোগী নিয়ে যাওয়ার পর দূরত্ব অনুযায়ী টাকা দাবি করেন। শ্রমিকদের দাবি, হাসপাতাল থেকে দিনে মাত্র ১২০ টাকা পান তারা। এতে সংসার চলে না। তাই টাকা নেন। শ্রমিকদের ২০ থেকে ৫০ টাকা করে দিতে হয়। টাকা না দিলে কখনও কখনও অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে। তবে রোগীদের স্বজনদের জন্যই ট্রলি রেখে দেয়ায় এমন ঘটনা আর ঘটবে না। গরীব রোগীর স্বজনদের টাকাও দিতে হবে না।

হাসপাতালের উপ-পরিচালক সাইফুল ফেরদৌসও বলছেন একই কথা। তিনি বলেন, হাসপাতালে যেন রোগীর স্বজনরা হয়রানি না হন তার জন্যই তারা এই পদ্ধতি চালু করলেন। ১৫টি ট্রলি দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালু করা হলো। আরও ১০টি ট্রলি প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, হাসপাতালে আপাতত ট্রলি টানার জন্য দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকরাও থাকছেন। তাদের কাছে ট্রলিও থাকছে। স্বজনরা চাইলে তাদের সেবা নেবেন, না চাইলে নয়। স্বজনদের মাধ্যমেই ট্রলি টানায় ভালো সাড়া পাওয়া গেলে আরও ট্রলি দেয়া হবে। তখন দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকদের আর প্রয়োজন পড়বে না। কাউকে টাকাও দিতে হবে না।


জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বরগুনায় সাংবাদিকের
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বরগুনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন
বিস্তারিত
পাকুন্দিয়ায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ২
কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কের পাকুন্দিয়া উপজেলার মাইজহাটি নামক স্থানে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত
বিস্তারিত
সন্ত্রাসবাদ দেশ, জাতি ও মানবতার
কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান ডিআইজি মো. মনিরুল
বিস্তারিত
ফেনী পলিটেকনিকে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ:
ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বুধবার ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বহিরাগতসহ অন্তত
বিস্তারিত
মান্দায় বিআরটিসি বাসচাপায় ভ্যানচালক নিহত
নওগাঁ মান্দায় বিআরটিসি বাসের চাপায় দুলাল হোসেন (৪০) নামের এক
বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জের প্রবীণ শিক্ষক ওয়াজেদ আলী
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চন্ডিদাসগাঁতী সৈয়দ আকবর আলী হাই স্কুলের প্রবীণ
বিস্তারিত