একটি সনেট

 

নিসর্গ আলিঙ্গনে কাটায় তার দুরন্ত বৈকল্য,
কণ্ঠক, বিষ, অমৃত, ঔষধি, তার সঙ্গে রঙের ঝর্ণা,
হালকা পল্লবের বিষাক্ত লতাটি নিরবচ্ছিন্ন
মৌচাক ঘিরে আছে, তবু ভুলে মৌপোকারা তাকে
চিনে না। ওপাশে বসন্তের আলেয়া দপ করে
জ্বলে ওঠে, আমরা মানুষেরা ভ্রান্তির কারাগারে
অনুর্বর জ্ঞানের শুষ্ক দরিয়ায় হাবসি খাই,
আর দেখে যাই আমার বিশালতা ও ক্ষুদ্রত্ব।

নিসর্গের আকাশ অন্ধকার নিয়ে নেমে আসে,
জলাভূমির বিবর্ণ রূপ মৎসকুল চেটেপুছে
শেষ করে নিসর্গের জন্ম হয়তো এক অপার্থিব
নিদারুণ প্রক্রিয়ায়, মানুষের কানে কানে নিসর্গ
কথা কয়, মধু আর বিষে শেষ শেধক তৈরি করে,
পাপ-পুণ্যের ভিতর দিয়ে তাই নিসর্গ এক অকপট বন্ধু। 


কোথায় যাই আমি
  কীভাবে কথা বলে পুষ্প ভুলে গ্যাছে। তাহলে এই ভর
বিস্তারিত
অদৃশ্য জাদুঘর
  জাতীয় জাদুঘরের সামনে দৃষ্টিতে ভর দিয়ে দাঁড়ানো লোকটি চায়ের কাপ
বিস্তারিত
ভুলের ভ্রমর
সমস্ত চিন্তার বাঁকে স্পষ্ট মুখ, মেঘ হঠাৎ আকাশ ভেঙে নামে
বিস্তারিত
অন্ধকার এক নির্মমতার নাম
  বুকের কিনারে ভয়াল সাইক্লোন রেখে        
বিস্তারিত
সুখের অসুখে
  তোমারই রসময় সুখের উঠোনে প্রেমের দর্পণ, প্রাণের তরঙ্গ, ফুলের সুবাস
বিস্তারিত
জীবনানন্দ, আমাদের সমসাময়িক
সেই সময়ের শিক্ষা সচিব হুমায়ুন কবিরকে লেখা চিঠিতে এর আভাস
বিস্তারিত