বাবা হোক লোকমান হাকিমের মতো

সপ্তম উপদেশ সামাজিক শিষ্টাচার সম্পর্কে : এরশাদ হয়েছে: “অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না।” (সূরা লোকমান : ১৮)। আয়াতে অবজ্ঞা করার যে আরবি শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে তা হলো ‘লা তুছায়্যির’ এ শব্দের মূল ধাতুর অর্থ হলো : উটের এক প্রকার ব্যাধি যার ফলে এর ঘাড় বেঁকে যায়। যেমন মানুষের খিঁচুনি নামক প্রসিদ্ধ ব্যাধি হয়ে থাকে। ফলে মুখম-ল বাঁকা হয়ে যায়। সুতরাং শব্দের মর্মার্থ এই যে, লোকের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা কথোপকথনের সময় মুখ ফিরিয়ে রেখো না। এটি তাদের প্রতি উপেক্ষা ও অহংকারের নিদর্শন আর ভদ্রোচিত স্বভাব ও আচরণের পরিপন্থি

একটি সমাজ ও রাষ্ট্রের মৌলিক এবং ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পরিবার, যা মানব সমাজেরও মূল ভিত্তি। সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রাথমিক সংগঠন। ধর্মীয় দৃষ্টিতে পরিবারের প্রধান হন বাবা। বাবার কাছেই থাকে সন্তানের বেড়ে ওঠার মসৃণ গালিচাটি। আর মা শেখান সে গালিচায় হাঁটার পদ্ধতি। এজন্যই বিদ্বানরা বলেন : ‘মায়ের কোলই হচ্ছে সন্তানের জন্য বিদ্যালয়।’ আজ আমরা এমনই এক বাবার জীবন, সন্তান লালন ও কর্তব্যপরায়ণতা নিয়ে আলোচনা করব যার পার্থিব এ আমল মহান রাব্বুল ইজ্জতের নিকট এতটাই বেশি গ্রহণীয় ছিল যে, তার নামে পবিত্র কোরআনে পূর্ণাঙ্গ একটি সূরা অবতীর্ণ করে দিলেন। সে বাবা হলেন লোকমান হাকিম। 
যেহেতু আমাদের সমাজে লোকমান হাকিমকে নিয়ে কিছুু সংশয় বিদ্যমান রয়েছে যে, তিনি কি সাধারণ কোনো মানুষ নাকি নবী? তাই তার সম্পর্কে একটু সংশয় দূর করে নেই। আলোচ্য প্রশ্নের একটিই সরল উত্তর হতে পারে যে, তিনি আমাদের মতোই সাধারণ মানুষ ছিলেন কিন্তু আল্লাহ তাঁকে দান করেছিলেন অফুরন্ত প্রজ্ঞা। ফলে তিনি হয়েছিলেন আল্লাহর একজন প্রিয় বান্দা, একজন প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্ব ও একজন বিশিষ্ট মনীষী। আর নবীরা পেয়েছিলেন হিকমাতসহ ওহীর জ্ঞান। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)-এর মতে : ‘তিনি জনৈক আবিসিনীয় কৃতদাস ছিলেন, কাঠ চেরার কাজ করতেন।’ তিনি অত্যন্ত কৃষ্ণকায় ছিলেন। পৃথিবীতে এমন তিনজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি রয়েছেন যারা মানবকুলে শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত। তারা হলেনÑ ১. হজরত বেলাল (রা.), ২. হজরত ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর কর্তৃক মুক্ত গোলাম হজরত মাহজা (রা.)। বদর যুদ্ধে যে ১৪ জন সাহাবী শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করেছিলেন তিনি তাদেরই একজন। ৩. হজরত লোকমান (আ.)। জীবন চলার জন্য কাঁটাযুক্ত পথে কিভাবে মসৃণ গালিচায় আরোহণ করে পথ চলতে হয়, এ মহৎ ব্যক্তি তা অত্যন্ত সাবলীল ভঙ্গিতে উপদেশাকারে তার স্বীয় পুত্রকে উদ্দেশ করে বর্ণনা করেছিলেন। তা হুবহু তার নামে অবতীর্ণ পবিত্র কোরআনের ৩১তম সূরা তথা সূরা লোকমানে যথাযথভাবে স্থান পেয়েছে। 
স্বীয় পুত্রকে দেওয়া অমূল্য উপদেশাবলী :
