সঠিক জায়গায় প্রকৃত নেতাদের মূল্যায়ন করা হোক

১৯৯২ সালে বরগুনা জেলা স্কুল শাখা ছাত্রলীগে নাম লিখিয়ে তার রাজনৈতিক জীবনের হাতে খড়ি। ১৯৯৭ সালে জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হয়ে রাজপথে সক্রিয় অবস্থান নেয়া। এরপর ১৯৯৮ সালে জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হয়ে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দেয়া। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করে বরগুনার রাজনৈতিক অঙ্গনে দাপটের সাথে বিচরণ করে আসছেন বহু ছাত্রনেতা তৈরীর কারিগর এডভোকেট জুনাইদ জুয়েল। আজকের নেতৃত্বে থাকা অসংখ্য ছাত্রলীগ নেতাকর্মী তার মুখের বুলি 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' শুনে শিখে রাজপথে শামিল হয়েছেন জনতার কাতারে। আপদমস্তক একজন মুজিব সৈনিক জুনাইদ জুয়েল।

বরগুনাতে একজন ভদ্র, বিনয়ী, শিক্ষিত এবং ক্লীন ইমেজের মানুষ হিসেবে অধিক পরিচিত। একজন সাধারণ মানুষেরও তার প্রতি কোনো অভিযোগ নাই। রাজনীতিকে যিনি রাজনীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছেন। যিনি বিশ্বাস করেন রাজনীতি কোন ট্রেড সেন্টার নয়। রাজনীতি হল গণমানুষের অধিকার নিশ্চিত করার সঠিক মাধ্যম। রাজপথে তার দৃঢ় নেতৃত্ব বেশি চোখে পরেছে মূলত আওয়মী লীগের দুঃসময়ে। বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতা কর্মীদের মনোবল যুগিয়েছেন আজকের এই জুনাইদ জুয়েল। ১/১১ এ সেনা শাসকের রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য হস্ত লিখিত রঙ্গীন পোষ্টার সেটে দিয়েছেন রাজপথের বিভিন্ন অলি গলিতে। ইতিহাস হয়ত তা একদিন সাক্ষী দিবে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে দলটির সকলেই কম বেশি মুল্যায়িত হলেও এই মানুষটি থেকেছেন তার ব্যতিক্রম। কোনো দিন দলের কাছ থেকে কিছু পাননি। হাইব্রিড, তেলবাজ, টাকাওয়ালাদের ভিড়ে জুনাইদ জুয়েল আজ অচল পয়সা। যোগ্যতাই যেন প্রতিবন্ধকতা। ত্যাগই যেন রাজপাপ। প্রচন্ড অভিমান বুকে ধারণ করে পথ চলছেন। কিন্তু বিচ্যুত হননি মুজিব আদর্শ থেকে। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ দলের কোনো কমিটিতে তার নাম নেই। অথচ দু এক বছর দল করে কেউ কেউ বাগিয়ে নিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ন পদ।

এক সময়ের বরগুনার ছাত্র রাজনীতির আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র জুনাইদ জুয়েলদের মুল্যায়ন না করলে শুধু দলই নয় রাজনীতি জিনিসটাকেও পস্তাতে হবে। কারণ রাজনীতি রাজনীতিবিদদের হাতেই নিরাপদ। তাই সময় থাকতে জুয়েলদের মুল্যায়ন করা হোক এবং রাজনীতি চলুক রাজনীতির পথে মানব কল্যানে। 


নতুন সড়ক আইন ও বিআরটিএ
অবশেষে এলো বহুপ্রতীক্ষিত সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮। হাজার হাজার স্কুল,
বিস্তারিত
গাড়ির নাম্বারে গ্রেফতারী পরোয়ানা, জেনে
বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল, সিএনজি, পিক-আপ ইত্যাদি গাড়ি চালিয়ে মামলা হলে
বিস্তারিত
রোহিঙ্গা সংকট ও আন্তর্জাতিক শক্তির
রাতের অন্ধকার কেটে পূর্ব প্রভাতের ক্ষীণ আলোচ্ছটায় হঠাৎ ঘুম ভেঙে
বিস্তারিত
যে সমাজের মানুষ যেমন সেই
যখন কোনো বন্ধুর সাথে সিভিল পোশাকে দেখা হয় তখন সবাই
বিস্তারিত
ভেঙে যাওয়া বিয়ে দিয়ে ফের
রাজধানীর খিলগাঁওয়ে একটি সুপার শপ থেকে দুধ চুরি করতে গিয়ে
বিস্তারিত
নিজের নিরাপত্তায় হেলমেট ব্যবহার করেন
বাংলাদেশে ট্রাফিক আইন প্রয়োগে সবথেকে বড় সমস্যা হলো অতি গরীব
বিস্তারিত