প্রথম উপদেশ শিরক সম্পর্কে : আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস ছাড়া কোনো মানুষ মুসলিম বা মোমিন হতে পারে না। আর পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করা মানেই হলো, শিরক থেকে ফিরে আসা। শিরক কারও অন্তরে বিন্দুমাত্র থাকতে সে ঈমানদার হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। লোকমান হাকিমও তার স্বীয় পুত্রকে ঈমানের এ মৌলিক বিষয় সম্পর্কে সর্বাগ্রে উপদেশ প্রদান করেন। শিরক সম্পর্কে অল্লাহ  কোরআনে অনেক কঠিন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন : ‘আল্লাহ তায়ালা শিরক ব্যতীত অন্য সব গুনাহ যাকে ইচ্ছে ক্ষমা করবেন।’ (সূরা নিসা : ৪৮)। তাই এ ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে স্বীয় পুত্রকে বলেন : “হে বৎস! আল্লাহর সঙ্গে শিরক করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা মহা অন্যায়।” (সূরা লোকমান : ১৩)। মানুষকে উপদেশ দেওয়ার ব্যাপারে একটি বিষয় সর্বদা খেয়াল রাখতে হবে যে, শ্রোতাকে যেন কোমল ও নম্র ভাষায় সম্বোধন করা হয়। কেননা শ্রোতার হৃদয় বক্তার প্রতি আকৃষ্ট না হওয়া পর্যন্ত বক্তব্য ফলপ্রসূ হওয়ার আশা করা যায় না। এ কারণেই লোকমান হাকিমও তার পুত্রকে ‘ইয়া বুনাইয়্যা’ অর্থাৎ হে বৎস! তিনি এমন আদরমাখা শব্দ দ্বারা পুত্রকে সম্বোধন করলেন। তিনি ‘ইয়া ওয়ালাদ’ বা হে ছেলে এমনভাবে সম্বোধন করতে পারতেন, কিন্তু হিকমাতের কারণেই তিনি তা করেননি।
দ্বিতীয় উপদেশ তাকওয়া সম্পর্কে : আল্লাহ সর্বস্থানে বিরাজমান এবং তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। একথা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করার নামই খোদাভীতি বা তাকওয়া। মানুষ যেখানেই অবস্থান করুক আর যা কিছুই করুক কোনোটিই আল্লাহর অজানা নয়। যেখানে গাছের একটি পাতাও তাঁর অজ্ঞতাসারে পতিত হয় না, প্রস্তর শিলার মধ্যে অবস্থানরত সামান্য পোকাকেও তিনি জীবন ও রিজিকদান করে থাকেন, সেখানে আশরাফুল মাখলুকাতের সম্পর্কে গাফেল থাকবেন এ কী করে হয়? লোকমান হাকিম তার স্বীয় পুত্রের ভেতরে এ বিষয়টিকে যথাযথ স্থান দেওয়ার জন্য নসিহত করে বলেন : “হে বৎস! কোনো বস্তু যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয় অতঃপর তা যদি থাকে প্রস্তরগর্ভে অথবা আকাশে অথবা ভূ-গর্ভে, তবে আল্লাহ তাও উপস্থিত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ গোপন ভেদ জানেন এবং সবকিছুর খবর রাখেন।” (সূরা লোকমান : ১৬)। পিতা লোকমান (আ.) নিজের জীবনেও এ তাকওয়ার প্রতি অবিচল ছিলেন বলেই সাধারণ মানুষদের মধ্য থেকে তিনি মহান রবের নিকট এত বেশি প্রিয় হতে পেরেছিলেন।
তৃতীয় উপদেশ কর্ম পরিশুদ্ধিতা সম্পর্কে : আবশ্যকীয় কাজ তো অনেক, তন্মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো নামাজ। ইসলামের মৌলিক পাঁচটি স্তম্ভের দ্বিতীয়টি হচ্ছে সালাত তথা নামাজ। স্বীয় সন্তানকে লোকমান হাকিম আকিদার পরামর্শের পরই নামাজ কায়েমের ব্যাপারে নির্দেশ প্রদান করেন। কেননা “নিশ্চয়ই নামাজ মানুষকে অন্যায় ও গর্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে।” (সূরা আনকাবূত : ৪৫)।  এবং মানুষকে পুণ্যবান হতে সাহায্য করে। বিশিষ্ট প-িত লোকমান হাকিম তিনিও তার সন্তানের কর্ম পরিশুদ্ধিতার জন্য যা বলেছেন পবিত্র কোরআনে তা সংরক্ষণ করা হয়েছে। “হে বৎস! নামাজ কায়েম কর।” (সূরা লোকমান : ১৭)। আর হাদিস শরিফেও সন্তানকে সাত বছর বয়সে নামাজের নির্দেশ করতে বলা হয়েছে আর দশ বছরে (নামাজ আদায় না করলে মৃদু) প্রহার করতে বলা হয়েছে।
চতুর্থ উপদেশ চরিত্র গঠন সম্পর্কে : চরিত্র মানব জীবনের এক অমূল্য সম্পদ। ইসলাম উত্তম চরিত্র গঠনের ব্যাপারে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে। ইসলামে উত্তম চরিত্র বলতে মানবীয় সত্তার সামগ্রিক সুকুমার বৃত্তিকে বোঝানো হয়েছে। যা প্রতিটি মানব সত্তা পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশী, সমাজব্যবস্থা ও ধর্মীয় অনুশাসনের মাধ্যমে লাভ করে থাকে। জন্মগতভাবেই প্রতিটি মানব সন্তানের চরিত্রের দুটি দিক থাকে। কু-প্রবৃত্তি ও সু-প্রবৃত্তি। শৈশব থেকেই প্রতিটি শিশু যেন কু-প্রবৃত্তির দিকে ধাবিত না হয়ে সু-প্রবৃত্তির দিকে আকৃষ্ট হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে লোকমান হাকিম স্বীয় পুত্রকে উপদেশ ও দায়িত্বারোপ করেই বলেন : “এবং সৎকাজের আদেশ দাও।” (সূরা লোকমান : ১৭)।
পঞ্চম ও ষষ্ঠ উপদেশ অন্যায়ে বাধা ও সংযমী হওয়া সম্পর্কে : সৎকাজের আদেশ করা সহজ হলেও অসৎকাজে বাধা প্রধান করা একটি সাহসিকতাপূর্ণ কাজ। এ কাজে এগিয়ে এলে নানা রকম বাধা, প্রতিরোধ আসবেই। এছাড়াও জীবন পরিক্রমায় বহুবিধ বিপদ আমাদের প্রতিনিয়ত তার শুভ্র চাদরে আচ্ছন্ন করে রাখে। আমরা হতাশার সাগরে হাবুডুবু খাই। চিন্তার প্রস্তর শিলা বহন করি শিরে। কিন্তু এর থেকে পরিত্রাণের জন্য আল্লাহ আমাদের ধৈর্যের পরামর্শ দিয়েছেন। আসলে প্রতিবাদ করতে যে শক্তির প্রয়োজন হয় ধৈর্য ধারণ করতে তার কয়েকগুণ বেশি শক্তি লাগে। এ পরামর্শ আমরা অগ্রাহ্য করে বরং প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠি। অথচ আল্লাহর প্রিয় বান্দা লোকমান হাকিম তার পুত্রকে বলেছিলেন: “আর মন্দকাজে বাধা দাও। এবং বিপদে ধৈর্য ধারণ কর। নিশ্চয়ই এটি সাহসিকতার কাজ।” (সূরা লোকমান : ১৭)। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে প্রায় ৬৯টি স্থানে ৬৯ ভাবে আলোচনার অবতারণা করেছেন। ব্যবহারের আধিক্যই এর গুরুত্ব প্রকাশ করার জন্য যথেষ্ট।
সপ্তম উপদেশ সামাজিক শিষ্টাচার সম্পর্কে : এরশাদ হয়েছে: “অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না।” (সূরা লোকমান : ১৮)। আয়াতে অবজ্ঞা করার যে আরবি শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে তা হলো ‘লা তুছায়্যির’ এ শব্দের মূল ধাতুর অর্থ হলো : উটের এক প্রকার ব্যাধি যার ফলে এর ঘাড় বেঁকে যায়। যেমন মানুষের খিঁচুনি নামক প্রসিদ্ধ ব্যাধি হয়ে থাকে। ফলে মুখম-ল বাঁকা হয়ে যায়। সুতরাং শব্দের মর্মার্থ এই যে, লোকের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা কথোপকথনের সময় মুখ ফিরিয়ে রেখো না। এটি তাদের প্রতি উপেক্ষা ও অহংকারের নিদর্শন আর ভদ্রোচিত স্বভাব ও আচরণের পরিপন্থি।
অষ্টম উপদেশ নম্রভাবে পদচারণ করা সম্পর্কে : “এবং পৃথিবীতে গর্বভরে পদচারণ করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না।” (সূরা লোকমান : ১৮)। আয়াতে গর্বভরে শব্দের আরবি ‘মারহা’ শব্দ ব্যবহার করে দাম্ভিকতা ও ঔদ্ধত্যের সহিত বিচরণ করাকে বোঝানো হয়েছে। আল্লাহ ভূমিকে যাবতীয় বস্তু হতে নত করে সৃষ্টি করেছেন। আর আমাদের সৃষ্টিও এই মাটি থেকে। যেহেতু এই মাটির উপর দিয়ে আমরা চলি তাই নিজের নিগুঢ় তত্ত্ব বোঝার বা অনুধাবন করণার্থেই লোকমান হাকীম তার স্বীয় পুত্রকে নম্রভাবে ভূ-পৃষ্ঠে বিচরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
নবম উপদেশ হাঁটার ক্ষেত্রে মধ্যবর্তিতা অবলম্বন করা সম্পর্কে : আগের আয়াতে দম্ভভরে হাঁটতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু লোকমান হাকীম পরবর্তী আলোচনা দ্বারা হাঁটার ক্ষেত্রে নিজ গতিতে মধ্যবর্তিতা অবলম্বনের বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। দৌড়-ধাপসহ চলতে বারণ করা হয়েছে। হাদিস শরিফে আছে, দ্রুতগতিতে চলা মোমিনের জন্য সৌন্দর্য ও মর্যাদাহানিকর। এভাবে চলার ফলে দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার অত্যধিক মন্থর গতিও সমীচীন নয় কারণ, সেটি অহংকারী ব্যক্তি তার নিজেকে জানান দেওয়ার একটি পদ্ধতি কিংবা তাদের অভ্যাস। সুতরাং চলার ক্ষেত্রে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করাই যথার্থ হবে। লোকমান হাকিম বলেন : “এবং পদচারণায় মধ্যবর্তিতা অবলম্বন কর।” (সূরা লোকমান : ১৯)।
দশম উপদেশ কথা বলার আদব সম্পর্কে : কারও সঙ্গে মতবিনিময় করলে কিংবা কথা বললে নিজের কণ্ঠস্বরকে নিচু রাখতে হবে। যেন আমাদের কথার কটু আওয়াজ অন্যের জন্য পীড়াদায়ক না হয়। অর্থৎ স্বর প্রয়োজনের অতিরিক্ত উচ্চ না করা এবং হট্টগোল না করা। লোকমান (আ.) তার সন্তানকে এ উপদেশ দিয়ে এর খারাপ দিকটিও উল্লেখ করে বললেন : “এবং কণ্ঠস্বর নিচু কর। নিঃসন্দেহে গাধার স্বরই সর্বাপেক্ষা অপ্রীতিকর।” (সূরা লোকমান : ১৯)। 
অতএব, সমাজের প্রতিটি পরিবার, প্রত্যেক বাবা-মা, লোকমান হাকিমের মাত্র এ দশটি উপদেশ যদি তার সন্তানকে শৈশব থেকেই অভ্যস্ত করাতে পারি এবং নিজেদের জীবনেও তা পূর্ণভাবে পালন করি তবে এ সমাজ হবে শান্তির সমাজ; যেখানে থাকবে না কোনো অত্যাচার, নির্যাতন, হত্যা, লুণ্ঠন। নিজ সন্তানকে, নিজ ভাইকে নৃশংসভাবে হত্যা করতে পশুত্বের মতো আনন্দে মাতবে না কেউ। পরস্পর সম্প্রীতিতে এ দেশ হবে একটি নিদর্শন। প্রতিটি বাবা হোক লোকমান হাকিমের মতো আর প্রতিটি সন্তান হোক বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিতÑ এটিই প্রত্যাশা। 

লেখক : এমফিল গবেষক, আরবি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়


আজানের মহিমা
সর্বোপরি আজান হচ্ছে নামাজের আহ্বান। আর নামাজের গুরুত্ব যে সর্বাধিক,
বিস্তারিত
আল-মাদ্রাসাতুস সাওলাতিয়াহ মক্কা মোকাররমা
  আল-মাদ্রাসাতুস সাওলাতিয়াহ। পবিত্র মক্কা নগরীতে অবস্থিত আরব উপদ্বীপের প্রাচীনতম দ্বীনি
বিস্তারিত
একদিন নবীজির বাড়িতে
ধৈর্য ও সহনশীলতা : নবীজির (সা.) বাড়িতে শুধু শান্তি আর
বিস্তারিত
ফুটপাতে ক্রয়-বিক্রয় প্রসঙ্গে
  প্রশ্ন : আমি ফুটপাতের দোকান থেকে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করি।
বিস্তারিত
২৯ নভেম্বর আন্তর্জাতিক কেরাত সম্মেলন
আসছে ২৯ নভেম্বর শুক্রবার বাদ আসর বাংলাদেশ কারি সমিতির উদ্যোগে
বিস্তারিত
সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা
ইসলাম অতীত ক্ষমা করে দিয়েছে। কারণ ইসলাম পূর্বকৃত সব গোনাহ
বিস্তারিত